বিশ্ব হাতি দিবস
ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র

‘হাতি মেরে সাথী’ সিনেমাটির কথা আমাদের মনে থাকার কথা। ১৯৭১ সালে এই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল। হাতি আর মানুষ যে কীভাবে একে অপরের বন্ধু হয়ে উঠে তা এই সিনেমাটি দেখে অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। কীভাবে হাতিরা মনিবের সাথে থাকতে থাকতে এক সময় মনিবেরই বন্ধু হয়ে উঠে-এটা বিস্ময়কর। আবার এর উল্টো পিঠও আছে। হাতিকে কত অমানবিকভাবে নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। এসব আমরা প্রায়ই হয়ত দেখে থাকি। এমনকি হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে- এ ধরনের খবরও আমরা দেখেছি।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ হাইকোর্ট হাতি ব্যবহার নিয়ে একটি আদেশ দেয়। এই আদেশ অনুসারে দেশে বিনোদন ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হাতি ব্যবহারের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এর ফলে যারা আগে থেকেই লাইসেন্স নিয়েছেন তারা নবায়ন করতে পারবেন না। আর নতুন করে লাইসেন্সও দেয়া হবে না। এর ফলে মানুষ এখন চাইলেই হাতি পালতে পারবে না। বন্যপ্রাণী ও এর অনৈতিক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্যক্তিগতভাবে হাতি পোষার রাস্তাটা বন্ধ হয়েছে। এর ফলে হাতি সংরক্ষণ নীতিমালায় একটা বড় পরিবর্তনের উদাহরণ হচ্ছে বাংলাদেশ। হাতি এখন শুধু বনেই দেখা যাবে। হাতিকে কাউকে পালতে দেখা যাবে না।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদদের অনেকে যারা প্রথাগত সংরক্ষণের পক্ষে তারা মনে করে হাতি পালনের মধ্য দিয়েই হাতি রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এই নতুন আইনের কারণে এই মতকে অবহেলা করা হচ্ছে। এখন শুধু বনেই হাতি থাকবে। এর ফলে হাতি কতটা সংরক্ষিত থাকবে সেটি দেখার বিষয়। এটি যদি সত্যি এমন হয় যে, এতে হাতির সংখ্যা বাড়বে, তাহলে বাংলাদেশ হাতি সংরক্ষণে এশিয়ার মডেল হবে।
বাংলাদেশে বসবাসরত হাতির নাম এশিয়ান এলিফ্যান্ট। এই হাতিটি খুব কম দেশেই দেখা যায়। বিশ্বের মোট ১৩ টি দেশে এর বিচরণ। আইইউসিএনের মতে বাংলাদেশে তিন ধরনের হাতি রয়েছে। এগুলো হলো তাদের নিজস্ব আবাসস্থলে বসবাসরত হাতি, পরিব্রাজনকারী হাতি ও পোষমানা হাতি। বন্যপ্রাণীবিদদের মতে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এসব হাতির সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০।
একটি তথ্য মতে বাংলাদেশে আবাসস্থলে বসবাসরত হাতির সংখ্যা ২৬৮, পরিব্রাজনকারী হাতির সংখ্যা ৯৩ এবং পোষ মানা হাতির সংখ্যা ৯৬। ২০১৯ সালের একটি তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে হাতির সংখ্যা ছিল সেসময় ২৬৩টি। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপ মতে বাংলাদেশর বর্তমান হাতির সংখ্যা ২২৮ থেকে ৩২৭। বাংলাদেশে মূলত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে হাতি দেখা যায় বেশি। মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্বটা বেশি দেখা যায় সেখানেই। তবে শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন জায়গাতেও হাতি দেখা যায়।
আইইউসিএনের ২০২১ সালে দেওয়া তথ্য মতে বাংলাদেশে আগের ১৭ বছরে ৯০টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে হত্যা করা হয় ১১টি হাতি। কোনোভাবেই এই হত্যা কমানো যাচ্ছে না। বন বিভাগের তথ্য মতে ২০০৪ সাল থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত হাতি হত্যা করা হয়েছে ১১৮টি। আরেকটি তথ্য অনুযায়ী হাতি মানব দ্বন্দ্বে ২৩৬ জন মানুষ মারা গেছে।
প্রতিবছর শ্রীলংকায় ২০০ হাতি হত্যার কবলে পড়ে। ভারতে মানুষ হাতি সংঘর্ষে মারা পড়ে বছরে ১০০ হাতি। কেনিয়াতেও এই সংখ্যা বছরে ১২০ এর বেশি। বাংলাদেশ বন্য প্রাণী আইন অনুযায়ী হাতি হত্যাকারীকে ২ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড দেয়া হয় ১ লাখ থেকে ১০ লাখ। আত্মরক্ষার্থে এই আইন প্রযোজ্য নয়।
হাতিরা মূলত তৃণভোজী। এরা দিনে ১৫০ কিলোগ্রাম ঘাস ও ১৯০ লিটার পানি পান করে। এজন্যই তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়াতে হয়। একটি বড় পুরুষ হাতির ওজন ৬৮০০ কিলোগ্রাম, যা একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের থেকে একশ গুণ ভারি। ভারতে ১৯৯২ সালে হস্তী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল হাতির সংখ্যা, আবাসস্থল ও স্থানান্তরের পথ রক্ষা করা। হাতির বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার পাশাপাশি হাতি সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা গবেষণাকে গুরুত্ব দেয়া। এছাড়া স্থানীয় জনগণের মধ্যে হাতি সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও এর উদ্দেশ্য ছিল। এছাড়া যে সমস্ত হাতি বন্দী সেসব হাতি যেন উন্নত চিকিৎসা পায় সেটাও লক্ষ্য ছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে বাংলাদেশে হাতি চলাচলে মোট ১২টি জায়গা আছে। হাতি চলাচলের এসব জায়গা দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। হাতির খাদ্য গ্রহণ, প্রজননের জন্য এসব জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতি চলাচলের এসব জায়গা স্বাভাবিক করা যেমন দরকার তেমনি সেসব হাতির পছন্দের গাছ লাগানো। এতে হাতি আর বাসাবাড়ির দিকে আসবে না খাবার পেয়ে।
ডব্লইডব্লইএফ এবং এউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের প্রতিবেদন অনুযায়ী মানুষ-বন্যপ্রাণী দ্বন্দ্ব পৃথিবীর অনেক প্রজাতির টিকে থাকার জন্য এখন হুমকিস্বরূপ। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী এসবের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে বন্য বিড়াল প্রজাতির ওপর। এদের ওপর প্রভাব ৭৫% এরও বেশি। এছাড়া সামুদ্রিক মাংসাশী প্রাণী এবং হাতির ওপরও এসবের ক্ষতিকারক প্রভাব বেশ দেখা যাচ্ছে।
অনেকের মতে হাতি-মানব দ্বন্দ্ব হ্রাস ও হাতির জন্য অভয়ারণ্য হতে পারে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির ভালো পদ্ধতি। বাংলাদেশে ২৫ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে। এর মধ্যে সামুদ্রিক ডলফিন বা শুশুকের জন্য একটি অভয়ারণ্য রয়েছে।
আলাদা করে শুধু হাতির জন্য বাংলাদেশে কোনো অভয়ারণ্য নেই। বিশ্বে শুধু হাতির জন্য এমন কিছু নাম করা অভয়ারণ্য রয়েছে। যেমন ফুকেট অভয়ারণ্য। এটি থাইল্যান্ডে। এখানে হাতিরা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। থাইল্যান্ডে এরকম আরও হাতি অভয়ারণ্য রয়েছে। যেমন ফাঙ্গান, এলিফ্যান্ট নেচার পার্ক ইত্যাদি। কম্বোডিয়ায় রয়েছে। যেমন এলিফ্যান্ট ভ্যালি প্রজেক্ট। কুলেন এলিফ্যান্ট ফরেস্ট ইত্যাদি। এরকম অভয়ারণ্য হয়ত বা হাতি-মানব সংঘাত কিছুটা কমিয়ে আনতে পারে। সরকার এভাবেও ভাবতে পারে।

‘হাতি মেরে সাথী’ সিনেমাটির কথা আমাদের মনে থাকার কথা। ১৯৭১ সালে এই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল। হাতি আর মানুষ যে কীভাবে একে অপরের বন্ধু হয়ে উঠে তা এই সিনেমাটি দেখে অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। কীভাবে হাতিরা মনিবের সাথে থাকতে থাকতে এক সময় মনিবেরই বন্ধু হয়ে উঠে-এটা বিস্ময়কর। আবার এর উল্টো পিঠও আছে। হাতিকে কত অমানবিকভাবে নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। এসব আমরা প্রায়ই হয়ত দেখে থাকি। এমনকি হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে- এ ধরনের খবরও আমরা দেখেছি।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ হাইকোর্ট হাতি ব্যবহার নিয়ে একটি আদেশ দেয়। এই আদেশ অনুসারে দেশে বিনোদন ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হাতি ব্যবহারের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এর ফলে যারা আগে থেকেই লাইসেন্স নিয়েছেন তারা নবায়ন করতে পারবেন না। আর নতুন করে লাইসেন্সও দেয়া হবে না। এর ফলে মানুষ এখন চাইলেই হাতি পালতে পারবে না। বন্যপ্রাণী ও এর অনৈতিক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্যক্তিগতভাবে হাতি পোষার রাস্তাটা বন্ধ হয়েছে। এর ফলে হাতি সংরক্ষণ নীতিমালায় একটা বড় পরিবর্তনের উদাহরণ হচ্ছে বাংলাদেশ। হাতি এখন শুধু বনেই দেখা যাবে। হাতিকে কাউকে পালতে দেখা যাবে না।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদদের অনেকে যারা প্রথাগত সংরক্ষণের পক্ষে তারা মনে করে হাতি পালনের মধ্য দিয়েই হাতি রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এই নতুন আইনের কারণে এই মতকে অবহেলা করা হচ্ছে। এখন শুধু বনেই হাতি থাকবে। এর ফলে হাতি কতটা সংরক্ষিত থাকবে সেটি দেখার বিষয়। এটি যদি সত্যি এমন হয় যে, এতে হাতির সংখ্যা বাড়বে, তাহলে বাংলাদেশ হাতি সংরক্ষণে এশিয়ার মডেল হবে।
বাংলাদেশে বসবাসরত হাতির নাম এশিয়ান এলিফ্যান্ট। এই হাতিটি খুব কম দেশেই দেখা যায়। বিশ্বের মোট ১৩ টি দেশে এর বিচরণ। আইইউসিএনের মতে বাংলাদেশে তিন ধরনের হাতি রয়েছে। এগুলো হলো তাদের নিজস্ব আবাসস্থলে বসবাসরত হাতি, পরিব্রাজনকারী হাতি ও পোষমানা হাতি। বন্যপ্রাণীবিদদের মতে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এসব হাতির সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০।
একটি তথ্য মতে বাংলাদেশে আবাসস্থলে বসবাসরত হাতির সংখ্যা ২৬৮, পরিব্রাজনকারী হাতির সংখ্যা ৯৩ এবং পোষ মানা হাতির সংখ্যা ৯৬। ২০১৯ সালের একটি তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে হাতির সংখ্যা ছিল সেসময় ২৬৩টি। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপ মতে বাংলাদেশর বর্তমান হাতির সংখ্যা ২২৮ থেকে ৩২৭। বাংলাদেশে মূলত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে হাতি দেখা যায় বেশি। মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্বটা বেশি দেখা যায় সেখানেই। তবে শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন জায়গাতেও হাতি দেখা যায়।
আইইউসিএনের ২০২১ সালে দেওয়া তথ্য মতে বাংলাদেশে আগের ১৭ বছরে ৯০টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে হত্যা করা হয় ১১টি হাতি। কোনোভাবেই এই হত্যা কমানো যাচ্ছে না। বন বিভাগের তথ্য মতে ২০০৪ সাল থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত হাতি হত্যা করা হয়েছে ১১৮টি। আরেকটি তথ্য অনুযায়ী হাতি মানব দ্বন্দ্বে ২৩৬ জন মানুষ মারা গেছে।
প্রতিবছর শ্রীলংকায় ২০০ হাতি হত্যার কবলে পড়ে। ভারতে মানুষ হাতি সংঘর্ষে মারা পড়ে বছরে ১০০ হাতি। কেনিয়াতেও এই সংখ্যা বছরে ১২০ এর বেশি। বাংলাদেশ বন্য প্রাণী আইন অনুযায়ী হাতি হত্যাকারীকে ২ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড দেয়া হয় ১ লাখ থেকে ১০ লাখ। আত্মরক্ষার্থে এই আইন প্রযোজ্য নয়।
হাতিরা মূলত তৃণভোজী। এরা দিনে ১৫০ কিলোগ্রাম ঘাস ও ১৯০ লিটার পানি পান করে। এজন্যই তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়াতে হয়। একটি বড় পুরুষ হাতির ওজন ৬৮০০ কিলোগ্রাম, যা একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের থেকে একশ গুণ ভারি। ভারতে ১৯৯২ সালে হস্তী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল হাতির সংখ্যা, আবাসস্থল ও স্থানান্তরের পথ রক্ষা করা। হাতির বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার পাশাপাশি হাতি সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা গবেষণাকে গুরুত্ব দেয়া। এছাড়া স্থানীয় জনগণের মধ্যে হাতি সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও এর উদ্দেশ্য ছিল। এছাড়া যে সমস্ত হাতি বন্দী সেসব হাতি যেন উন্নত চিকিৎসা পায় সেটাও লক্ষ্য ছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে বাংলাদেশে হাতি চলাচলে মোট ১২টি জায়গা আছে। হাতি চলাচলের এসব জায়গা দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। হাতির খাদ্য গ্রহণ, প্রজননের জন্য এসব জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতি চলাচলের এসব জায়গা স্বাভাবিক করা যেমন দরকার তেমনি সেসব হাতির পছন্দের গাছ লাগানো। এতে হাতি আর বাসাবাড়ির দিকে আসবে না খাবার পেয়ে।
ডব্লইডব্লইএফ এবং এউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের প্রতিবেদন অনুযায়ী মানুষ-বন্যপ্রাণী দ্বন্দ্ব পৃথিবীর অনেক প্রজাতির টিকে থাকার জন্য এখন হুমকিস্বরূপ। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী এসবের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে বন্য বিড়াল প্রজাতির ওপর। এদের ওপর প্রভাব ৭৫% এরও বেশি। এছাড়া সামুদ্রিক মাংসাশী প্রাণী এবং হাতির ওপরও এসবের ক্ষতিকারক প্রভাব বেশ দেখা যাচ্ছে।
অনেকের মতে হাতি-মানব দ্বন্দ্ব হ্রাস ও হাতির জন্য অভয়ারণ্য হতে পারে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির ভালো পদ্ধতি। বাংলাদেশে ২৫ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে। এর মধ্যে সামুদ্রিক ডলফিন বা শুশুকের জন্য একটি অভয়ারণ্য রয়েছে।
আলাদা করে শুধু হাতির জন্য বাংলাদেশে কোনো অভয়ারণ্য নেই। বিশ্বে শুধু হাতির জন্য এমন কিছু নাম করা অভয়ারণ্য রয়েছে। যেমন ফুকেট অভয়ারণ্য। এটি থাইল্যান্ডে। এখানে হাতিরা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। থাইল্যান্ডে এরকম আরও হাতি অভয়ারণ্য রয়েছে। যেমন ফাঙ্গান, এলিফ্যান্ট নেচার পার্ক ইত্যাদি। কম্বোডিয়ায় রয়েছে। যেমন এলিফ্যান্ট ভ্যালি প্রজেক্ট। কুলেন এলিফ্যান্ট ফরেস্ট ইত্যাদি। এরকম অভয়ারণ্য হয়ত বা হাতি-মানব সংঘাত কিছুটা কমিয়ে আনতে পারে। সরকার এভাবেও ভাবতে পারে।
.png)
এসএসসির ফল প্রকাশের পর সবচেয়ে সহজ কাজ হলো বলা—এবার শিক্ষার্থীরা খারাপ করেছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য। ৫৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। ইংরেজি ও গণিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ভারতের মাটিতে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ এবং একই সময়ে ভারতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান—এই বিষয়গুলো ভূ-রাজনীতিতে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
কোনো মিথ্যা, ভ্রান্ত ধারণা কিংবা সুবিধাজনক বয়ান যদি সত্যের মুখোমুখি হয়ে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে তাকে বাঁচিয়ে রাখার কোনো রাষ্ট্রনৈতিক মূল্য নেই। বরং যে জাতি সত্যকে যতদিন এড়িয়ে যাবে, বাস্তবতার মূল্য তাকে তত বেশি দিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য আজ তাই সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন—আমরা কি নিজেদের সম্পর্কে সত্য
১১ আগস্ট ২০২৬
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর মারাত্মক পতন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়। এই ফল বিপর্যয়ের মূল কারণ ‘ডিজিটাল সোসাইটি’ ও ‘অ্যানালগ পরীক্ষাব্যবস্থা’র মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক সংঘাত।
১১ আগস্ট ২০২৬