বাগেরহাটের একই পরিবারের তিনজন হত্যাকাণ্ড
স্ট্রিম সংবাদদাতা

বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উৎকট দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা গিয়ে বারান্দায় এক এবং ঘর থেকে দুজনের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলার বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন, চান্দেরকোলা গ্রামের মনিরা বেগম (৬০), তাঁর ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) ও মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৯০)।
কচুয়া থানার ওসি হারুন আর রশীদ জানান, তিনজনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের দাগ। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্বামী আবদার আলী হাওলাদারের মৃত্যুর পর মনিরা বেগম ছেলে ও মাকে নিয়ে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশীরা উৎকট গন্ধ পেয়ে মনিরার বাড়িতে গিয়ে বারান্দায় রাশিদা বেগমের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের ডাকাডাকি করেও সাড়া পাননি। পরে ঘরে ঢুকে মনিরা বেগম ও আহাদ হাওলাদারের লাশ পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা না থাকায় বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।
প্রতিবেশী বুলু বেগম বলেন, ‘বাড়িটির পাশে দাঁড়ানো যাচ্ছিল না। উৎকট দুর্গন্ধ। ঘটনা কী, তা দেখতে বাড়িতে গিয়ে একে একে তিনজনের লাশ দেখতে পাই। পরে অন্যান্য প্রতিবেশীদের ডেকে আনি।’
নিহত আহাদ হাওলাদারের চাচাতো ভাই জাহিদুল হাওলাদার বলেন, ‘আমার আত্মীতার সিজার অপারেশনের জন্য পরিবারের সবাই তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। সেখানেই আহাদের পরিবারের খবর জানতে পেরেছি। ওদের তো কোনো শত্রু ছিল না। কারা মারলো, কেন মারলো, কিছুই তো বুঝতে পারছি না।’

বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উৎকট দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা গিয়ে বারান্দায় এক এবং ঘর থেকে দুজনের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলার বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন, চান্দেরকোলা গ্রামের মনিরা বেগম (৬০), তাঁর ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) ও মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৯০)।
কচুয়া থানার ওসি হারুন আর রশীদ জানান, তিনজনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের দাগ। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্বামী আবদার আলী হাওলাদারের মৃত্যুর পর মনিরা বেগম ছেলে ও মাকে নিয়ে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশীরা উৎকট গন্ধ পেয়ে মনিরার বাড়িতে গিয়ে বারান্দায় রাশিদা বেগমের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের ডাকাডাকি করেও সাড়া পাননি। পরে ঘরে ঢুকে মনিরা বেগম ও আহাদ হাওলাদারের লাশ পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা না থাকায় বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।
প্রতিবেশী বুলু বেগম বলেন, ‘বাড়িটির পাশে দাঁড়ানো যাচ্ছিল না। উৎকট দুর্গন্ধ। ঘটনা কী, তা দেখতে বাড়িতে গিয়ে একে একে তিনজনের লাশ দেখতে পাই। পরে অন্যান্য প্রতিবেশীদের ডেকে আনি।’
নিহত আহাদ হাওলাদারের চাচাতো ভাই জাহিদুল হাওলাদার বলেন, ‘আমার আত্মীতার সিজার অপারেশনের জন্য পরিবারের সবাই তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। সেখানেই আহাদের পরিবারের খবর জানতে পেরেছি। ওদের তো কোনো শত্রু ছিল না। কারা মারলো, কেন মারলো, কিছুই তো বুঝতে পারছি না।’
.png)

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুরুতে বিএনপির অন্তত চারজনের নাম সামনে এলেও এখন একজনকে ঘিরেই আলোচনা। এরমধ্যে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে জমে উঠেছে নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে বেছে নেবে ক্ষমতাসীনরা।
৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়ার হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রী। হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পাওনা টাকার জন্য শরিফুল ইসলাম হিরা (৪০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট) গোয়ালন্দ বাজারের তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৮ ঘণ্টা আগে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীর বন ছেড়ে অজগর প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বনসংলগ্ন এলাকায় এসব অজগরের দেখা মিলছে। বাড়ির আঙিনা, হাঁস-মুরগির খামার, বাঁশঝাড়, চা-বাগান ও হাওড়ের আশপাশে অজগর পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
৮ ঘণ্টা আগে