পয়লা বৈশাখ ও ইলিশের অর্থনীতি: উৎসবের বাজারে কার লাভ, কার ক্ষতি

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ১০
স্ট্রিম গ্রাফিক

পয়লা বৈশাখের আগের সপ্তাহটা বাংলাদেশের মাছবাজার একটু আলাদা রকম থাকে। সরবরাহ কমে, দাম বাড়ে। ক্রেতারা দাম শুনে ফিরে যান। এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়, বরং প্রতি বছর পরিচিত দৃশ্য। তবে এ বছর ছবিটা একটু বেশি স্পষ্ট হয়েছে। রাজধানীর বড় বাজারগুলোতে পদ্মার ভালো ইলিশ কেজিপ্রতি ৩৮০০ থেকে ৪০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগেও এই দাম ছিল ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। অর্থাৎ সাত দিনে দাম বেড়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশও আটশো থেকে নয়শো গ্রামের হলে দাম পড়ছে ৩০০০ থেকে ৩২০০ টাকা।

বৈশাখকে কেন্দ্র করে এই মূল্যবৃদ্ধি কি স্বাভাবিক বাজার প্রক্রিয়ার অংশ, নাকি এর পেছনে অন্য কিছু আছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আগে ইলিশের বাজার কাঠামোটা একটু বুঝতে হবে।

ইলিশ কতটা বড় অর্থনীতি

ইলিশ শুধু একটি মাছ নয়, বাংলাদেশের একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত। বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১ শতাংশ। দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে, যার চলতি বাজারমূল্য প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৬ লাখ লোক ইলিশ আহরণে সরাসরি নিয়োজিত এবং ২০ থেকে ২৫ লাখ লোক পরিবহন, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। প্রতিবছর ইলিশ রপ্তানি করে প্রায় তিনশো কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

এই তথ্যগুলো একসঙ্গে রাখলে বোঝা যায়, ইলিশ কোনো মৌসুমি বিষয় নয়। এটি একটি জাতীয় সম্পদ, যার সঙ্গে কোটি মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই এই খাতের বাজার কাঠামো ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা জরুরি।

উৎপাদন বাড়ছে, দাম কমছে না কেন

একটি যুক্তি প্রায়ই শোনা যায়— নদীতে মাছ কম, তাই দাম বেশি। কিন্তু উৎপাদনের পরিসংখ্যান দেখলে এই যুক্তি পুরোপুরি টেকে না। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল মাত্র দুই লাখ নব্বই হাজার টন। বিগত নয় বছরের ব্যবধানে এই উৎপাদন বেড়ে পাঁচ লাখ সতের হাজার টনে উন্নীত হয়, অর্থাৎ বৃদ্ধি প্রায় ৬৬ শতাংশ। মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল পাঁচ লাখ ঊনত্রিশ হাজার টন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে পাঁচ লাখ একাত্তর হাজার টন।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উদ্বেগজনক একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত আট বছরের মধ্যে ইলিশের উৎপাদন সর্বনিম্নে পৌঁছেছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, এ সময়ে ইলিশ উৎপাদন নেমেছে পাঁচ লাখ টনে। সার্বিকভাবে ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ সময়ে ইলিশ আহরণ প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাস্তব উৎপাদন আরও কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তার মানে দুটো বিষয় একসঙ্গে ঘটছে। উৎপাদন কমছে, আবার বৈশাখ এলে বাজারে সরবরাহ আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই দুইয়ের সম্মিলন ঘটলে দামের উপর চাপ পড়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সরবরাহ কমা কতটা প্রাকৃতিক আর কতটা কৌশলগত?

সরবরাহ শৃঙ্খলের রাজনীতি

মাছ ধরা থেকে শুরু করে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত ইলিশকে বেশ কয়েকটি স্তর পার হতে হয়। জেলে থেকে আড়তদার, আড়তদার থেকে পাইকার, পাইকার থেকে খুচরা বিক্রেতা। প্রতিটি স্তরে মার্জিন যোগ হয়। কিন্তু বৈশাখের আগে এই মার্জিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়।

উপকূলীয় জেলাগুলো থেকে প্রতিদিন কয়েক মণ ইলিশ সড়কপথে ঢাকায় আসে। কারণ ঢাকায় দাম বেশি পাওয়া যায়। এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদনস্থলে সরবরাহ কমে, আবার রাজধানীতেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকে। ফলে দুই জায়গায়ই দাম বাড়ে। বরগুনার একজন খুচরা বিক্রেতার কথা থেকেই বিষয়টা পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, ঢাকায় বেশি দামে বিক্রির কারণে প্রতিদিন সড়কপথে কয়েক মণ ইলিশ চলে যাচ্ছে, এতে স্থানীয় বাজারে সংকট আরও বাড়ছে। এটা একটা বিচিত্র পরিস্থিতি। ইলিশের জেলায় থেকেও স্থানীয় মানুষ ইলিশ কিনতে পারছেন না।

জাটকা সমস্যা ও ভবিষ্যতের ক্ষতি

বৈশাখ এলে আরেকটি সমস্যা প্রতি বছর মাথাচাড়া দেয়। নদীতে জাটকার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকে নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত। মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত জাটকা ধরা আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু বৈশাখের আগে বেশি দামের প্রলোভনে অনেক জেলে সেই নিষেধাজ্ঞা ভাঙেন। এই জাটকাই আগামী বছর এক কেজির পরিপক্ক ইলিশ হতে পারত।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের নিষেধাজ্ঞায় ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ে এবং ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি জাটকা উৎপন্ন হয়। তবে ২০২৫ সালে নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রত্যাশিত উৎপাদন বৃদ্ধি হয়নি; জুলাই-আগস্টে আহরণ আগের বছরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ২০ শতাংশ ও ৪৭ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে।

পান্তা-ইলিশ একটি সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ হিসেবে গড়ে উঠেছে অনেক পরে, মূলত আশির দশকের পর থেকে শহরে। কিন্তু এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে যে বাজার তৈরি হয়েছে, তা এখন একটি নিয়মিত মূল্যবৃদ্ধির ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে। প্রতি বছর বৈশাখের আগে দাম বাড়বে, উৎসব শেষে কমবে, এটা এখন যেন ধরে নেওয়া হয়।

এই সংখ্যাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞা মানা হলে প্রজনন ভালো হয়। কিন্তু পরের মৌসুমে উৎপাদন বাড়ছে না। কারণ, নিষেধাজ্ঞার বাইরের সময়ে অতিরিক্ত আহরণ হচ্ছে। একসময় দেশে প্রায় বিশ লাখ টন ইলিশ উৎপাদিত হতো, তা কমে প্রায় দুই লাখ টনে নেমে আসে। বর্তমানে জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে উৎপাদন পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাটকা নিধন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা গেলে দেশে ইলিশের উৎপাদন পুনরায় বিশ লাখ টনে নেওয়া সম্ভব। এই সম্ভাবনা পূরণ না হলে ইলিশের দাম দীর্ঘমেয়াদে কমার কোনো কারণ নেই।

বৈশাখের দামবৃদ্ধি কি শুধু চাহিদার খেলা

অর্থনীতির ভাষায়, চাহিদা বাড়লে এবং সরবরাহ না বাড়লে দাম বাড়বে, এটা স্বাভাবিক। পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের চাহিদা প্রতি বছর বাড়ে। কিন্তু প্রতি বছর এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাঁচশো থেকে সাতশো টাকা বাড়া কি শুধু চাহিদার ফল? এই প্রশ্নের সৎ উত্তর হলো, সম্ভবত না।

ক্রেতারা নিজেরাই বলছেন, বাজারে সিন্ডিকেট কাজ করছে। বিক্রেতারা বলছেন, আড়ত থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এই চক্রে খুচরা বিক্রেতা নিজেও কম দামে বিক্রি করতে পারেন না। তার মানে সমস্যাটা আড়ত স্তরে, অর্থাৎ সরবরাহ শৃঙ্খলের মাঝামাঝি স্তরে। সেখানে দামের নিয়ন্ত্রণ যদি গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর হাতে থাকে, তাহলে বৈশাখের আগে দাম বাড়ানো কঠিন নয়।

মধ্যবিত্তের হিসাব

এ বছর রাজধানীতে এমন ঘটনা ঘটেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা একজন মানুষ দাম শুনে ইলিশ না কিনেই ফিরে গেছেন। তিনি বলেছেন, ভালো বেতন পাওয়ার পরও এবার ইলিশ কেনার সাহস হচ্ছে না। মধ্যবিত্তের এই অবস্থা হলে নিম্ন আয়ের মানুষের কথা আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

এখানে একটা অর্থনৈতিক বিরোধ আছে। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা ও জাটকা নিধন বন্ধ থাকলে বছরে সাত হাজার কোটি টাকা মূল্যের ইলিশের বাজার তৈরি সম্ভব। অর্থাৎ সংরক্ষণ করলে সরবরাহ বাড়বে, দাম কমবে, মানুষ বেশি কিনতে পারবে, মোট বাজারের আকার বড় হবে। কিন্তু স্বল্পমেয়াদে বেশি আহরণ করে তাৎক্ষণিক মুনাফা নেওয়ার প্রবণতা এই দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনাকে নষ্ট করছে।

নীতিগত ফাঁকফোকর

বৈশাখে বাজার তদারকির কথা প্রতি বছরই বলা হয়। প্রতি বছরই তা কাগজে সীমাবদ্ধ থাকে। এই বিষয়ে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। বৈশাখের আগের দুই সপ্তাহ ইলিশের আড়তে মূল্য পর্যবেক্ষণ বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। আড়তদার থেকে খুচরা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের তথ্য প্রকাশ্যে রাখার বিধান চালু করলে কৃত্রিম সংকট তৈরি কঠিন হবে।

পাশাপাশি উৎপাদন সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলা দরকার। নদী দখল ও দূষণ, বালি উত্তোলন, নাব্য সংকট, জাটকা নিধন এবং অবৈধ জালের ব্যবহার ইলিশের উৎপাদন ক্রমান্বয়ে হ্রাস করছে। এই সমস্যাগুলো সমাধান না হলে উৎপাদন আর বাড়বে না। উৎপাদন না বাড়লে দামের উপর চাপ থেকেই যাবে।

করণীয় কী, কোন পথে যাওয়া উচিত

সমস্যার কথা বলাই যথেষ্ট নয়। কিছু নির্দিষ্ট পথও আলোচনায় আসা দরকার -

প্রথমত, ইলিশের সরবরাহ শৃঙ্খলে ডিজিটাল মনিটরিং চালু করতে হবে। জেলে থেকে আড়তদার, আড়তদার থেকে পাইকার, প্রতিটি স্তরে কত কেজি মাছ কত টাকায় হাত বদল হচ্ছে, তার তথ্য রিয়েল টাইমে সরকারি পোর্টালে থাকলে কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধির জায়গাটা চিহ্নিত করা সহজ হবে। এটা আর কল্পনার বিষয় নয়। ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা দেশের অন্যান্য খাতে চালু হয়েছে, মৎস্য খাতে চালু হওয়া অসম্ভব নয়।

দ্বিতীয়ত, বৈশাখকেন্দ্রিক মূল্য নিয়ন্ত্রণ অন্তত সাময়িকভাবে বিবেচনা করা যায়। ১ থেকে ১৫ বৈশাখ পর্যন্ত ইলিশের আকারভেদে সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য বেঁধে দিলে এই দুই সপ্তাহের অস্বাভাবিক মুনাফার সুযোগ কমবে। মূল্য নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর না হলেও মৌসুমি সংকটে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে।

তৃতীয়ত, জাটকা সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে শুধু মোবাইল কোর্ট যথেষ্ট নয়। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা আরও বড় করতে হবে। বর্তমানে যে ভিজিএফ সহায়তা দেওয়া হয়, তা অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত। জেলে যদি না খেয়ে থাকেন, নিষেধাজ্ঞা মানার প্রশ্নটা নৈতিক আর থাকে না, সেটা তখন বেঁচে থাকার প্রশ্ন হয়ে যায়।

চতুর্থত, ইলিশের বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তব উৎপাদনের তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে হবে। এই মুহূর্তে উৎপাদনের তথ্য মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে থাকলেও তা সাধারণ ক্রেতা দেখেন না, মিডিয়াও নিয়মিত প্রচার করে না। তথ্যের স্বচ্ছতা বাড়লে বাজারে কৃত্রিম সংকটের গল্প তৈরি করা কঠিন হয়।

পঞ্চমত, নদীর নাব্য রক্ষা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণকে ইলিশ উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করে দেখতে হবে। ইলিশ চাষ করা যায় না, তাই নদীর স্বাস্থ্যই ইলিশের ভবিষ্যৎ। নদীর পলি, দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে উৎপাদন হ্রাসের প্রবণতা থামানো যাবে না।

ইলিশ ও আমাদের সাংস্কৃতিক অর্থনীতি

পান্তা-ইলিশ একটি সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ হিসেবে গড়ে উঠেছে অনেক পরে, মূলত আশির দশকের পর থেকে শহরে। কিন্তু এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে যে বাজার তৈরি হয়েছে, তা এখন একটি নিয়মিত মূল্যবৃদ্ধির ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে। প্রতি বছর বৈশাখের আগে দাম বাড়বে, উৎসব শেষে কমবে, এটা এখন যেন ধরে নেওয়া হয়।

এই ধারণাটা ভাঙা দরকার। কারণ এর পেছনে যে কাঠামোগত সমস্যা আছে, তা শুধু বৈশাখের বাজারকে নয়, সারা বছরের ইলিশ অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। ছয় লাখ জেলে, পঁচিশ লাখ পরিবহন ও বিপণন কর্মী, রপ্তানি আয়, জিডিপিতে অবদান সবই এই বাজার কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত।

বৈশাখ আসবে, ইলিশের চাহিদা থাকবে। কিন্তু প্রতি বছর এই একই দৃশ্য দেখতে হবে কি না, সেটা নীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

  • শোয়েব সাম্য সিদ্দিক: অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত