
সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ঢাকা স্ট্রিমের পরামর্শক সম্পাদক

শেখ হাসিনা সরকারের তো বিদায় নেওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সেই নির্বাচন হলে কি তিনি ক্ষমতায় ফিরতে পারতেন? রেকর্ড সেটা বলে না। বলে না বলেই হাসিনা গং ওই ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছিল। যদিও শুরুতে বলা হয়েছিল, ব্যবস্থাটির সংস্কারই তাদের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তি ও পরিবার যেভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলায়, সরকার সেভাবে মেলাবে না, এটাই স্বাভাবিক। আমাদের মতো দেশের ক্ষেত্রে এটা বেশি করে প্রযোজ্য। আমাদের তো উন্নয়নের চাহিদা এখনও বিরাট। কিছুটা উন্নয়ন দেখতে পেলে এর চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তথ্য-উপাত্ত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটে যাওয়ার পর আমরা আবার সহজেই জানতে পার
১১ জুন ২০২৬
কত গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ কোরবানি হতে পারে, সে বিষয়ে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছিল– এবারও। কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েছে। কোরবানির চাহিদা অত বেশি কিনা, সেটাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। চাহিদা বলতে ‘কার্যকর চাহিদা’ই বুঝতে হবে।
৩১ মে ২০২৬
কোরবানি ঈদের আগ দিয়ে বাজারে কিছু সুখবর আছে। যেমন, বেড়ে যাওয়া ডিমের দাম কমে এসেছে। ব্রয়লার আর সোনালি মুরগির দামও। দাম আগের জায়গায় আসার ‘প্রত্যাশা’ থাকলেও সেটা কমই ঘটে। কারণ বাজারে সক্রিয় থাকে দাম বৃদ্ধির উপাদানগুলো। এরই মধ্যে তো ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাতে রাতারাতি বেড়েছে পণ্য পরিবহন ব্যয়। হালে ডি
২৫ মে ২০২৬
সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে দেখার জন্য একটি সরকারকে কতটা সময় দেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর যখন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল, তখনও প্রশ্নটা সামনে আসে। এর নিষ্পত্তি একেকজন একেকভাবে করেছিলেন। তবে দেশের সাধারণ মানুষ যেকোনো সরকারের মনোভাব বুঝতে চায় তার দায়িত্ব গ্রহণের দিন থ
১৮ মে ২০২৬
ঈদুল ফিতর ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আসলে শুরু হয় রোজা শুরুর আগেই। আমদানিতে সক্রিয় হয়ে ওঠে বেসরকারি খাত। খাদ্যসহ কিছু পণ্যসামগ্রী আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয় আরও আগে। সরকার প্রয়োজনে কর-শুল্ক ছাড় দেয় ওইসব পণ্যের বাজার শান্ত রাখতে। আমদানিতে জড়িয়ে পড়ে ব্যাংক খাত।
২১ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কেন বাড়তে শুরু করেছে, সেটা সবারই জানা। বিশ্বের খুব কম দেশই জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সিংহভাগ দেশকেই কমবেশি আমদানি করতে হয় নানা রকম জ্বালানি পণ্য। বাংলাদেশও জ্বালানির ক্ষেত্রে ব্যপকভাবে আমদানিনির্ভর।
০৯ মার্চ ২০২৬
মন্ত্রিসভায় কাদের নেওয়া হবে, সেটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে; তবে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পছন্দমতো মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। একটি উপদেষ্টা পরিষদও করা হয়েছে। দুটির মোট সদস্য সংখ্যা ৬০।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তান আমলেও যে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতো; এমনকি সেটা হতো আরপিও’র মতো বিধিবিধান না থাকা সত্ত্বেও আর জনপ্রশাসনের তত্ত্বাবধানে, সেই দেশে নির্বাচনের নামে পৌনঃপুনিক তামাশার আয়োজন করেছিল হাসিনা সরকার।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রধান তিন এজেন্ডা নিয়ে এগোয়, তার একটি হলো সংস্কার। ধারাবাহিকভাবে বললে, বিচার অর্থাৎ ক্ষমতাচ্যুতদের অপরাধী অংশের বিচার; সংস্কার, মূলত রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার ও নির্বাচন অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচন।
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর কর্মী-সমর্থকদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’-র পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে গিয়ে দেরি করে ফেললেন কিনা, সে প্রশ্ন উঠেছে রাজনীতিসচেতন মহলে। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর মুহূর্ত থেকেই তিনি দলের এ অবস্থান স্পষ্ট করতে পারতেন বলে মত রয়েছে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এ ধরনের একটি নির্বাচন ছাড়া তো গণতন্ত্রে উত্তরণের কোনো সুযোগ নেই। ‘রাষ্ট্র সংস্কারে’ হাত না দিলেও হতো; সেই পথে পরে অগ্রসর হওয়াটাও অসম্ভব ছিল না। কিন্তু নির্বাচন সুসম্পন্ন করার কোনো বিকল্প নেই। তবে সরকার স্থির করেছিল, সংস্কারে সুস্পষ্ট অগ্রগতি এনে তবেই নির্বাচন।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬
পরবর্তী হাসিনা সরকার আবার চলেছে সংস্কারের সম্পূর্ণ বিপরীতে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার উচ্ছেদ, প্রকৃত বিরোধী দলকে সংসদের বাইরে রাখা আর নতুন কালাকানুন করে জনমত নিয়ন্ত্রণ এর প্রমাণ। দীর্ঘ একতরফা শাসনে তারা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ধ্বংস করে দেন। এ অবস্থায় গণঅভ্যুত্থান ছিল অনিবার্য।
০৫ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোটে যোগদানের ঘটনায় অবাক হওয়ার কিছু নেই। দলটির পরবর্তী পদক্ষেপ বিষয়ে অনুমান করা কঠিন ছিল অবশ্য। মাঝে তো এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল—এনসিপি যেন বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোটেই যোগ দেবে। তবে বিএনপির কাছ থেকে ‘আশানুরূপ’ আসনের প্রতিশ্রুতি নাকি পায়নি দলটি।
০১ জানুয়ারি ২০২৬
গণঅভ্যুত্থানের পর মাঠে যেসব রাজনৈতিক দল রয়েছে, তার মধ্যে বিএনপির জনসমর্থন সবচেয়ে বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারাই ক্ষমতায় যাবে বলে ধারণা সবচেয়ে জোরদার। অথচ দলটির সক্রিয় শীর্ষ নেতা এতদিন ছিলেন দেশে অনুপস্থিত।
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫.png)