হাসিবুর রহমান

হাম নিয়ে ত্রাহিদশার মধ্যেই বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। বর্ষার কারণে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বিস্তার ঘটছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জুলাইয়ের শেষদিকে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে পারে। এখনই পদক্ষেপ না নিলে, তা আগস্টের শুরুতে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব হিসেবে দেখা দেবে। যদিও সরকার বলছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, জুলাই ও আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। এই কারণে থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে। রাজধানীসহ বড় বড় শহরে হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জনপ্রতিনিধি থেকে মসজিদের ইমামদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে, জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ এবং জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই ছয় মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এর মধ্যে গত জুনে আগের মাসের তুলনায় চারগুন বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছে ১৩ জন। তার আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে এবং মে মাসে ১ জনের মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার স্ট্রিমকে বলেছেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা যেতে পারে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংক্রমণের সর্বোচ্চ ধাপ (পিক) থাকতে পারে। এবার রাজধানীর চেয়ে জেলা শহরগুলোতে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।
তিনি বলেন, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ইতিমধ্যে রোগী বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ঢাকায় ২০০০ সালের পর থেকে বহু মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ায় একটি বড় জনগোষ্ঠীর শরীরে কিছুটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু অনেক জেলা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় সেখানে মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কম। ফলে এবার ঢাকার বাইরেই বেশি রোগী হওয়ার আশঙ্কা।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হিসেবে তদারকি ও মূল্যায়নের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন কবিরুল বাশার, ‘কোথায় মশার প্রজনন হচ্ছে এবং নেওয়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে– এসব বিষয়ে নিয়মিত মূল্যায়ন হয় না।’
জরিপে দেখা গেছে, ঢাকায় এডিস মশার বড় উৎস ভবনের বেজমেন্ট, পার্কিং এলাকা, পানির ড্রাম, বালতি, টয়লেট ও রান্নাঘরের আশপাশে জমে থাকা পানি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মশকনিধন কার্যক্রম ড্রেন বা রাস্তার পাশেই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে মূল প্রজননস্থল অক্ষত থেকে যায়।
ডেঙ্গু নিয়ে অতীতের পরিসংখ্যানও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২০২৪ সালে ৫৭৫ এবং ২০২৫ সালে ৪১৩ জন মারা যায়।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যে ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, পদ্ধতিগত পরিবর্তনের কারণে তা পর্যাপ্তভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি আগের মতোই রয়ে গেছে। ২০২৩ সালের মতো এবার বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, সাধারণত চার বছর পর পর ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ পরিবর্তন হলে সংক্রমণের তীব্রতা ও জটিলতা বাড়ে। সেই বিবেচনায় চলতি বছর এবং আগামী বছর ডেঙ্গুর বড় ধরনের মহামারির ঝুঁকি রয়েছে। এবার হাম রোগীর সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। তাই তারা যদি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, তাহলে গুরুতর জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।
কতটা প্রস্তুত সরকার
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান স্ট্রিমকে বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রোগী কম। সিটি করপোরেশনের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। মশক নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ঝুঁকি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
তবে ডা. মুশতাক হোসেনের মতে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু হাসপাতালের প্রস্তুতি বা সরকারি ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কমিউনিটি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার। এলাকাভিত্তিক জিআইএস ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে রোগীর অবস্থান শনাক্ত করে সেখানে মশা নিয়ন্ত্রণ, রোগী পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে।
পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ পরীক্ষা (এনএস১) চালু করা গেলে, দ্রুত রোগ শনাক্ত এবং মানুষ প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবে বলে মনে করেন এই জনস্বাস্থ্যবিদ।

হাম নিয়ে ত্রাহিদশার মধ্যেই বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। বর্ষার কারণে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বিস্তার ঘটছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জুলাইয়ের শেষদিকে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে পারে। এখনই পদক্ষেপ না নিলে, তা আগস্টের শুরুতে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব হিসেবে দেখা দেবে। যদিও সরকার বলছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, জুলাই ও আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। এই কারণে থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে। রাজধানীসহ বড় বড় শহরে হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জনপ্রতিনিধি থেকে মসজিদের ইমামদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে, জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ এবং জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই ছয় মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এর মধ্যে গত জুনে আগের মাসের তুলনায় চারগুন বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছে ১৩ জন। তার আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে এবং মে মাসে ১ জনের মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার স্ট্রিমকে বলেছেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা যেতে পারে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংক্রমণের সর্বোচ্চ ধাপ (পিক) থাকতে পারে। এবার রাজধানীর চেয়ে জেলা শহরগুলোতে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।
তিনি বলেন, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ইতিমধ্যে রোগী বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ঢাকায় ২০০০ সালের পর থেকে বহু মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ায় একটি বড় জনগোষ্ঠীর শরীরে কিছুটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু অনেক জেলা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় সেখানে মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কম। ফলে এবার ঢাকার বাইরেই বেশি রোগী হওয়ার আশঙ্কা।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হিসেবে তদারকি ও মূল্যায়নের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন কবিরুল বাশার, ‘কোথায় মশার প্রজনন হচ্ছে এবং নেওয়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে– এসব বিষয়ে নিয়মিত মূল্যায়ন হয় না।’
জরিপে দেখা গেছে, ঢাকায় এডিস মশার বড় উৎস ভবনের বেজমেন্ট, পার্কিং এলাকা, পানির ড্রাম, বালতি, টয়লেট ও রান্নাঘরের আশপাশে জমে থাকা পানি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মশকনিধন কার্যক্রম ড্রেন বা রাস্তার পাশেই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে মূল প্রজননস্থল অক্ষত থেকে যায়।
ডেঙ্গু নিয়ে অতীতের পরিসংখ্যানও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২০২৪ সালে ৫৭৫ এবং ২০২৫ সালে ৪১৩ জন মারা যায়।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যে ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, পদ্ধতিগত পরিবর্তনের কারণে তা পর্যাপ্তভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি আগের মতোই রয়ে গেছে। ২০২৩ সালের মতো এবার বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, সাধারণত চার বছর পর পর ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ পরিবর্তন হলে সংক্রমণের তীব্রতা ও জটিলতা বাড়ে। সেই বিবেচনায় চলতি বছর এবং আগামী বছর ডেঙ্গুর বড় ধরনের মহামারির ঝুঁকি রয়েছে। এবার হাম রোগীর সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। তাই তারা যদি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, তাহলে গুরুতর জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।
কতটা প্রস্তুত সরকার
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান স্ট্রিমকে বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রোগী কম। সিটি করপোরেশনের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। মশক নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ঝুঁকি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
তবে ডা. মুশতাক হোসেনের মতে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু হাসপাতালের প্রস্তুতি বা সরকারি ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কমিউনিটি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার। এলাকাভিত্তিক জিআইএস ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে রোগীর অবস্থান শনাক্ত করে সেখানে মশা নিয়ন্ত্রণ, রোগী পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে।
পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ পরীক্ষা (এনএস১) চালু করা গেলে, দ্রুত রোগ শনাক্ত এবং মানুষ প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবে বলে মনে করেন এই জনস্বাস্থ্যবিদ।
.png)

দেশের সার বিতরণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। যুগ যুগ ধরে চলে আসা সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা প্রথা পুরোপুরি বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার ব্যবসায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতে কড়া শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের দাবি, কৃষকের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছা
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে কাতারের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে দোহা সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল-কাবি ও অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল-কুওয়ারির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদা বৈঠক করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ইস্যুতে মিয়ানমার সরকারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন না মানায় একদিনে ১ হাজার ৭৩০টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
৫ ঘণ্টা আগে