ফ্রান্সেস্কো সিসকি

ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। আগামী এপ্রিলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকের আগে ট্রাম্পের হাতে আছে এখন শক্তিশালী তাস। গত এক দশক ধরে ভেনেজুয়েলা অনেকের জন্যই উদ্বেগের কারণ ছিল। ট্রাম্প তাঁর মতো করে সেই সমস্যার সমাধান করে ফেলেছেন।
অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলায় চীনের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে। প্রায় ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের চীনা ঋণের ওপর ট্রাম্প এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছেন। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর নতুন করে তাঁর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আত্মবিশ্বাসও দৃশ্যমান। এই বিষয়গুলো চীনের সঙ্গে দর কষাকষিতে বড় হাতিয়ার হতে পারে। চীন বিরল খনিজ ধাতু (রেয়ার আর্থ মিনারেল) উপাদানের ওপর একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেছে। এখন ট্রাম্পের হাতের তাসগুলোও ফেলনা নয়।
ইরানে বিক্ষোভের সংখ্যার পাশাপাশি প্রতিবাদের তীব্রতাও আগের চেয়ে বেশি। চাপ সামলানোর চেষ্টা করলেও আয়াতুল্লাহর খামেনির সরকার নড়বড়ে অবস্থায় আছে। ভেনেজুয়েলার ঘটনার পর ও গত বছর পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পর তেহরান এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। তারা আশঙ্কা করছে আমেরিকা হয়তো আরেকটি ঝটিকা বা সার্জিক্যাল অভিযান চালিয়ে ইরানের বর্তমান সরকারকে পঙ্গু করে দিতে পারে। এমন অবস্থায় তেহরান হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কোনো মধ্যপন্থী অংশের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারে। ভেনেজুয়েলার সরকারের বাকিরাও এখন ঠিক তাই করছে।
তেলের জন্য ও বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের কারণে চীনের কাছে ইরান কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৯ সালে ‘চাইনিজ জার্নাল অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’-এর বিশেষ সংখ্যায় অধ্যাপক জাং জিয়াওডং প্রস্তাব করেছিলেন, চীন যদি ইরানে খামেনিকে সমর্থন বন্ধ করে তবে বিনিময়ে আমেরিকা তাইওয়ানের স্বাধীনতায় সমর্থন দেওয়া বন্ধ করবে। তবে সেই পরিস্থিতি এখন বদলে গেছে। এমন বিনিময় এখন আর সম্ভব নয়।
ভেনেজুয়েলার পর চীন যদি ইরানকেও হারায় তবে বেইজিং আরও কোণঠাসা হয়ে পড়বে। আমেরিকার সামনে তাদের হাত আরও দুর্বল হবে। বেইজিং যদি এখন তেহরানকে সমর্থন দিতে এগিয়ে আসে তবে তারা বড় ঝামেলায় জড়াতে পারে। সেই ঝামেলা হয়তো ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের চেয়েও ভয়াবহ হবে।
পরিস্থিতি আবার পাল্টে যেতে পারে। ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকের আগে বাতাসে এখন নতুন হুমকির গন্ধ। আমেরিকা ডেনমার্কের অংশ এবং ন্যাটোর সদস্য গ্রিনল্যান্ড দখলের পাঁয়তারা করছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি একতরফাভাবে গ্রিনল্যান্ডের ওপর হাত বাড়ায় তবে তাদের জোট দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে। এমন পদক্ষেপ প্রমাণ করবে, আমেরিকার সঙ্গে জোটে থাকা মানেই নিরাপত্তা নয়। এমনকি আমেরিকার নিজের আগ্রাসন থেকে মিত্ররাও নিরাপদ নয়।
আমেরিকার সাম্প্রতিক কথাবার্তায় মনে হচ্ছে তারা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করছে। গত ৮০ বছর ধরে আমেরিকার শক্তির মূলমন্ত্র ছিল সীমিত শক্তি প্রয়োগ করে লক্ষ্য অর্জন করা। যুদ্ধে সৌন্দর্য থাকতে পারে। কিন্তু ইলিয়াডের মতে তা ট্র্যাজেডির সৌন্দর্য। যুদ্ধ কোনো হাসির বিষয় নয়, কেবলই ভোগান্তি। এখানে একমাত্র পুরস্কার হলো বেঁচে থাকা অথবা গৌরবান্বিত মৃত্যু।
মাফিয়ার শক্তির দিকে তাকালে বিষয়টি বোঝা যায়, দক্ষিণ ইতালির পুরোনো সামন্ত প্রভুরা ছিল তাদের আদর্শ। তাদের শক্তি সবাইকে পেটানোর মধ্যে ছিল না। তারা ফিসফিস করে কথা বলত ও ইঙ্গিত দিত। এতেই প্রতাপশালী ক্ষমতার দাপট বজায় থাকত। হলিউডের সিনেমা ‘গডফাদার’ এই ব্যাপারটা খুব ভালভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছিলল। ওই সিনেমায় ইতালিয়ান মাফিয়া বস চরিত্রে অভিনয় করা মার্লন ব্র্যান্ডো কখনোই চিৎকার করে হুমকি দেননি।
ভেনেজুয়েলায় আমেরিকার অভিযান ছিল সুনির্দিষ্ট। এর মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা আরও বেড়েছে।
ক্ষমতার সবচেয়ে ভালো সংজ্ঞা পাওয়া যায় স্নায়ুযুদ্ধ ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ৫১ বছর আগে প্রকাশিত নিকলাস লুমানে’র ‘মাকট’ বইয়ে। লুমান এখানে ক্ষমতাকে ব্যক্তি বা দেশের গুণ হিসেবে দেখেননি। তিনি ক্ষমতাকে দেখেছেন রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে বা মধ্যবর্তী যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে। এর কাজ হলো অনিশ্চয়তা কমানো ও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ করা। লুমানের দাবি, আপনি যত বেশি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন আপনার ক্ষমতা তত কমবে। যত কম ব্যবহার করবেন ক্ষমতা তত বেশি থাকবে। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইলে তা কৃপণতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।
মূলত এই পদ্ধতি অন্যদের ‘বেছে নেওয়ার সুযোগ’ কমিয়ে দেওয়ার উপায়। যা বৃহত্তর সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিল তখন এই তত্ত্ব এসেছিল। সেই সময় এই তত্ত্ব পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ বোঝার জন্য বিশদ কাঠামো দিয়েছিল। আজকের এই নতুন স্নায়ুযুদ্ধের যুগেও যা দরকারি হতে পারে।
ট্রাম্প যদি জোট ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ভুল করেন তবে ভেনেজুয়েলায় তিনি যা অর্জন করেছেন সব বিফলে যাবে। ইরানে সম্ভাব্য সুবিধাও হাতছাড়া হবে। এখানে চীন ও আমেরিকা উভয়ের জন্যই শিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা হলো যোগাযোগের বিষয়। ব্যবহার করলেই তা শেষ হয়ে যায়। তাই মন্ত্র হওয়া উচিত গ্রিনল্যান্ড সমস্যার সম্মানজনক সমাধান। যা জোট না ভেঙে বরং তাকে আরও মজবুত করবে।
লেখক: বেইজিংয়ে কর্মরত ইতালীয় লেখক ও বিশ্লেষক।
(এশিয়া টাইমস থেকে অনুবাদ করেছেন তুফায়েল আহমদ)

ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। আগামী এপ্রিলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকের আগে ট্রাম্পের হাতে আছে এখন শক্তিশালী তাস। গত এক দশক ধরে ভেনেজুয়েলা অনেকের জন্যই উদ্বেগের কারণ ছিল। ট্রাম্প তাঁর মতো করে সেই সমস্যার সমাধান করে ফেলেছেন।
অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলায় চীনের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে। প্রায় ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের চীনা ঋণের ওপর ট্রাম্প এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছেন। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর নতুন করে তাঁর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আত্মবিশ্বাসও দৃশ্যমান। এই বিষয়গুলো চীনের সঙ্গে দর কষাকষিতে বড় হাতিয়ার হতে পারে। চীন বিরল খনিজ ধাতু (রেয়ার আর্থ মিনারেল) উপাদানের ওপর একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেছে। এখন ট্রাম্পের হাতের তাসগুলোও ফেলনা নয়।
ইরানে বিক্ষোভের সংখ্যার পাশাপাশি প্রতিবাদের তীব্রতাও আগের চেয়ে বেশি। চাপ সামলানোর চেষ্টা করলেও আয়াতুল্লাহর খামেনির সরকার নড়বড়ে অবস্থায় আছে। ভেনেজুয়েলার ঘটনার পর ও গত বছর পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পর তেহরান এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। তারা আশঙ্কা করছে আমেরিকা হয়তো আরেকটি ঝটিকা বা সার্জিক্যাল অভিযান চালিয়ে ইরানের বর্তমান সরকারকে পঙ্গু করে দিতে পারে। এমন অবস্থায় তেহরান হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কোনো মধ্যপন্থী অংশের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারে। ভেনেজুয়েলার সরকারের বাকিরাও এখন ঠিক তাই করছে।
তেলের জন্য ও বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের কারণে চীনের কাছে ইরান কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৯ সালে ‘চাইনিজ জার্নাল অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’-এর বিশেষ সংখ্যায় অধ্যাপক জাং জিয়াওডং প্রস্তাব করেছিলেন, চীন যদি ইরানে খামেনিকে সমর্থন বন্ধ করে তবে বিনিময়ে আমেরিকা তাইওয়ানের স্বাধীনতায় সমর্থন দেওয়া বন্ধ করবে। তবে সেই পরিস্থিতি এখন বদলে গেছে। এমন বিনিময় এখন আর সম্ভব নয়।
ভেনেজুয়েলার পর চীন যদি ইরানকেও হারায় তবে বেইজিং আরও কোণঠাসা হয়ে পড়বে। আমেরিকার সামনে তাদের হাত আরও দুর্বল হবে। বেইজিং যদি এখন তেহরানকে সমর্থন দিতে এগিয়ে আসে তবে তারা বড় ঝামেলায় জড়াতে পারে। সেই ঝামেলা হয়তো ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের চেয়েও ভয়াবহ হবে।
পরিস্থিতি আবার পাল্টে যেতে পারে। ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকের আগে বাতাসে এখন নতুন হুমকির গন্ধ। আমেরিকা ডেনমার্কের অংশ এবং ন্যাটোর সদস্য গ্রিনল্যান্ড দখলের পাঁয়তারা করছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি একতরফাভাবে গ্রিনল্যান্ডের ওপর হাত বাড়ায় তবে তাদের জোট দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে। এমন পদক্ষেপ প্রমাণ করবে, আমেরিকার সঙ্গে জোটে থাকা মানেই নিরাপত্তা নয়। এমনকি আমেরিকার নিজের আগ্রাসন থেকে মিত্ররাও নিরাপদ নয়।
আমেরিকার সাম্প্রতিক কথাবার্তায় মনে হচ্ছে তারা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করছে। গত ৮০ বছর ধরে আমেরিকার শক্তির মূলমন্ত্র ছিল সীমিত শক্তি প্রয়োগ করে লক্ষ্য অর্জন করা। যুদ্ধে সৌন্দর্য থাকতে পারে। কিন্তু ইলিয়াডের মতে তা ট্র্যাজেডির সৌন্দর্য। যুদ্ধ কোনো হাসির বিষয় নয়, কেবলই ভোগান্তি। এখানে একমাত্র পুরস্কার হলো বেঁচে থাকা অথবা গৌরবান্বিত মৃত্যু।
মাফিয়ার শক্তির দিকে তাকালে বিষয়টি বোঝা যায়, দক্ষিণ ইতালির পুরোনো সামন্ত প্রভুরা ছিল তাদের আদর্শ। তাদের শক্তি সবাইকে পেটানোর মধ্যে ছিল না। তারা ফিসফিস করে কথা বলত ও ইঙ্গিত দিত। এতেই প্রতাপশালী ক্ষমতার দাপট বজায় থাকত। হলিউডের সিনেমা ‘গডফাদার’ এই ব্যাপারটা খুব ভালভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছিলল। ওই সিনেমায় ইতালিয়ান মাফিয়া বস চরিত্রে অভিনয় করা মার্লন ব্র্যান্ডো কখনোই চিৎকার করে হুমকি দেননি।
ভেনেজুয়েলায় আমেরিকার অভিযান ছিল সুনির্দিষ্ট। এর মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা আরও বেড়েছে।
ক্ষমতার সবচেয়ে ভালো সংজ্ঞা পাওয়া যায় স্নায়ুযুদ্ধ ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ৫১ বছর আগে প্রকাশিত নিকলাস লুমানে’র ‘মাকট’ বইয়ে। লুমান এখানে ক্ষমতাকে ব্যক্তি বা দেশের গুণ হিসেবে দেখেননি। তিনি ক্ষমতাকে দেখেছেন রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে বা মধ্যবর্তী যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে। এর কাজ হলো অনিশ্চয়তা কমানো ও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ করা। লুমানের দাবি, আপনি যত বেশি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন আপনার ক্ষমতা তত কমবে। যত কম ব্যবহার করবেন ক্ষমতা তত বেশি থাকবে। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইলে তা কৃপণতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।
মূলত এই পদ্ধতি অন্যদের ‘বেছে নেওয়ার সুযোগ’ কমিয়ে দেওয়ার উপায়। যা বৃহত্তর সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিল তখন এই তত্ত্ব এসেছিল। সেই সময় এই তত্ত্ব পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ বোঝার জন্য বিশদ কাঠামো দিয়েছিল। আজকের এই নতুন স্নায়ুযুদ্ধের যুগেও যা দরকারি হতে পারে।
ট্রাম্প যদি জোট ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ভুল করেন তবে ভেনেজুয়েলায় তিনি যা অর্জন করেছেন সব বিফলে যাবে। ইরানে সম্ভাব্য সুবিধাও হাতছাড়া হবে। এখানে চীন ও আমেরিকা উভয়ের জন্যই শিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা হলো যোগাযোগের বিষয়। ব্যবহার করলেই তা শেষ হয়ে যায়। তাই মন্ত্র হওয়া উচিত গ্রিনল্যান্ড সমস্যার সম্মানজনক সমাধান। যা জোট না ভেঙে বরং তাকে আরও মজবুত করবে।
লেখক: বেইজিংয়ে কর্মরত ইতালীয় লেখক ও বিশ্লেষক।
(এশিয়া টাইমস থেকে অনুবাদ করেছেন তুফায়েল আহমদ)

সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এক দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ফাঁদে পড়বে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে এবং তেলের দাম বেড়ে বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অর্থনীতি যে বড় ধরনের সংকটে পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
১ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে জেনেভায় মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা ওমানের মধ্যস্থতায় আরও এক দফা আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্তু এর ফলাফল ঠিক পরিষ্কার ছিল না। ইরান যখন আলোচনায় ‘ভালো অগ্রগতি’র দাবি করছে, যুক্তরাষ্ট্র তখন বলছে অগ্রগতি হয়েছে ‘সামান্যই’।
৯ ঘণ্টা আগে
২০১৭ সালের ঐতিহাসিক সফরের পর ২০২৬ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইসরায়েল সফর বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। এই সফর প্রমাণ করে ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন আর কেবল সামরিক বা বাণিজ্যিক লেনদেনে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি শক্তিশালী আদর্শিক ও কৌশলগত জোটে রূপ নিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এই মুহূর্তে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের নতুন সংলাপের সম্ভাবনা কম। কিন্তু লড়াই কোনো সমাধান নয়। বরং কাতার, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যস্থতায় আলোচনার টেবিলে বসে অন্তত নিজেদের সীমারেখা একে অপরকে জানাতে পারে দুই দেশ। এমন আলোচনায় উভয় পক্ষের ধৈর্য প্রয়োজন হবে। তবে বিকল্প হিস
১ দিন আগে