স্ট্রিম প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলার আজ ষষ্ঠ দিন। মেলা প্রাঙ্গণের অন্যতম আকর্ষণীয় ও বর্ণিল অংশ হলো শিশু চত্বর। সাধারণত এই চত্বরে শিশু-কিশোর ও অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে এবং বই বিক্রিও হয় চোখে পড়ার মতো। তবে এবারের মেলার ষষ্ঠ দিনে মঙ্গলবার শিশু চত্বরে ঘুরে বই বিক্রির মিশ্র চিত্র দেখা গেছে।
বেশির ভাগ স্টলের বিক্রির অবস্থা খুব আশাব্যঞ্জক নয়। কেউ কেউ বলছেন বিক্রি একেবারেই খারাপ। তবে এই হতাশার মধ্যেও দুয়েকজন বিক্রেতা জানিয়েছেন, বিক্রি একেবারে খারাপ নয়।
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে শিশুদের উপস্থিতি চোখে পড়লেও, অভিভাবকেরা বই কম কিনছেন। অনেকেই স্টলগুলোতে ঘুরে ঘুরে বই দেখছেন, পাতা উল্টে প্রচ্ছদ দেখছেন, কিন্তু সে অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত বিক্রি হচ্ছে না। প্রকাশকরা আশা করেছিলেন মেলার শুরুর দিকেই শিশু চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভালো বিক্রি হবে, তবে বাস্তব চিত্র তাদের অনেককেই হতাশ করেছে।
শিশুতোষ বইয়ের পরিচিত প্রকাশনীগুলোর মধ্যে বিক্রির অবস্থা জানতে চাইলে অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন। ‘শিশুর পড়া’ প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী বৃষ্টি আক্তার মেলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এবারের মেলায় বিক্রি খুবই কম হচ্ছে। গতকাল মেলায় লোকই ছিল না। আর আজ মেলায় মানুষজন থাকলেও, সেই তুলনায় বিক্রি নেই।’
একই রকম হতাশার সুর শোনা গেছে ‘তাকধুম’ প্রকাশনীর স্টলেও। এই প্রকাশনীর কর্মী তৃষা বিক্রির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলেন, ‘আমাদের স্টলের অবস্থা খুবই বাজে। মেলায় বিক্রি নেই বললেই চলে।’
তবে কিছুটা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ‘ময়ূরপঙ্খি’ প্রকাশনীর মিতিয়া ওসমান। ছুটির দিনে কিছুটা বিক্রির মুখ দেখলেও সাধারণ দিনগুলোতে বিক্রি বেশ কমে গেছে বলে তিনি জানান। মিতিয়া ওসমান বলেন, ‘গত শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় শিশুদের উপস্থিতি ভালো ছিল এবং সেদিন আমাদের স্টলে একটু বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এরপর থেকে এখন বিক্রি খুবই কম।’
অন্যদিকে, হতাশার এই চিত্রের মধ্যেও ইতিবাচক কথা শোনা গেছে ‘কিন্ডার বুক’ প্রকাশনীর স্টলে। এই প্রকাশনীর কর্মী ফাহিম আরাফাত বাঁধন তাদের বিক্রির অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে। বিশেষ করে গত রোববার আমাদের বিক্রি বেশি ভালো ছিল।’ তবে মেলায় সামগ্রিকভাবে মানুষের ভিড় তুলনামূলক কম হওয়ার পেছনের কিছু কারণও তিনি উল্লেখ করেন। ফাহিম আরাফাত বলেন, ‘সামনে রোজা এবং অন্যান্য উৎসবের কারণে এবার মেলায় মানুষজনের ভিড় তুলনামূলকভাবে কম।’ তার মতে, পারিপার্শ্বিক এই বিষয়গুলো মেলার সার্বিক উপস্থিতিতে প্রভাব ফেলেছে।
সব মিলিয়ে শিশু চত্বরে দর্শনার্থী বা ক্রেতাদের উপস্থিতি এবং বইয়ের বিক্রি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। বেশিরভাগ প্রকাশনীই আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় হতাশ। তবে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, মেলার দিন যত গড়াবে এবং সামনের ছুটির দিনগুলোতে হয়তো শিশু চত্বরে ক্রেতাদের সমাগম আরও বাড়বে। বর্তমানের এই স্থবিরতা কাটিয়ে মেলা তার চিরচেনা রূপে ফিরে আসবে এবং বিক্রিও আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছাবে, এমনটাই আশা করছেন শিশুতোষ বইয়ের প্রকাশকরা।

অমর একুশে বইমেলার আজ ষষ্ঠ দিন। মেলা প্রাঙ্গণের অন্যতম আকর্ষণীয় ও বর্ণিল অংশ হলো শিশু চত্বর। সাধারণত এই চত্বরে শিশু-কিশোর ও অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে এবং বই বিক্রিও হয় চোখে পড়ার মতো। তবে এবারের মেলার ষষ্ঠ দিনে মঙ্গলবার শিশু চত্বরে ঘুরে বই বিক্রির মিশ্র চিত্র দেখা গেছে।
বেশির ভাগ স্টলের বিক্রির অবস্থা খুব আশাব্যঞ্জক নয়। কেউ কেউ বলছেন বিক্রি একেবারেই খারাপ। তবে এই হতাশার মধ্যেও দুয়েকজন বিক্রেতা জানিয়েছেন, বিক্রি একেবারে খারাপ নয়।
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে শিশুদের উপস্থিতি চোখে পড়লেও, অভিভাবকেরা বই কম কিনছেন। অনেকেই স্টলগুলোতে ঘুরে ঘুরে বই দেখছেন, পাতা উল্টে প্রচ্ছদ দেখছেন, কিন্তু সে অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত বিক্রি হচ্ছে না। প্রকাশকরা আশা করেছিলেন মেলার শুরুর দিকেই শিশু চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভালো বিক্রি হবে, তবে বাস্তব চিত্র তাদের অনেককেই হতাশ করেছে।
শিশুতোষ বইয়ের পরিচিত প্রকাশনীগুলোর মধ্যে বিক্রির অবস্থা জানতে চাইলে অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন। ‘শিশুর পড়া’ প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী বৃষ্টি আক্তার মেলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এবারের মেলায় বিক্রি খুবই কম হচ্ছে। গতকাল মেলায় লোকই ছিল না। আর আজ মেলায় মানুষজন থাকলেও, সেই তুলনায় বিক্রি নেই।’
একই রকম হতাশার সুর শোনা গেছে ‘তাকধুম’ প্রকাশনীর স্টলেও। এই প্রকাশনীর কর্মী তৃষা বিক্রির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলেন, ‘আমাদের স্টলের অবস্থা খুবই বাজে। মেলায় বিক্রি নেই বললেই চলে।’
তবে কিছুটা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ‘ময়ূরপঙ্খি’ প্রকাশনীর মিতিয়া ওসমান। ছুটির দিনে কিছুটা বিক্রির মুখ দেখলেও সাধারণ দিনগুলোতে বিক্রি বেশ কমে গেছে বলে তিনি জানান। মিতিয়া ওসমান বলেন, ‘গত শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় শিশুদের উপস্থিতি ভালো ছিল এবং সেদিন আমাদের স্টলে একটু বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এরপর থেকে এখন বিক্রি খুবই কম।’
অন্যদিকে, হতাশার এই চিত্রের মধ্যেও ইতিবাচক কথা শোনা গেছে ‘কিন্ডার বুক’ প্রকাশনীর স্টলে। এই প্রকাশনীর কর্মী ফাহিম আরাফাত বাঁধন তাদের বিক্রির অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে। বিশেষ করে গত রোববার আমাদের বিক্রি বেশি ভালো ছিল।’ তবে মেলায় সামগ্রিকভাবে মানুষের ভিড় তুলনামূলক কম হওয়ার পেছনের কিছু কারণও তিনি উল্লেখ করেন। ফাহিম আরাফাত বলেন, ‘সামনে রোজা এবং অন্যান্য উৎসবের কারণে এবার মেলায় মানুষজনের ভিড় তুলনামূলকভাবে কম।’ তার মতে, পারিপার্শ্বিক এই বিষয়গুলো মেলার সার্বিক উপস্থিতিতে প্রভাব ফেলেছে।
সব মিলিয়ে শিশু চত্বরে দর্শনার্থী বা ক্রেতাদের উপস্থিতি এবং বইয়ের বিক্রি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। বেশিরভাগ প্রকাশনীই আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় হতাশ। তবে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, মেলার দিন যত গড়াবে এবং সামনের ছুটির দিনগুলোতে হয়তো শিশু চত্বরে ক্রেতাদের সমাগম আরও বাড়বে। বর্তমানের এই স্থবিরতা কাটিয়ে মেলা তার চিরচেনা রূপে ফিরে আসবে এবং বিক্রিও আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছাবে, এমনটাই আশা করছেন শিশুতোষ বইয়ের প্রকাশকরা।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে বাণিজ্যিকীকরণের বৃত্ত থেকে বের করে জনসেবামুখী কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং সাশ্রয়ী ও জবাবদিহিমূলক নীতি প্রণয়নের দাবি উঠেছে। আর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে কেবল উৎপাদন ক্ষমতার প্রশ্ন হিসেবে না দেখে ভোক্তার অধিকার, ন্যায্যমূল্য ও সুশাসনের প্রশ্ন হিসেবে
১ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোরবাড়িয়া পূর্বভাটিপাড়া গ্রামে ছিমছাম গ্রামীণ পরিবেশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন একগম্বুজ বিশিষ্ট ‘খানবাড়ি জামে মসজিদ’। প্রায় আড়াইশ বছরের ইতিহাস বুকে ধারণ করা এই স্থাপনাটি আজও তার স্থাপত্যশৈলী আর নান্দনিক কারুকাজ দিয়ে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে।
৫ মিনিট আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে। ক্যাব ও ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ আয়োজনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: ক্যাবের ১৩ দফা ও ন প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ দাবি উত্থাপন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন ইমাম অথবা একজন খতিব অথবা সেই এলাকার অন্য কোনো ধর্মের ধর্মীয় গুরু—তাদের মধ্য থেকে একজন সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’
২ ঘণ্টা আগে