স্ট্রিম প্রতিবেদক

চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে জুলাই মাসে। বছরের অন্য মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, জুলাইয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ২০৬ জন, যাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জন করে মারা যান। মার্চ ও এপ্রিলে ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু হয়নি। মে মাসে একজনের মৃত্যু হয়। জুনে মারা যান ১৩ জন। এরপর জুলাইয়ে সেই সংখ্যা হয়েছে ৩৬ জনে।
আক্রান্তের সংখ্যাতেও একই ধারা দেখা গেছে। জানুয়ারিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ছিল ১ হাজার ৮১ জন। ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯ জন, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০ এবং মে মাসে ৭১৪ জন মশাবাহিত এই জ্বরে আক্রান্ত হন। এরপর জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন থেকে জুলাইয়ে এক লাফে আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২০৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩১০ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে আগস্ট মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘মে-জুন-জুলাই ডেঙ্গু সংক্রমণের স্বাভাবিক মাস। আগস্টে এই সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়তে পারে। আপাত দৃষ্টিতে সরকারকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এগোচ্ছে সরকার।’

চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে জুলাই মাসে। বছরের অন্য মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, জুলাইয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ২০৬ জন, যাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জন করে মারা যান। মার্চ ও এপ্রিলে ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু হয়নি। মে মাসে একজনের মৃত্যু হয়। জুনে মারা যান ১৩ জন। এরপর জুলাইয়ে সেই সংখ্যা হয়েছে ৩৬ জনে।
আক্রান্তের সংখ্যাতেও একই ধারা দেখা গেছে। জানুয়ারিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ছিল ১ হাজার ৮১ জন। ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯ জন, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০ এবং মে মাসে ৭১৪ জন মশাবাহিত এই জ্বরে আক্রান্ত হন। এরপর জুনে ২ হাজার ৯০৭ জন থেকে জুলাইয়ে এক লাফে আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২০৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩১০ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে আগস্ট মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘মে-জুন-জুলাই ডেঙ্গু সংক্রমণের স্বাভাবিক মাস। আগস্টে এই সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়তে পারে। আপাত দৃষ্টিতে সরকারকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এগোচ্ছে সরকার।’
.png)

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অন্তর্বাসে লুকিয়ে স্বর্ণ পাচারের সময় থামিম আনসারি নামে এক ভারতীয়কে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। শনিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৭৫১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কীর্তন শুনে ফেরার পথে হাওরে ডিঙি নৌকা ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও তিনজন।
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ২০০ টাকা। জেলার বিভিন্ন পাইকারি হাটে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়; খুচরায় গুণতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০। অথচ গত মাসের শুরুর দিকেও এই দাম ছিল ১০০ টাকার আশপাশে।
২ ঘণ্টা আগে