স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিভাগে হামের টিকার চাহিদা সাড়ে ৭৩ লাখ, আর বর্তমানে মজুত রয়েছে ৮৩ হাজার। এই বড় ঘাটতির নিয়েই আজ রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হাম মোকাবিলায় আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে ১৮টি জেলার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলা ও পৌরসভায় জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই ৩০টি উপজেলা ও পৌরসভার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার দুটি উপজেলা মহেশখালী ও রামুতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
এছাড়া পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে আরও টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় টিকাদান কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ কর্মসূচির জন্য চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ২৩৫ ডোজ টিকার চাহিদা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. সেখ ফজলে স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন।
সেখ ফজলে জানান, ইতোমধ্যে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ও দুই সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত চাহিদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ৮৩ হাজার ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে আরও প্রায় ২ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। চাহিদা ও সংক্রমন বিবেচনা অগ্রাধিকার দিয়ে সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হাম-নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আট শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে ৪৭ শিশু। এ ছাড়া জেলায় ১২ জনের শরীরে হাম পজিটিভ রয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ এখনও টিকা নেওয়ার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছায়নি। সাধারণত হামের টিকা দেওয়ার বয়স ৯ মাস থেকে শুরু। তবে বর্তমানে পাঁচ মাসের কম বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংকট নিরসনে সরকার হামের টিকা দেওয়ার বয়স কমিয়ে ছয় মাসে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির প্রবণতা বেড়েছে। কয়েকশ শিশু বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, এখন পর্যন্ত রাঙামাটি জেলায় হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কোনো শিশু পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে হাম-সদৃশ উপসর্গ। এর মধ্য সবচেয়ে ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারের শিশুরা।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন জানান, চমেকে হাম ও নিউমোনিয়ায় উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশু মারা গেছে। তারা কক্সবাজার জেলার। চমেকে ভর্তি ৪৭ শিশুর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরী ও নগরীর বাইরের শিশুও রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশ্লেষকেরা বলছেন, মৌসুমি পরিবর্তন, টিকাদানে ঘাটতি এবং কিছু এলাকায় সচেতনতার অভাব—এই পরিস্থিতির পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে টিকাদান কভারেজ তুলনামূলক কম হওয়ায় ঝুঁকি বেশি।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা ও দুটি সিটি কর্পোরেশন এলাকা থেকে টিকার চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ধাপে ধাপে আমরা ডোজ হাতে পাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহায়তা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে কিছু দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সামরিক হেলিকপ্টারে হামের টিকা পৌছে দেওয়া হবে, যাতে কোনো শিশু এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।’
চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রধান সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসা কেন্দ্র বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলাভিত্তিক টিকার চাহিদা হলো— চট্টগ্রামে ১২ লাখ ৪২ হাজার ৭২৯ ডোজ, কক্সবাজারে ৭ লাখ ১০৫ ডোজ, কুমিল্লায় ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৮০ ডোজ, ফেনীতে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ ডোজ, নোয়াখালীতে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৮০ ডোজ, লক্ষ্মীপুরে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৫২ ডোজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৩ ডোজ এবং চাঁদপুরে ৬ লাখ ৩ হাজার ৭৭৩ ডোজ।
তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে ৯১ হাজার ৭২৩ ডোজ, রাঙামাটিতে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৯০ ডোজ এবং খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪১ ডোজ টিকার চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৩ ডোজ এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ৭৮ হাজার ৪৮৪ ডোজ টিকা চাওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, টিকার সরবরাহ শুরু হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে হামের টিকার চাহিদা সাড়ে ৭৩ লাখ, আর বর্তমানে মজুত রয়েছে ৮৩ হাজার। এই বড় ঘাটতির নিয়েই আজ রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হাম মোকাবিলায় আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে ১৮টি জেলার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলা ও পৌরসভায় জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই ৩০টি উপজেলা ও পৌরসভার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার দুটি উপজেলা মহেশখালী ও রামুতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
এছাড়া পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে আরও টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় টিকাদান কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ কর্মসূচির জন্য চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ২৩৫ ডোজ টিকার চাহিদা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. সেখ ফজলে স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন।
সেখ ফজলে জানান, ইতোমধ্যে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ও দুই সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত চাহিদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ৮৩ হাজার ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে আরও প্রায় ২ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। চাহিদা ও সংক্রমন বিবেচনা অগ্রাধিকার দিয়ে সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হাম-নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আট শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে ৪৭ শিশু। এ ছাড়া জেলায় ১২ জনের শরীরে হাম পজিটিভ রয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ এখনও টিকা নেওয়ার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছায়নি। সাধারণত হামের টিকা দেওয়ার বয়স ৯ মাস থেকে শুরু। তবে বর্তমানে পাঁচ মাসের কম বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংকট নিরসনে সরকার হামের টিকা দেওয়ার বয়স কমিয়ে ছয় মাসে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির প্রবণতা বেড়েছে। কয়েকশ শিশু বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, এখন পর্যন্ত রাঙামাটি জেলায় হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কোনো শিশু পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে হাম-সদৃশ উপসর্গ। এর মধ্য সবচেয়ে ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারের শিশুরা।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন জানান, চমেকে হাম ও নিউমোনিয়ায় উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশু মারা গেছে। তারা কক্সবাজার জেলার। চমেকে ভর্তি ৪৭ শিশুর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরী ও নগরীর বাইরের শিশুও রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশ্লেষকেরা বলছেন, মৌসুমি পরিবর্তন, টিকাদানে ঘাটতি এবং কিছু এলাকায় সচেতনতার অভাব—এই পরিস্থিতির পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে টিকাদান কভারেজ তুলনামূলক কম হওয়ায় ঝুঁকি বেশি।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা ও দুটি সিটি কর্পোরেশন এলাকা থেকে টিকার চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ধাপে ধাপে আমরা ডোজ হাতে পাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহায়তা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে কিছু দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সামরিক হেলিকপ্টারে হামের টিকা পৌছে দেওয়া হবে, যাতে কোনো শিশু এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।’
চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রধান সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসা কেন্দ্র বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলাভিত্তিক টিকার চাহিদা হলো— চট্টগ্রামে ১২ লাখ ৪২ হাজার ৭২৯ ডোজ, কক্সবাজারে ৭ লাখ ১০৫ ডোজ, কুমিল্লায় ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৮০ ডোজ, ফেনীতে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ ডোজ, নোয়াখালীতে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৮০ ডোজ, লক্ষ্মীপুরে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৫২ ডোজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৩ ডোজ এবং চাঁদপুরে ৬ লাখ ৩ হাজার ৭৭৩ ডোজ।
তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে ৯১ হাজার ৭২৩ ডোজ, রাঙামাটিতে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৯০ ডোজ এবং খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪১ ডোজ টিকার চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৩ ডোজ এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ৭৮ হাজার ৪৮৪ ডোজ টিকা চাওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, টিকার সরবরাহ শুরু হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার শুরু গত বছরের ৪ এপ্রিল। গরু চরাতে গিয়ে ঘাস কাটার জন্য আজিজুর আর তাঁর আরও তিন সঙ্গী ঠাকুরগাঁ এলকার সীমান্ত পিলার ৩৭৩/১-এস এর জিরো পয়েন্টের কাছে জড়ো হয়েছিলেন। আর সব দিনের মতই সেই সাধারণ একটি দিন আজিজুরের জীবনে ১১ মাসের এক দুঃস্বপ্নে রূপ নেয়। ভারতে বন্দি হওয়া, নির্যাতনের অভিযোগ এবং শেষ পর্যন্ত কফ
১০ মিনিট আগে
ভোলার লালমোহনে ফিলিং স্টেশনে (পাম্প) জ্বালানি তেল না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসার সামনে বিক্ষোভ করেছেন মোটরসাইকেল (বাইক) চালকেরা। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
২১ মিনিট আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
২২ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। রোববার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে