স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২২ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস। দলটির ইশতেহারে বলা হয়েছে, রাজনীতি হবে আমানত, ক্ষমতা হবে জবাবদিহিমূলক এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে। এ ছাড়া দলটির রাজনৈতিক দর্শন, নৈতিক অবস্থান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির মাওলানা মামুনুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।
খেলাফত মজলিসের পাঁচটি অধ্যায়ে সম্বলিত ২২ দফা ইশতেহারে একটি বিস্তৃত ভূমিকা ও উপসংহার সংযুক্ত রয়েছে, যেখানে দলটির রাজনৈতিক দর্শন, নৈতিক অবস্থান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি উপস্থাপিত হয়েছে।
ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে একতরফা নির্বাচন, ভোটাধিকার হরণ, গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দলীয়করণ এবং সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার ধ্বংসের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এসব ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্ত, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির দাবি জানানো হয়।
দ্বিতীয় অধ্যায়ে সংগঠনটির ছয়টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এগুলো হলো—সুষম উন্নয়ন ও নাগরিক জীবনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, সার্বজনীন ও নৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থান ও তরুণদের জন্য 'এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি'-ধর্মী কর্মসূচি।
তৃতীয় অধ্যায়ে ধর্মীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় নীতি, ইসলামী অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, কওমি মাদ্রাসা, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, নারী ও শিশু সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার নিয়ে বিস্তারিত কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয়।
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ইসলামী আকিদা ও মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেছে দলটি।
ইশতেহারের চতুর্থ অধ্যায়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, গুম-খুন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন, ঋণখেলাপি এবং অর্থ পাচারের মতো রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার ঘোষণা দেওয়া হয়। এসব অপরাধ দমনে বিশেষ আইন, স্বাধীন তদন্ত কমিশন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকরের অঙ্গীকার করা হয়।
পঞ্চম অধ্যায়ে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের ইতিবাচক আদর্শ পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়েছে, রাজনীতি হবে আমানত, ক্ষমতা হবে জবাবদিহিমূলক এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে।
ইশতেহার ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২২ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস। দলটির ইশতেহারে বলা হয়েছে, রাজনীতি হবে আমানত, ক্ষমতা হবে জবাবদিহিমূলক এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে। এ ছাড়া দলটির রাজনৈতিক দর্শন, নৈতিক অবস্থান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির মাওলানা মামুনুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।
খেলাফত মজলিসের পাঁচটি অধ্যায়ে সম্বলিত ২২ দফা ইশতেহারে একটি বিস্তৃত ভূমিকা ও উপসংহার সংযুক্ত রয়েছে, যেখানে দলটির রাজনৈতিক দর্শন, নৈতিক অবস্থান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি উপস্থাপিত হয়েছে।
ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে একতরফা নির্বাচন, ভোটাধিকার হরণ, গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দলীয়করণ এবং সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার ধ্বংসের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এসব ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্ত, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির দাবি জানানো হয়।
দ্বিতীয় অধ্যায়ে সংগঠনটির ছয়টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এগুলো হলো—সুষম উন্নয়ন ও নাগরিক জীবনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, সার্বজনীন ও নৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থান ও তরুণদের জন্য 'এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি'-ধর্মী কর্মসূচি।
তৃতীয় অধ্যায়ে ধর্মীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রীয় নীতি, ইসলামী অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, কওমি মাদ্রাসা, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, নারী ও শিশু সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার নিয়ে বিস্তারিত কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয়।
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ইসলামী আকিদা ও মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেছে দলটি।
ইশতেহারের চতুর্থ অধ্যায়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, গুম-খুন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন, ঋণখেলাপি এবং অর্থ পাচারের মতো রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার ঘোষণা দেওয়া হয়। এসব অপরাধ দমনে বিশেষ আইন, স্বাধীন তদন্ত কমিশন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকরের অঙ্গীকার করা হয়।
পঞ্চম অধ্যায়ে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের ইতিবাচক আদর্শ পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়েছে, রাজনীতি হবে আমানত, ক্ষমতা হবে জবাবদিহিমূলক এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে।
ইশতেহার ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল প্রমুখ।
.png)

হামের উপসর্গে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। এ সময়ে দেশে ৯৯৬ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
৬ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। তাঁর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। আজ বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিংয়ে পৌঁছান।
২৭ মিনিট আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন চেষ্টার পর শূন্যরেখায় আটকা পড়েছে শিশুসহ ৯ জন। বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার আদাতলা সীমান্তের উত্তর পাতাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৪১ মিনিট আগে
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গৃহবধূ হত্যা মামলার চার আসামিকে রাজধানীর লালবাগ ও চকবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
১ ঘণ্টা আগে