লেখা:

কয়েক দশক আগেও বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো ছিল আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারকদের অন্যতম অগ্রাধিকার। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে। এখন বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকরা মানুষের ছোট পরিবার বেছে নেওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। অথচ অতীতে এই প্রবণতাকেই ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হতো।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ ১১ জুলাই পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ এই দিবসটি চালু করেছিল মূলত জনসংখ্যাসংক্রান্ত বিষয়গুলোর গুরুত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সে সময় এটা স্বীকৃত ছিল যে, ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পদের সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে, পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে, দারিদ্র্য বাড়াতে পারে এবং সামাজিক অস্থিরতা ও সশস্ত্র সংঘাত উসকে দিতে পারে। কিন্তু আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস প্রায় নীরবেই চলে যায়, এমনকি জাতিসংঘেও তেমন গুরুত্ব পায় না।
বর্তমানে জনসংখ্যা নিয়ে যে আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে, তা মূলত প্রজনন হার কমে যাওয়া এবং এর ফলে অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। কিন্তু এই আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য প্রায় উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, প্রতিবছর বিশ্বে এখনও প্রায় ৭ কোটি মানুষ (যা যুক্তরাজ্যের মোট জনসংখ্যার সমান) যোগ হচ্ছে, এবং ২০৮০-এর দশকে বিশ্বের জনসংখ্যা ১ হাজার কোটির বেশি হওয়ার পথে রয়েছে।
পৃথিবীতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা হ্রাস নতুন সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে ঠিকই, কিন্তু উপযুক্ত সামাজিক নীতির মাধ্যমে এসব সামলানো সম্ভব। এর চেয়ে বড় সমস্যা হলো, বিশ্বব্যাপী প্রজনন হার যথেষ্ট দ্রুত কমছে না।
বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮৩০ কোটিতে পৌঁছেছে। এই পর্যায়ে পরিবেশগত সব সূচকই ইতিমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। আমরা ভয়াবহ জলবায়ু পরিবর্তনের মুখোমুখি। প্রকৃতি যে গতিতে সম্পদ পুনরুৎপাদন করতে পারে, তার প্রায় দ্বিগুণ গতিতে আমরা তা ব্যবহার করছি। প্রতি কয়েক বছরে আমরা পৃথিবীর সহনসীমা লঙ্ঘন করছি এবং ইতিমধ্যে নয়টির মধ্যে সাতটি গ্রহীয় সীমা (ধরিত্রী সীমা) অতিক্রম করে ফেলেছি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা ক্রমশ বিপর্যয়কর মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি। মানুষের সংখ্যা এখনও বাড়ছে। এই বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক এই কারণে যে, মাথাপিছু জ্বালানি, খাদ্য ও কাঁচামালের ব্যবহারও বাড়ছে।
তবু কেন যেন নীতিনির্ধারকরা একটি কাল্পনিক ‘শিশু-স্বল্পতা’ নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। জন্মহার কমে যাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমের এত মাতামাতি আসলে প্রমাণ করে, অনেকেই এখনও এই বিপজ্জনক ভ্রান্ত ধারণায় আটকে আছেন যে, অসীম প্রবৃদ্ধি কাম্য এবং সম্ভব।
বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার একটি বড় কারণ হলো নারী অধিকারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি থমকে থাকা। যখন নারীদের প্রজনন স্বাধীনতা থাকে এবং শুধু ঘরের কাজের বাইরেও ভবিষ্যতের সুযোগ থাকে, তখন তারা প্রায় সবসময়ই ছোট পরিবার বেছে নেন। যেসব দেশে প্রজনন হার সবচেয়ে বেশি, সেসব দেশেই সাধারণত লিঙ্গবৈষম্য সবচেয়ে প্রকট। সেসব দেশে বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্বও স্বাভাবিক ঘটনা।
গবেষণা বলছে, নারী ও কিশোরীদের পেছনে বিনিয়োগ করা টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ারগুলোর একটি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমানোর পাশাপাশি নারীদের পরিবারের আকার বেছে নেওয়ার, শিক্ষা অর্জনের, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করলে তা দেশের সম্পদও বাড়ায়। একই সঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা সুসংহত করে।
শুধু পরিবার পরিকল্পনায় বিনিয়োগের প্রতিদানও চমকপ্রদ। বিশ্বে ২৫ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি নারী (যাদের মধ্যে ২২ কোটি ৪০ লাখ উন্নয়নশীল দেশে বসবাসকারী) গর্ভধারণ এড়াতে চান, কিন্তু আধুনিক গর্ভনিরোধক ব্যবহার করছেন না। এই অপূর্ণ চাহিদা পূরণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতি ১ ডলার বিনিয়োগ করলে, দীর্ঘমেয়াদে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। এতে প্রতিবছরে আনুমানিক ১২০ ডলার সমমূল্যের সুফল পাওয়া যেতে পারে।
এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়
যে সময়ে বিশ্বনেতাদের উচিত ছিল নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান আরও জোরদার করা, সেই সময়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বিদেশি সহায়তা কমিয়ে ঠিক উল্টো কাজটিই করছেন। অনেক দেশ আবার ভুল পথে হেঁটে নাগরিকদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করার মতো ‘প্রো-নেটালিস্ট’ (জন্মহার বাড়ানোর) নীতি অনুসরণ করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৫৫টি দেশে প্রজনন হার বাড়ানোর লক্ষ্যে নীতি প্রণীত ছিল।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস নিয়ে হয়তো এখন সবাই নীরব হয়ে গেছে, কিন্তু এই দিবসটি যেসব জরুরি সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সমাধানের প্রতিনিধিত্ব করত, তা মনে রাখাই আমাদের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এসব বিষয় আজ আগের চেয়েও বেশি প্রাসঙ্গিক।
(আর্থ ডট অর্গ থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনূদিত)

কয়েক দশক আগেও বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো ছিল আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারকদের অন্যতম অগ্রাধিকার। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে। এখন বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকরা মানুষের ছোট পরিবার বেছে নেওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। অথচ অতীতে এই প্রবণতাকেই ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হতো।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ ১১ জুলাই পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ এই দিবসটি চালু করেছিল মূলত জনসংখ্যাসংক্রান্ত বিষয়গুলোর গুরুত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সে সময় এটা স্বীকৃত ছিল যে, ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পদের সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে, পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে, দারিদ্র্য বাড়াতে পারে এবং সামাজিক অস্থিরতা ও সশস্ত্র সংঘাত উসকে দিতে পারে। কিন্তু আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস প্রায় নীরবেই চলে যায়, এমনকি জাতিসংঘেও তেমন গুরুত্ব পায় না।
বর্তমানে জনসংখ্যা নিয়ে যে আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে, তা মূলত প্রজনন হার কমে যাওয়া এবং এর ফলে অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। কিন্তু এই আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য প্রায় উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, প্রতিবছর বিশ্বে এখনও প্রায় ৭ কোটি মানুষ (যা যুক্তরাজ্যের মোট জনসংখ্যার সমান) যোগ হচ্ছে, এবং ২০৮০-এর দশকে বিশ্বের জনসংখ্যা ১ হাজার কোটির বেশি হওয়ার পথে রয়েছে।
পৃথিবীতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা হ্রাস নতুন সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে ঠিকই, কিন্তু উপযুক্ত সামাজিক নীতির মাধ্যমে এসব সামলানো সম্ভব। এর চেয়ে বড় সমস্যা হলো, বিশ্বব্যাপী প্রজনন হার যথেষ্ট দ্রুত কমছে না।
বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮৩০ কোটিতে পৌঁছেছে। এই পর্যায়ে পরিবেশগত সব সূচকই ইতিমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। আমরা ভয়াবহ জলবায়ু পরিবর্তনের মুখোমুখি। প্রকৃতি যে গতিতে সম্পদ পুনরুৎপাদন করতে পারে, তার প্রায় দ্বিগুণ গতিতে আমরা তা ব্যবহার করছি। প্রতি কয়েক বছরে আমরা পৃথিবীর সহনসীমা লঙ্ঘন করছি এবং ইতিমধ্যে নয়টির মধ্যে সাতটি গ্রহীয় সীমা (ধরিত্রী সীমা) অতিক্রম করে ফেলেছি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা ক্রমশ বিপর্যয়কর মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি। মানুষের সংখ্যা এখনও বাড়ছে। এই বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক এই কারণে যে, মাথাপিছু জ্বালানি, খাদ্য ও কাঁচামালের ব্যবহারও বাড়ছে।
তবু কেন যেন নীতিনির্ধারকরা একটি কাল্পনিক ‘শিশু-স্বল্পতা’ নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। জন্মহার কমে যাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমের এত মাতামাতি আসলে প্রমাণ করে, অনেকেই এখনও এই বিপজ্জনক ভ্রান্ত ধারণায় আটকে আছেন যে, অসীম প্রবৃদ্ধি কাম্য এবং সম্ভব।
বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার একটি বড় কারণ হলো নারী অধিকারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি থমকে থাকা। যখন নারীদের প্রজনন স্বাধীনতা থাকে এবং শুধু ঘরের কাজের বাইরেও ভবিষ্যতের সুযোগ থাকে, তখন তারা প্রায় সবসময়ই ছোট পরিবার বেছে নেন। যেসব দেশে প্রজনন হার সবচেয়ে বেশি, সেসব দেশেই সাধারণত লিঙ্গবৈষম্য সবচেয়ে প্রকট। সেসব দেশে বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্বও স্বাভাবিক ঘটনা।
গবেষণা বলছে, নারী ও কিশোরীদের পেছনে বিনিয়োগ করা টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ারগুলোর একটি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমানোর পাশাপাশি নারীদের পরিবারের আকার বেছে নেওয়ার, শিক্ষা অর্জনের, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করলে তা দেশের সম্পদও বাড়ায়। একই সঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা সুসংহত করে।
শুধু পরিবার পরিকল্পনায় বিনিয়োগের প্রতিদানও চমকপ্রদ। বিশ্বে ২৫ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি নারী (যাদের মধ্যে ২২ কোটি ৪০ লাখ উন্নয়নশীল দেশে বসবাসকারী) গর্ভধারণ এড়াতে চান, কিন্তু আধুনিক গর্ভনিরোধক ব্যবহার করছেন না। এই অপূর্ণ চাহিদা পূরণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতি ১ ডলার বিনিয়োগ করলে, দীর্ঘমেয়াদে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। এতে প্রতিবছরে আনুমানিক ১২০ ডলার সমমূল্যের সুফল পাওয়া যেতে পারে।
এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়
যে সময়ে বিশ্বনেতাদের উচিত ছিল নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান আরও জোরদার করা, সেই সময়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বিদেশি সহায়তা কমিয়ে ঠিক উল্টো কাজটিই করছেন। অনেক দেশ আবার ভুল পথে হেঁটে নাগরিকদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করার মতো ‘প্রো-নেটালিস্ট’ (জন্মহার বাড়ানোর) নীতি অনুসরণ করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৫৫টি দেশে প্রজনন হার বাড়ানোর লক্ষ্যে নীতি প্রণীত ছিল।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস নিয়ে হয়তো এখন সবাই নীরব হয়ে গেছে, কিন্তু এই দিবসটি যেসব জরুরি সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সমাধানের প্রতিনিধিত্ব করত, তা মনে রাখাই আমাদের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এসব বিষয় আজ আগের চেয়েও বেশি প্রাসঙ্গিক।
(আর্থ ডট অর্গ থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনূদিত)
.png)

সম্প্রতি মন্ত্রিসভার দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে আফরোজা খানম রিতা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এটিকে শুধু মন্ত্রণালয় পরিবর্তন হিসেবে না দেখে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবেও দেখা যায়।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোহিঙ্গা সংকট নয় বছর পেরিয়ে দশম বছরে পদার্পণ করলো। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশ এর টেকসই সমাধানে একটুও এগোতে পারেনি। বিগত পুরো সময়টা জুড়ে প্রায় ১.২ মিলিয়ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদার যোগানোই যেন ছিল বাংলাদেশের প্রধান কাজ। নয় বছরের ইতিহাসের দিকে তাকালে নানা রকম টানাপোড়েনও দেখা যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
কোক-পেপসি যেহেতু আলাদা বোতলে একই বস্তু, ফলে বর্জনীয়—কল্লোল মোস্তফার এই যুক্তিটা আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় লেগেছে। আপদ-বিপদ তত্ত্ব শুনেছি আগে, জ্বলন্ত চুলা-ফুটন্ত কড়াই ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। কিন্তু এটা আমার কাছেও নতুন একভাবে উপস্থাপন। এই উপমাটা আগে শুনিনি, ফলে ভালো লেগেছে।
২৪ আগস্ট ২০২৬
হাঁড়ির ইন্সপেক্টর হবার দরকার করে না, একটা ভাত টিপে দেখাই যথেষ্ট। দিনাজপুরের ওই এক ঘটনাই সব খবর বলে দিচ্ছে। কিশোরী ইয়াসমিন মারা গিয়ে বলে গেলো আমরা কেউই ভাল নেই। ব্যাপার দুঃখের, ব্যাপার লজ্জারও। সরকার দুঃখ-লজ্জা এসব পাবে এমন ধারণা করা অন্যায়। কোন সরকারই পায়নি, এ সরকারও পাবে না।
২৪ আগস্ট ২০২৬