স্ট্রিম সম্পাদকীয়

যুক্তরাষ্ট্রসহ তিন দেশে ফিফা বিশ্বকাপের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন হয়েছে। এই প্রথম তিনটি দেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের সূত্রপাত হলো, তা-ই নয়; সবচেয়ে বেশি দেশ এবার অংশ নিচ্ছে প্রতিযোগিতায়। স্বভাবতই অনেক বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবার আর তা দেখার সুযোগ পাবে চার বছর ধরে অপেক্ষায় থাকা সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা। স্টেডিয়ামে দর্শক থাকবে কমই; তার চাইতে বহুগুণ বেশি মানুষ থাকবে টিভি সেটের সামনে। কম্পিউটার মনিটর কিংবা সেলফোনেও প্রিয় দলের খেলা অথবা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ দেখার সুযোগ ছাড়বেন না কেউ।
ফুটবল অবকাঠামোর মধ্যে দর্শকই প্রধান বলে বিবেচিত। আর সারা দুনিয়ায় ফুটবলই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ফিফার সদস্যও দুই শতাধিক। বাংলাদেশও সংস্থাটির সদস্য ১৯৭৪ সাল থেকে। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর লগ্নে প্রতিবারই এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে প্রশ্ন ওঠে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। দক্ষিণ এশীয় গণ্ডিতেই আমাদের সাফল্য সীমাবদ্ধ বললে ভুল হবে না। এ ক্ষেত্রে নারী ফুটবলারদের সাফল্য অবশ্য অধিক আনন্দের উৎস হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা জয়ের চ্যালেঞ্জও কম নেই।
কবে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পেরোতে পারব, এই প্রশ্ন পাশে সরিয়ে এর আনন্দ অবগাহনের সুযোগ অবশ্য আমরা কোনোবারই হাতছাড়া করছি না। ২০২৬ বিশ্বকাপও এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে অনাবিল আনন্দের উপলক্ষ হয়ে এসেছে। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট যেমন আগ্রহের কারণ ছিল; তেমনি একইসঙ্গে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপও আমাদের উৎসাহের কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে। সংবাদমাধ্যমও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত খবরাখবর দিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনদাতারাও কম আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোয় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেটা বলাই বাহুল্য। এটা কেবল বিপুল বিনিয়োগের বিষয় নয়; ব্যবসার বিকাশ আর আয়েরও উপলক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রই অবশ্য প্রধান আয়োজক। দেশটি ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের হয়ে নেমে এর প্রধান অংশীদার হয়ে উঠেছিল। অন্যায় সেই যুদ্ধ এখনও চলছে থেমে থেমে। এরই মধ্যে ইরানের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ। এতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পুরো টিমের খেলায় অংশগ্রহণ নিয়ে জটিলতাও কম সৃষ্টি হয়নি।
ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে বিপাকে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে অবশ্য সুযোগ এসেছে কোনো জেদের বশবর্তী না নিয়ে ফিফাকে তার কাজ সুসম্পন্ন করতে দেওয়ার। এই বিশ্বকাপ শান্তিকামী বিশ্ববাসীর কাছে বিপন্ন আমেরিকান-ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারেরও সুযোগ। অন্য দুই আয়োজক দেশের সঙ্গেও তার সম্পর্কগত জটিলতা কম নয়। যুদ্ধ, অনিশ্চয়তা এবং সেটা ঘিরে জ্বালানিসহ আন্তর্জাতিক বাজারে সৃষ্ট সংকটেও ফিফা বিশ্বকাপ বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য, শান্তি ও আনন্দের বার্তাই বয়ে এনেছে।
যুদ্ধের কারণে বেড়ে যাওয়া মূল্যস্ফীতির আঁচ লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রেও। ফুটবল সেখানে কম জনপ্রিয় হলেও তারাও নিশ্চয় গর্বিত হবে এমন একটি আয়োজন সফলভাবে করতে পারলে। এর আগেও একবার ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল দেশটি। খেলায় তার পারফরম্যান্স কেমন হবে, কে জানে। তবে আয়োজনে যেন ত্রুটি কিংবা বাড়াবাড়ি না থাকে।
বিরাট এ আয়োজনে জার্সিসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করে ভালো ব্যবসা করেছে বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান। যখন আর যেখানেই ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজিত হোক; তাতে দর্শক হিসেবে এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের বিপুল অংশগ্রহণও দুনিয়ার নজর কাড়ছে। নানা সংকটের মাঝেও দীর্ঘ একটা সময় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে আমাদের কাটবে শীর্ষ ফুটবলারদের মনমাতানো প্রতিযোগিতায়। এটা কম নয়।

যুক্তরাষ্ট্রসহ তিন দেশে ফিফা বিশ্বকাপের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন হয়েছে। এই প্রথম তিনটি দেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের সূত্রপাত হলো, তা-ই নয়; সবচেয়ে বেশি দেশ এবার অংশ নিচ্ছে প্রতিযোগিতায়। স্বভাবতই অনেক বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবার আর তা দেখার সুযোগ পাবে চার বছর ধরে অপেক্ষায় থাকা সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা। স্টেডিয়ামে দর্শক থাকবে কমই; তার চাইতে বহুগুণ বেশি মানুষ থাকবে টিভি সেটের সামনে। কম্পিউটার মনিটর কিংবা সেলফোনেও প্রিয় দলের খেলা অথবা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ দেখার সুযোগ ছাড়বেন না কেউ।
ফুটবল অবকাঠামোর মধ্যে দর্শকই প্রধান বলে বিবেচিত। আর সারা দুনিয়ায় ফুটবলই সবচেয়ে জনপ্রিয়। ফিফার সদস্যও দুই শতাধিক। বাংলাদেশও সংস্থাটির সদস্য ১৯৭৪ সাল থেকে। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর লগ্নে প্রতিবারই এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে প্রশ্ন ওঠে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। দক্ষিণ এশীয় গণ্ডিতেই আমাদের সাফল্য সীমাবদ্ধ বললে ভুল হবে না। এ ক্ষেত্রে নারী ফুটবলারদের সাফল্য অবশ্য অধিক আনন্দের উৎস হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা জয়ের চ্যালেঞ্জও কম নেই।
কবে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পেরোতে পারব, এই প্রশ্ন পাশে সরিয়ে এর আনন্দ অবগাহনের সুযোগ অবশ্য আমরা কোনোবারই হাতছাড়া করছি না। ২০২৬ বিশ্বকাপও এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে অনাবিল আনন্দের উপলক্ষ হয়ে এসেছে। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট যেমন আগ্রহের কারণ ছিল; তেমনি একইসঙ্গে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপও আমাদের উৎসাহের কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে। সংবাদমাধ্যমও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত খবরাখবর দিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনদাতারাও কম আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোয় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেটা বলাই বাহুল্য। এটা কেবল বিপুল বিনিয়োগের বিষয় নয়; ব্যবসার বিকাশ আর আয়েরও উপলক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রই অবশ্য প্রধান আয়োজক। দেশটি ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের হয়ে নেমে এর প্রধান অংশীদার হয়ে উঠেছিল। অন্যায় সেই যুদ্ধ এখনও চলছে থেমে থেমে। এরই মধ্যে ইরানের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ। এতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পুরো টিমের খেলায় অংশগ্রহণ নিয়ে জটিলতাও কম সৃষ্টি হয়নি।
ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে বিপাকে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে অবশ্য সুযোগ এসেছে কোনো জেদের বশবর্তী না নিয়ে ফিফাকে তার কাজ সুসম্পন্ন করতে দেওয়ার। এই বিশ্বকাপ শান্তিকামী বিশ্ববাসীর কাছে বিপন্ন আমেরিকান-ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারেরও সুযোগ। অন্য দুই আয়োজক দেশের সঙ্গেও তার সম্পর্কগত জটিলতা কম নয়। যুদ্ধ, অনিশ্চয়তা এবং সেটা ঘিরে জ্বালানিসহ আন্তর্জাতিক বাজারে সৃষ্ট সংকটেও ফিফা বিশ্বকাপ বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য, শান্তি ও আনন্দের বার্তাই বয়ে এনেছে।
যুদ্ধের কারণে বেড়ে যাওয়া মূল্যস্ফীতির আঁচ লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রেও। ফুটবল সেখানে কম জনপ্রিয় হলেও তারাও নিশ্চয় গর্বিত হবে এমন একটি আয়োজন সফলভাবে করতে পারলে। এর আগেও একবার ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল দেশটি। খেলায় তার পারফরম্যান্স কেমন হবে, কে জানে। তবে আয়োজনে যেন ত্রুটি কিংবা বাড়াবাড়ি না থাকে।
বিরাট এ আয়োজনে জার্সিসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করে ভালো ব্যবসা করেছে বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান। যখন আর যেখানেই ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজিত হোক; তাতে দর্শক হিসেবে এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের বিপুল অংশগ্রহণও দুনিয়ার নজর কাড়ছে। নানা সংকটের মাঝেও দীর্ঘ একটা সময় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে আমাদের কাটবে শীর্ষ ফুটবলারদের মনমাতানো প্রতিযোগিতায়। এটা কম নয়।

ফিদানের এই সফর তুরস্কের বৃহত্তর ‘এশিয়া অ্যানিউ’ কৌশলের সর্বশেষ পদক্ষেপ। আঙ্কারা গত কয়েক বছর ধরে এই নীতিতে এশিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। সেদিক থেকে বিচার করলে দুই দেশ পরস্পরকে পছন্দ করে কি না, সেই প্রশ্ন এখন অবান্তর। দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কৌশলগত রূপ পা
১০ মিনিট আগে
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং বিজেপির মধ্যে এখন আর কোনো সুসম্পর্ক অবশিষ্ট নেই। এমন সময়ে মমতার মতো একজন পোড়খাওয়া রাজনীতিক বিজেপির প্রতি সৌজন্য দেখাবেন ভাবাটা অবাস্তব। দলের এমন অস্তিত্বের সংকটের মুহূর্তে তাঁর পক্ষে সবকিছু করাই স্বাভাবিক।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘কঠিন’ হামলার হুমকির পরপরই ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসসহ একাধিক শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আর এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে দেশের সব শ্রেণির মানুষেরই বিশেষ আগ্রহ ছিল। উন্নয়ন সহযোগীদেরও আগ্রহ কম থাকার কথা নয়। বাজেটে প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে সরকার কিছু করে কিনা, সে বিষয়েও ছিল জিজ্ঞাসা।
১ দিন আগে