নির্বাচন তো অনেক হয়েছে। দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে আরও নির্বাচন হবে। শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়; স্থানীয় নির্বাচনও। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সব পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদেরই দায়িত্ব পালনের কথা। তেমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। অথচ নির্বাচন ব্যবস্থাই মাঝে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। যারা সেটা করেছিল, তারা অবশ্য উৎখাত হয়েছে এক নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানে। এর ভেতর দিয়ে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার।
সে লক্ষ্যেই আয়োজিত হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটও হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া কেবল একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রে ফেরা গেলেও তা মজবুত হবে না– গণঅভ্যুত্থানের শক্তিগুলো এ বিষয়ে একমত। ক্ষমতাচ্যুত পক্ষ কী মনে করে, সেটা অবশ্য হিসাবে নেওয়া হচ্ছে না। তারা মাঠে নেই। স্বভাবতই এ প্রক্রিয়ার অংশ নয় তারা। ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ বলে তারা নির্বাচনেও অংশ নিতে পারছে না। এ অবস্থায় যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তাতে কিছুটা ‘অপূর্ণতা’ থাকছে বলে অনেকের মত। তবে এটা হলো সেই বাস্তবতা, যার ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে আমাদের। আওয়ামী লীগ ছাড়াই একটি ইতিহাস রচিত হতে চলেছে।
সংস্কার বনাম নির্বাচন: এক যৌক্তিক দ্বৈরথ
কী সেই ইতিহাস? ধরা যাক, গণঅভ্যুত্থানের পর সংস্কার আলোচনার উদ্যোগ নেই। দাবিও নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর তিন কিংবা ছয় মাসের মধ্যেই হতে যাচ্ছে সংসদ নির্বাচন। তাহলেও নির্বাচনটি সৃষ্টি করতো ইতিহাস। সেটা স্রেফ এজন্য যে, মাঝে তো নির্বাচনই হতো না। ২০১৪, ২০১৮ আর ২০২৪ সালে কোনো নির্বাচন হয়নি। কেন সেগুলো নির্বাচন নয়, তা নতুন করে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। একটি বিশ্বাসযোগ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে রাজনৈতিক দলগুলোর অবাধ অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনই নির্বাচন। কিছুটা দেরিতে হলেও তেমন একটি নির্বাচনই হতে যাচ্ছে। দেরির কারণ– দীর্ঘ সময় চলা সংস্কার আলোচনা। আলোচনাটি আরও কম সময় ধরে চলতে পারত কি না; সংস্কারের তালিকা সংক্ষিপ্ত হলে আরও কম সময়ে নির্বাচনে যাওয়া যেত কি না, এসব প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু সংস্কার আলোচনার কোনো প্রয়োজন ছিল না, এটা কেউ বলে না। বিশেষত শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে যেভাবে সাংবিধানিক বিধিব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে, তাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে অস্থির পরিস্থিতিতে, একটা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কতখানি সংস্কার সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। রাষ্ট্র সংস্কারে ‘অঙ্গীকারনামা’ তৈরি করে জাতীয় সংসদে গিয়ে গণভোট আয়োজনই ভালো কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল। পরে রাজনৈতিক সংলাপে স্থির হয় সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত ৪৮টি সুপারিশ ঘিরে জনসম্মতি নেওয়ার। এ সিদ্ধান্তও হয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয়সহ নানা বিবেচনায় জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গেই হবে গণভোট। এর মধ্য দিয়ে অর্জিত সংসদে রাষ্ট্র সংস্কারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে– গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা
এর আগেও তিনবার গণভোট হয়েছে। শেষবার, ১৯৯১ সালে গণভোট হয় সরকার ব্যবস্থা বদলাতে। এর আগে সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের আন্দোলন জয়যুক্ত হয়। গণতন্ত্রকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক রূপ’ দিতে গৃহীত হয় তিন জোটের রূপরেখা। আন্দোলনকারী দলগুলোর ঐকমত্যে সংবিধানের বাইরে গিয়ে প্রথমবারের মতো গঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এর আগ পর্যন্ত কোনো দলীয় সরকারের আমলেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়নি বলে এমন এক ব্যবস্থার শরণাপন্ন হয় রাজনৈতিক দলগুলো। সেটাও ছিল ইতিহাস রচনা। নির্বাচনটিও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। আর এতে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, যিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তবে সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রত্যাবর্তন ছাড়া তিন জোটের রূপরেখার বলতে গেলে কোনো কিছুরই বাস্তবায়ন হয়নি। এর ভেতর দিয়ে ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ বদলের যে প্রত্যাশা ছিল, সেটাও মার খায়। এমন অভিজ্ঞতার কারণেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার উদ্যোগের বিরোধিতা করেনি কেউ। এ সংক্রান্ত সুপারিশ বাস্তবায়নে গণভোট করে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এক ধরনের বাধ্যবাধকতা তৈরিও জরুরি বলে বিবেচিত হয়। এমন অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য নতুন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ জয়যুক্ত হবে, তা বলা সম্ভব নয়। তবে এটা বলা যায়, ‘না’ জয়যুক্ত হলেও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নেই হয়ে যাবে না। প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে না।
ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পরিণাম
ধরা যাক, ‘না’ জয়যুক্ত হলো। এদিকে নির্বাচনের ভেতর দিয়ে গঠিত হলো নতুন সরকার। তাদের ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা থাকল না সংস্কারের সুপারিশ বাস্তবায়নের। তাহলে কি সংস্কারের দাবি পুরোপুরি উপেক্ষা করে চলা যাবে? সেটা যদি যায়ও, তাহলেও কেবল একটি ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’ অনুষ্ঠান বড় অর্জন হয়ে থাকবে। নির্বাচনের মাধ্যমে সার্বভৌম সংসদ আর সরকার প্রাপ্তিও একটি সংস্কার বলে বিবেচিত হবে। আমরা তো মাঝে তিন-তিনটি অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার দ্বারা শাসিত হয়েছি এবং তারা ক্রমে চাপিয়ে দিয়েছে আরও বেশি স্বৈরশাসন। এমন অভিজ্ঞতা স্বাধীনতা-উত্তরকালে আর হয়নি। অথচ একটি মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই সেই সরকার এসেছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা বন্ধ করে দেয় দলনিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন লাভের সুযোগ। একের পর এক অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনে নিজেদের ক্ষমতায় থেকে যাওয়াটাই করে পাকাপোক্ত। আর এতেই কার্যত খোলা হয় সর্বনাশের পথ। সেই পথ থেকে সুযোগ থাকলেও ফেরেনি হাসিনা সরকার। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপেও তারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল এরই সরাসরি জবাব, যা সরকারটিকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে।
পাকিস্তান আমলেও যে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতো; এমনকি সেটা হতো আরপিও’র মতো বিধিবিধান না থাকা সত্ত্বেও আর জনপ্রশাসনের তত্ত্বাবধানে, সেই দেশে নির্বাচনের নামে পৌনঃপুনিক তামাশার আয়োজন করেছিল হাসিনা সরকার। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সেই অপমানজনক আর হতবুদ্ধিকর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসাটাও ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে।
এর আগে সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদ গণআন্দোলনে পদত্যাগ করলেও দেশ থেকে পালাননি। এর পরপরই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তৃতীয় দল হিসেবে অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয় তারা। আসছে নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রেখে যাওয়া দলটি। অবশ্য মাঝের তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বি টিম’ হিসেবে রাখা তাদের ভূমিকা দলটির ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিয়েছে। শেখ হাসিনা গং আওয়ামী লীগকেই শুধু বিপর্যস্ত করেনি; জাতীয় পার্টিসহ তাদের সহযোগী দলগুলোকেও ফেলেছে বিরাট সংকটে।
'হাসিনা মডেল' বর্জন ও ভবিষ্যতের পথরেখা
এ অবস্থায় আর কোনো সংস্কারে আগ্রহ না দেখালেও আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারকে অন্তত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের সুযোগ রাখতেই হবে। আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, স্থানীয় নির্বাচনগুলো কখনও কখনও সুষ্ঠুভাবে হলেও রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত জাতীয় নির্বাচন কখনও গ্রহণযোগ্য হয়নি দলীয় সরকারের আমলে। ইসিও দায়িত্ব পালন করতে পারেনি; এমনকি তার হাতে যথেষ্ট আইনগত ক্ষমতা থাকার পরও। এ অবস্থায় অন্তত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যবস্থাটির ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলোও সংশোধন করতে হবে এমনভাবে, যাতে নতুন করে এটা ঘিরে সংকট উপস্থিত না হয়। প্রত্যাশা এতটাই বেড়েছে যে, আগামীতে দলীয় সরকারের আমলে স্থানীয় নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এটা থেকে রেহাই নেই কারও। সত্যি বলতে, ধীরে হলেও গণতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালনার দিকে অগ্রসর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সংসদে বিরোধী দলের অংশগ্রহণের সুযোগ না বাড়িয়ে, এমপিদের তুলনামূলক স্বাধীনতা না দিয়ে, রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাহীন রেখে, বিচার বিভাগ ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিপক্ষ দমন করে দেশ পরিচালনা আর সম্ভব বলে মনে হয় না। তাছাড়া বিএনপিসহ মাঠে থাকা প্রধান সব দলেরই নিজস্ব সংস্কার কর্মসূচি রয়েছে। এ বিষয়ে তারা বক্তব্য দিয়েছে ঘোষিত ইশতেহারেও। নির্বাচনের মাধ্যমে যারাই ক্ষমতায় আসবে, তাদের পক্ষে কি এ সমস্ত কিছু উপেক্ষা করে ‘হাসিনা মডেলে’ দেশ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব?
সংস্কারের বিপরীতে চলে, ন্যূনতম গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশ পরিচালনার দাবি পদদলিত করে হাসিনা সরকার যে পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়ে গেছে, তাতে গণঅভ্যুত্থান যেমন ছিল অনিবার্য; তেমনি রাষ্ট্রব্যবস্থার কিছু না কিছু সংস্কার করে নতুন ধারায় দেশ পরিচালনাও অনিবার্য এখন। কে কোন আদর্শ অনুসরণ করবে, সেটা রাজনৈতিক দলগুলোর পছন্দের ব্যাপার। কিন্তু নির্বাচন অগ্রাহ্য করে, বিরোধী দল ও মত দমন করে মেয়াদের পর মেয়াদ যথেচ্ছভাবে দেশ পরিচালনা এখন কঠিন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে তো ভালো; তবে ‘না’ জয়যুক্ত হলেও কিছু না কিছু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দিকে যাত্রা করব আমরা—নির্বাচনের পর।
কোনো কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। সেগুলো আলাদা হয়ে যায় গতানুগতিক নির্বাচন থেকে। গতানুগতিক হলো সেইসব নির্বাচন, যেগুলো কেবল রাষ্ট্রক্ষমতার হাতবদলের সঙ্গে সম্পর্কিত। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তেমন নির্বাচন হয়েছিল। তবে ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ পরিস্থিতিতে। নির্বাচনটির মান যা-ই হোক, এর ভেতর দিয়েই একদলীয় ব্যবস্থা-পরবর্তী অরাজকতা থেকে জাতি বেরিয়ে আসে বহুদলীয় গণতন্ত্রে। সেটা অবশ্য টেকসই হয়নি দেশ নতুন করে সেনাশাসনের কবলে পড়ায়।
সামনেই যে নির্বাচন, সেটা আমাদের পথ করে দেবে সেনাশাসনের চাইতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার। পাকিস্তান আমলেও যে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতো; এমনকি সেটা হতো আরপিও’র মতো বিধিবিধান না থাকা সত্ত্বেও আর জনপ্রশাসনের তত্ত্বাবধানে, সেই দেশে নির্বাচনের নামে পৌনঃপুনিক তামাশার আয়োজন করেছিল হাসিনা সরকার। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সেই অপমানজনক আর হতবুদ্ধিকর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসাটাও ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে। শর্ত একটাই–শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্বাচনটি হতে হবে সুষ্ঠু। ভোট গ্রহণ থেকে নিয়ে গণনা ও ফল ঘোষণায় ন্যূনতম সন্দেহের অবকাশও রাখা যাবে না।
আর কী কী করলে নির্বাচন আরও মানসম্মত হতো, সেই আলোচনা নিশ্চয় করা যাবে। নির্বাচনটি গবেষকদেরও আগ্রহের বিষয় হয়ে থাকবে। তবে নির্বাচন যথেষ্ট মানসম্মত না হলেও, সার্বিক বিচারে কিছুটা কম গ্রহণযোগ্য হলেও এর ভেতর দিয়েই আমরা মানসম্মত নির্বাচন ও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে যাব। নির্বাচনের পর ‘রিকনসিলিয়েশন’-এর মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুতদের নিরপরাধ অংশকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার এজেন্ডাও রয়েছে সামনে। মুক্তিযুদ্ধের পর এ সংক্রান্ত কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমাদের। সেই যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলটির চরম অধঃপতনের পর এখন তাদের জন্যও রিকনসিলিয়েশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দলটির দিক থেকে কতটা কী সাড়া পাওয়া যাবে, সেটা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।
- হাসান মামুন: সাংবাদিক, কলাম লেখক