বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ও বিনিয়োগে দু্টি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ৩৯
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সিআইআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানানো হয়।

একই সঙ্গে বেনাপোলসহ বিভিন্ন স্থলবন্দরে পণ্য খালাস এবং পরিবহনব্যবস্থা আরও দ্রুত ও দক্ষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সিআইআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটির বাংলাদেশে ইতোমধ্যে বিনিয়োগ রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনে বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছে। বিশেষ করে বেনাপোলে কার্গো হ্যান্ডলিং আরও দক্ষ করা এবং সীমান্তে পণ্য চলাচল সহজ করা গেলে পরিবহন ও কাঁচামালের ব্যয় কমবে। এতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরি হবে।’

তিনি বলেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে দুটি বিজনেস-টু-বিজনেস টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। একটি টাস্কফোর্স ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে। অন্যটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ ও অর্থায়ন কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে কাজ করবে। এ বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।’

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবকাঠামো বিনিয়োগ প্রয়োজন। নতুন রেলপথ, মহাসড়ক, বন্দর ও এলএনজি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থায়ন প্রয়োজন। এসব খাতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হলে এবং বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে দেখবে।’

আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে পুরোপুরি আলাদা করে দেখা যায় না। তবে দুই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ যত বাড়বে, উভয় দেশই তত বেশি লাভবান হবে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বাণিজ্য জোটের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ও বিনিয়োগে দু্টি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব