স্ট্রিম সম্পাদকীয়

মালয়েশিয়া ও জাপানের বাজারে আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির খবর উৎসাহব্যঞ্জক। ঢাকা স্ট্রিমে এ বিষয়ে যে প্রতিবেদন এসেছে, তাতে রপ্তানিকারকদের সঙ্গে আমচাষীরাও খুশি হবেন। মালয়েশিয়ার বাজারে আম রপ্তানির সম্ভাবনা নাকি বেশি জোরালো।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর চলাকালে প্রাপ্ত এ খবরে পাঠকদেরও আগ্রহ বাড়বে। মালয়েশিয়া আমাদের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার বটে। জনশক্তি রপ্তানি থেমে থাকলেও সেখানে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি এখনও কর্মরত। নিজ দেশের আম পরিভোগে তাদের আগ্রহ থাকাটাই স্বাভাবিক। আমসহ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণেও দেশটি এগিয়ে। রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমরাও পারি আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে জোর দিতে। আম উৎপাদনে আমাদের অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক হলেও রপ্তানি সামান্য। এর প্রক্রিয়াকরণেও অগ্রগতি অনুল্লেখযোগ্য। আমজাত উপকরণ তৈরির সুযোগও কম নেই। এর বিশ্ববাজার ক্রমবর্ধমান। আমজাত কিছু উপকরণ আমরা বরং আমদানি করে থাকি।
ভারত থেকে জাপান ও নেপালে আম রপ্তানি সংকটে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ অবস্থায় অন্যতম প্রধান আম উৎপাদক হিসেবে বিশেষত জাপানের বাজারে প্রবেশের সুযোগ আমরা নিতে পারি বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। আম রপ্তানি বৃদ্ধিতে নিয়োজিত সবাইকে এ লক্ষ্যে কাজ করতে হবে বৈকি। তবে চলমান মৌসুমেই নাকি মালয়েশিয়ায় আম রপ্তানি শুরু করা যেতে পারে। সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদল এসে রপ্তানিযোগ্য আমের বাগানও দেখে গেছে।
জাপানের তুলনায় মালয়েশিয়ার বাজারে প্রবেশ অপেক্ষাকৃত সহজ বলেই মনে হয়। যে বাজারে ভারতের রপ্তানি বাধাপ্রাপ্ত, সেখানে আমরা দ্রুত সুবিধা করতে পারব না। উৎপাদন থেকে বিমানে তোলা পর্যন্ত আমের যে মান রক্ষা করতে হয়, সেটা আমরা এখনও যথেষ্ট মাত্রায় অর্জন করতে পারিনি। কিছু বাগানি রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করেও তাই হতাশ। বিশ্ববাজারে তারা আশানুরূপভাবে যুক্ত হতে পারছেন না। রপ্তানিকারকরাও সংকটে। বর্ধিত কার্গো ভাড়া পর্যন্ত তাদের পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে। আম রপ্তানির অভিজ্ঞতাও আমাদের দীর্ঘ নয়। এ অবস্থায় মালয়েশিয়ায় রপ্তানি শুরু করা গেলেও সেটা কম অগ্রগতি হবে না।
গেল বছর চীনে আম রপ্তানি শুরুর খবর মিলেছিল। অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী এ দেশটিতে স্বভাবতই খুব বেশি আম আমরা পাঠাতে পারব না। তবে চীনে রপ্তানির খবর নিশ্চয় আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিল। জাপানে আম পাঠাতে পারলে সেটা ভাবমূর্তিকে অধিকতর উজ্জ্বল করবে। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের কিছু দেশে পাঠাতে পারলেও আমাদের আম রপ্তানি স্থিতিশীল নয়। দেশীয় বাজারে এর পরিভোগ বাড়াটা অবশ্য ইতিবাচক। তবে সব ক্ষেত্রেই আম উৎপাদকদের ভালো দাম পেতে হবে। নইলে এর চাষে উৎসাহ হারাবে মানুষ। ইতোমধ্যে কোথাও কোথাও আমের জমি অন্য কাজে ব্যবহৃত হওয়ার প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে। নতুন নতুন অঞ্চলে আমের বাগান করার প্রবণতাও লক্ষণীয়। রপ্তানির প্রক্রিয়া জোরদার হলে বিদেশি ক্রেতাদের পছন্দমতো আম উৎপাদনেও উৎসাহ বাড়বে। এতে মুনাফার সম্ভাবনাও বাড়বে চাষীদের।
আম উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে দেশ ও বিদেশের উভয় বাজারে এর মান রক্ষা এবং ত্রুটিমুক্ত পরিবহনে জোর দেওয়ার বিকল্প নেই। অন্যান্য কৃষিপণ্যের মতো আম রক্ষণাবেক্ষণেও আমরা কিন্তু পিছিয়ে। এর বাজার ব্যবস্থা এখনও সেকেলে বলা যায়। সে কারণেও চাষীরা ভালো দাম থেকে বঞ্চিত। রপ্তানি বৃদ্ধির প্রয়াস অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আমজাত পণ্য উৎপাদনেও উৎসাহ জোগাতে হবে।
আমের মৌসুম কম দীর্ঘ নয়। দু-তিন মাস এটা ঘিরে কর্মসংস্থান কম তৈরি হয় না। অনলাইনে কেনাকাটাসহ এর সামগ্রিক ব্যবসার সম্প্রসারণ হলে কর্মসংস্থানেও গতি বাড়বে।

মালয়েশিয়া ও জাপানের বাজারে আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির খবর উৎসাহব্যঞ্জক। ঢাকা স্ট্রিমে এ বিষয়ে যে প্রতিবেদন এসেছে, তাতে রপ্তানিকারকদের সঙ্গে আমচাষীরাও খুশি হবেন। মালয়েশিয়ার বাজারে আম রপ্তানির সম্ভাবনা নাকি বেশি জোরালো।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর চলাকালে প্রাপ্ত এ খবরে পাঠকদেরও আগ্রহ বাড়বে। মালয়েশিয়া আমাদের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার বটে। জনশক্তি রপ্তানি থেমে থাকলেও সেখানে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি এখনও কর্মরত। নিজ দেশের আম পরিভোগে তাদের আগ্রহ থাকাটাই স্বাভাবিক। আমসহ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণেও দেশটি এগিয়ে। রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমরাও পারি আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে জোর দিতে। আম উৎপাদনে আমাদের অগ্রগতি উৎসাহব্যঞ্জক হলেও রপ্তানি সামান্য। এর প্রক্রিয়াকরণেও অগ্রগতি অনুল্লেখযোগ্য। আমজাত উপকরণ তৈরির সুযোগও কম নেই। এর বিশ্ববাজার ক্রমবর্ধমান। আমজাত কিছু উপকরণ আমরা বরং আমদানি করে থাকি।
ভারত থেকে জাপান ও নেপালে আম রপ্তানি সংকটে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ অবস্থায় অন্যতম প্রধান আম উৎপাদক হিসেবে বিশেষত জাপানের বাজারে প্রবেশের সুযোগ আমরা নিতে পারি বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। আম রপ্তানি বৃদ্ধিতে নিয়োজিত সবাইকে এ লক্ষ্যে কাজ করতে হবে বৈকি। তবে চলমান মৌসুমেই নাকি মালয়েশিয়ায় আম রপ্তানি শুরু করা যেতে পারে। সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদল এসে রপ্তানিযোগ্য আমের বাগানও দেখে গেছে।
জাপানের তুলনায় মালয়েশিয়ার বাজারে প্রবেশ অপেক্ষাকৃত সহজ বলেই মনে হয়। যে বাজারে ভারতের রপ্তানি বাধাপ্রাপ্ত, সেখানে আমরা দ্রুত সুবিধা করতে পারব না। উৎপাদন থেকে বিমানে তোলা পর্যন্ত আমের যে মান রক্ষা করতে হয়, সেটা আমরা এখনও যথেষ্ট মাত্রায় অর্জন করতে পারিনি। কিছু বাগানি রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করেও তাই হতাশ। বিশ্ববাজারে তারা আশানুরূপভাবে যুক্ত হতে পারছেন না। রপ্তানিকারকরাও সংকটে। বর্ধিত কার্গো ভাড়া পর্যন্ত তাদের পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে। আম রপ্তানির অভিজ্ঞতাও আমাদের দীর্ঘ নয়। এ অবস্থায় মালয়েশিয়ায় রপ্তানি শুরু করা গেলেও সেটা কম অগ্রগতি হবে না।
গেল বছর চীনে আম রপ্তানি শুরুর খবর মিলেছিল। অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী এ দেশটিতে স্বভাবতই খুব বেশি আম আমরা পাঠাতে পারব না। তবে চীনে রপ্তানির খবর নিশ্চয় আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিল। জাপানে আম পাঠাতে পারলে সেটা ভাবমূর্তিকে অধিকতর উজ্জ্বল করবে। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের কিছু দেশে পাঠাতে পারলেও আমাদের আম রপ্তানি স্থিতিশীল নয়। দেশীয় বাজারে এর পরিভোগ বাড়াটা অবশ্য ইতিবাচক। তবে সব ক্ষেত্রেই আম উৎপাদকদের ভালো দাম পেতে হবে। নইলে এর চাষে উৎসাহ হারাবে মানুষ। ইতোমধ্যে কোথাও কোথাও আমের জমি অন্য কাজে ব্যবহৃত হওয়ার প্রক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে। নতুন নতুন অঞ্চলে আমের বাগান করার প্রবণতাও লক্ষণীয়। রপ্তানির প্রক্রিয়া জোরদার হলে বিদেশি ক্রেতাদের পছন্দমতো আম উৎপাদনেও উৎসাহ বাড়বে। এতে মুনাফার সম্ভাবনাও বাড়বে চাষীদের।
আম উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে দেশ ও বিদেশের উভয় বাজারে এর মান রক্ষা এবং ত্রুটিমুক্ত পরিবহনে জোর দেওয়ার বিকল্প নেই। অন্যান্য কৃষিপণ্যের মতো আম রক্ষণাবেক্ষণেও আমরা কিন্তু পিছিয়ে। এর বাজার ব্যবস্থা এখনও সেকেলে বলা যায়। সে কারণেও চাষীরা ভালো দাম থেকে বঞ্চিত। রপ্তানি বৃদ্ধির প্রয়াস অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আমজাত পণ্য উৎপাদনেও উৎসাহ জোগাতে হবে।
আমের মৌসুম কম দীর্ঘ নয়। দু-তিন মাস এটা ঘিরে কর্মসংস্থান কম তৈরি হয় না। অনলাইনে কেনাকাটাসহ এর সামগ্রিক ব্যবসার সম্প্রসারণ হলে কর্মসংস্থানেও গতি বাড়বে।
.png)

বাংলাদেশে সুনীল অর্থনীতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হলেও এর ভিত্তি হলো নির্ভরযোগ্য সমুদ্র-উপাত্ত। মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, অফশোর জ্বালানি অনুসন্ধান, সাবমেরিন কেবল স্থাপন, সামুদ্রিক গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ গভীর সমুদ্র সম্পদ উন্নয়নের জন্য উচ্চমানের হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অপরিহার্য।
৪ ঘণ্টা আগে
আমরা বাবাদের দেখি উপার্জনকারী হিসেবে। রক্ষাকারী হিসেবে। দায়িত্ব পালনকারী হিসেবে। কিন্তু মানুষ হিসেবে দেখি কতটা? সম্ভবত খুব কম। তাই বাবা দিবস এলেই আমার ফুল, কেক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোর কথা মনে হয় না। আমার মনে পড়ে সেই স্টেশন।
৭ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমানের বেইজিং সফর শুধু অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ কোন কৌশলগত পথে এগোবে, সেই প্রশ্নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে যাচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বাবা দিবস’। দিবসটি এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে মা-বাবার সঙ্গে ছবির বন্যা বয়ে যায়, ব্র্যান্ডগুলো নানা অফার ছাড়ে, আর আমরাও হয়তো বাবাকে একটা পাঞ্জাবি বা হাতঘড়ি উপহার দিয়ে দায়িত্বের ইতি টানি।
১০ ঘণ্টা আগে