স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশনের (সিএটি) অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশের দেওয়া সংরক্ষণী শত বিষয়ক ঘোষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অনুচ্ছেদ ১৪(১)-সংক্রান্ত ওই ঘোষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কনভেনশনটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত হয় এবং বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করে।
কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র—বাহামা, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, সামোয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র—চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন প্রদান করেছিল। সেই রিজার্ভেশনের ফলে এতদিন যাবৎ রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।
এখন রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম হলো। এর ফলে নির্যাতনে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে, তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এতে করে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।

নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশনের (সিএটি) অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশের দেওয়া সংরক্ষণী শত বিষয়ক ঘোষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অনুচ্ছেদ ১৪(১)-সংক্রান্ত ওই ঘোষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কনভেনশনটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত হয় এবং বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করে।
কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র—বাহামা, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, সামোয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র—চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন প্রদান করেছিল। সেই রিজার্ভেশনের ফলে এতদিন যাবৎ রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।
এখন রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম হলো। এর ফলে নির্যাতনে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে, তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এতে করে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের দুর্গম বনাঞ্চলে বন্যহাতি হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে তার ওপর ঘর নির্মাণের ঘটনা উদঘাটন করেছে বনবিভাগ। প্রায় এক মাস আগে সংঘটিত এই ঘটনা গত ২৬ মার্চ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রকাশ্যে এলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
২ মিনিট আগে
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৫ জন নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের জ্বালানি-ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ১৫ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে