বিশেষ সাক্ষাৎকার
আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি। মহান মে দিবস উপলক্ষে দেশের শ্রমবাজারের অস্থিরতা, শ্রমিকদের অধিকার, প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সংকটসহ নিজের সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ ও অন্যান্য বিষয়ে ঢাকা স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্ট্রিমের রাজনৈতিক প্রতিবেদক মিরহাজুল শিবলী।
মিরহাজুল শিবলী

ঢাকা স্ট্রিম: মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের এক অনন্য দিন। এবার আপনাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে কোন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?
আনোয়ার হোসেন: মে দিবস মানেই শ্রমিকের অধিকারের কথা বলা। তবে এবারের প্রেক্ষাপটে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি ‘নিরাপদ কর্মস্থল’ নিশ্চিত করার ওপর। আপনি জানেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি ছিল বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বড় শিল্প দুর্ঘটনা। আমরা আশা করেছিলাম এরপর বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আজও প্রতি সপ্তাহে বা মাসে কোনো না কোনো কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং শ্রমিকরা প্রাণ হারাচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।
ঢাকা স্ট্রিম: শ্রমিকদলের অভ্যন্তরে কাউন্সিল কিংবা নিয়মিত সাংগঠনিক পুনর্গঠন দীর্ঘকাল ধরে স্থবির হয়ে আছে। এতে কি তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিতে টান পড়ছে না?
আনোয়ার হোসেন: অবশ্যই পড়ছে। যেকোনো জীবন্ত সংগঠনের জন্য নিয়মিত কাউন্সিল অপরিহার্য। কাউন্সিল না হওয়ায় অনেক সিনিয়র নেতা মারা গেছেন, কেউ পদত্যাগ করেছেন বা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এতে নেতৃত্বে একটি বড় ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছি যেন দ্রুত কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন ও দক্ষ নেতৃত্ব আসার সুযোগ তৈরি করা হয়। নতুন নেতৃত্ব মানেই কাজের নতুন গতি এবং মাঠপর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান।
ঢাকা স্ট্রিম: সংশোধিত শ্রম আইনে ২০ জন শ্রমিক মিলে ইউনিয়ন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অনেকে বলছেন এতে শ্রমিকের শক্তি বাড়ছে, আবার অনেকে বলছেন এতে বিভাজন বাড়ছে। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
আনোয়ার হোসেন: আমরা সব সময় শ্রমিকদের অধিকারের পক্ষে। তবে ২০ জনের এই বিধানটি অনেক সময় হিতে বিপরীত হচ্ছে। এতে করে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিয়ন তৈরি হচ্ছে, যেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা বা মালিকপক্ষের সাথে বড় দরকষাকষি করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো ‘পকেট ইউনিয়ন’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর ফলে ট্রেড ইউনিয়নের মূল যে লক্ষ্য—অর্থাৎ সম্মিলিত দরকষাকষি - তা ব্যাহত হচ্ছে।
ঢাকা স্ট্রিম: মালিকদের সংগঠনগুলো একতাবদ্ধ হলেও শ্রমিকরা অসংখ্য ইউনিয়নে বিভক্ত। এই অনৈক্য শ্রমিকদের কতটুকু পিছিয়ে দিচ্ছে?
আনোয়ার হোসেন: আপনি অত্যন্ত গভীর একটি সমস্যার কথা বলেছেন। দেশের মালিকদের সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় ফেডারেশন মূলত একটি। ফলে তারা সরকারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, আমরা শ্রমিকরা প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি ফেডারেশনে বিভক্ত। এই অনৈক্যের কারণে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো অনেক সময় আদায় করতে পারি না। আমি মনে করি ‘ইউনিফিকেশন অফ ট্রেড ইউনিয়ন মুভমেন্ট’ ছাড়া শ্রমিকদের চূড়ান্ত মুক্তি সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করছি সব বিভেদ ভুলে শ্রমিকদের একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে।
ঢাকা স্ট্রিম: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ হলো প্রবাসী শ্রমিকরা। অথচ বিমানবন্দরে তাদের নিয়মিত হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে আপনার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব কী?
আনোয়ার হোসেন: আমাদের প্রবাসী শ্রমিকদের বিমানবন্দরে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া উচিত। তারা রেমিট্যান্স যোদ্ধা, তাদের পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে, বাংলাদেশ টিকে থাকে। অথচ বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই তাদের সাথে তুচ্ছতাচ্ছিল্য শুরু হয়, নানাভাবে হয়রানি করা হয়। এটি চরম দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সেমিনার ও বিভিন্ন ফোরামে দাবি জানিয়েছি যেন তাদের জন্য আলাদা ভিআইপি ডেস্কের ব্যবস্থা করা হয় এবং তাদের সম্মানের সাথে দেশে আসা-যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
ঢাকা স্ট্রিম: পরিবহন সেক্টরসহ বিভিন্ন স্থানে আপনাদের সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। সংগঠনের প্রধান হিসেবে এ নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
আনোয়ার হোসেন: শ্রমিকদল একটি সুশৃঙ্খল কেন্দ্রীয় সংগঠন। পরিবহন সেক্টরের ইউনিয়নগুলো আলাদা। আমরা শ্রমিকদল একটি আম্ব্রেলা সংগঠন। পরিবহনের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শাখা বা অনুসারী সংগঠন থাকতে পারে, তবে চাঁদাবাজি বা যেকোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় সংগঠন নেবে না। সড়কের রাজনীতি বা প্রশাসনের কিছু অভ্যন্তরীণ জটিলতার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ অপকর্ম করতে পারে। তবে আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
ঢাকা স্ট্রিম: পরিশেষে, আসন্ন মে দিবস উপলক্ষে দেশের এবং দেশের বাইরের কোটি কোটি শ্রমিকের প্রতি আপনার বার্তা কী?
আনোয়ার হোসেন: শ্রমিকদের প্রতি আমার একটাই বার্তা—ঐক্যবদ্ধ হোন। অধিকার কেউ হাতে তুলে দেবে না, অধিকার আদায় করে নিতে হয়। মহান মে দিবস আমাদের সেই সাহস ও প্রেরণা জোগায়। আমরা আপনাদের নিরাপদ কর্মস্থল, ন্যায্য মজুরি এবং সামাজিক মর্যাদার লড়াইয়ে অতীতেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। ইনশাআল্লাহ, শ্রমিকের বিজয় নিশ্চিত।
ঢাকা স্ট্রিম: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আনোয়ার হোসেন: ধন্যবাদ ঢাকা স্ট্রিমকেও।

আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি। মহান মে দিবস উপলক্ষে দেশের শ্রমবাজারের অস্থিরতা, শ্রমিকদের অধিকার, প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সংকটসহ নিজের সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ ও অন্যান্য বিষয়ে ঢাকা স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্ট্রিমের রাজনৈতিক প্রতিবেদক মিরহাজুল শিবলী।
ঢাকা স্ট্রিম: মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের এক অনন্য দিন। এবার আপনাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে কোন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?
আনোয়ার হোসেন: মে দিবস মানেই শ্রমিকের অধিকারের কথা বলা। তবে এবারের প্রেক্ষাপটে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি ‘নিরাপদ কর্মস্থল’ নিশ্চিত করার ওপর। আপনি জানেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি ছিল বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বড় শিল্প দুর্ঘটনা। আমরা আশা করেছিলাম এরপর বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আজও প্রতি সপ্তাহে বা মাসে কোনো না কোনো কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং শ্রমিকরা প্রাণ হারাচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।
ঢাকা স্ট্রিম: শ্রমিকদলের অভ্যন্তরে কাউন্সিল কিংবা নিয়মিত সাংগঠনিক পুনর্গঠন দীর্ঘকাল ধরে স্থবির হয়ে আছে। এতে কি তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিতে টান পড়ছে না?
আনোয়ার হোসেন: অবশ্যই পড়ছে। যেকোনো জীবন্ত সংগঠনের জন্য নিয়মিত কাউন্সিল অপরিহার্য। কাউন্সিল না হওয়ায় অনেক সিনিয়র নেতা মারা গেছেন, কেউ পদত্যাগ করেছেন বা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এতে নেতৃত্বে একটি বড় ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছি যেন দ্রুত কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন ও দক্ষ নেতৃত্ব আসার সুযোগ তৈরি করা হয়। নতুন নেতৃত্ব মানেই কাজের নতুন গতি এবং মাঠপর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান।
ঢাকা স্ট্রিম: সংশোধিত শ্রম আইনে ২০ জন শ্রমিক মিলে ইউনিয়ন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অনেকে বলছেন এতে শ্রমিকের শক্তি বাড়ছে, আবার অনেকে বলছেন এতে বিভাজন বাড়ছে। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
আনোয়ার হোসেন: আমরা সব সময় শ্রমিকদের অধিকারের পক্ষে। তবে ২০ জনের এই বিধানটি অনেক সময় হিতে বিপরীত হচ্ছে। এতে করে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিয়ন তৈরি হচ্ছে, যেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা বা মালিকপক্ষের সাথে বড় দরকষাকষি করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো ‘পকেট ইউনিয়ন’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর ফলে ট্রেড ইউনিয়নের মূল যে লক্ষ্য—অর্থাৎ সম্মিলিত দরকষাকষি - তা ব্যাহত হচ্ছে।
ঢাকা স্ট্রিম: মালিকদের সংগঠনগুলো একতাবদ্ধ হলেও শ্রমিকরা অসংখ্য ইউনিয়নে বিভক্ত। এই অনৈক্য শ্রমিকদের কতটুকু পিছিয়ে দিচ্ছে?
আনোয়ার হোসেন: আপনি অত্যন্ত গভীর একটি সমস্যার কথা বলেছেন। দেশের মালিকদের সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় ফেডারেশন মূলত একটি। ফলে তারা সরকারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, আমরা শ্রমিকরা প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি ফেডারেশনে বিভক্ত। এই অনৈক্যের কারণে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো অনেক সময় আদায় করতে পারি না। আমি মনে করি ‘ইউনিফিকেশন অফ ট্রেড ইউনিয়ন মুভমেন্ট’ ছাড়া শ্রমিকদের চূড়ান্ত মুক্তি সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করছি সব বিভেদ ভুলে শ্রমিকদের একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে।
ঢাকা স্ট্রিম: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ হলো প্রবাসী শ্রমিকরা। অথচ বিমানবন্দরে তাদের নিয়মিত হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে আপনার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব কী?
আনোয়ার হোসেন: আমাদের প্রবাসী শ্রমিকদের বিমানবন্দরে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া উচিত। তারা রেমিট্যান্স যোদ্ধা, তাদের পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে, বাংলাদেশ টিকে থাকে। অথচ বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই তাদের সাথে তুচ্ছতাচ্ছিল্য শুরু হয়, নানাভাবে হয়রানি করা হয়। এটি চরম দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সেমিনার ও বিভিন্ন ফোরামে দাবি জানিয়েছি যেন তাদের জন্য আলাদা ভিআইপি ডেস্কের ব্যবস্থা করা হয় এবং তাদের সম্মানের সাথে দেশে আসা-যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
ঢাকা স্ট্রিম: পরিবহন সেক্টরসহ বিভিন্ন স্থানে আপনাদের সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। সংগঠনের প্রধান হিসেবে এ নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
আনোয়ার হোসেন: শ্রমিকদল একটি সুশৃঙ্খল কেন্দ্রীয় সংগঠন। পরিবহন সেক্টরের ইউনিয়নগুলো আলাদা। আমরা শ্রমিকদল একটি আম্ব্রেলা সংগঠন। পরিবহনের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শাখা বা অনুসারী সংগঠন থাকতে পারে, তবে চাঁদাবাজি বা যেকোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় সংগঠন নেবে না। সড়কের রাজনীতি বা প্রশাসনের কিছু অভ্যন্তরীণ জটিলতার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ অপকর্ম করতে পারে। তবে আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
ঢাকা স্ট্রিম: পরিশেষে, আসন্ন মে দিবস উপলক্ষে দেশের এবং দেশের বাইরের কোটি কোটি শ্রমিকের প্রতি আপনার বার্তা কী?
আনোয়ার হোসেন: শ্রমিকদের প্রতি আমার একটাই বার্তা—ঐক্যবদ্ধ হোন। অধিকার কেউ হাতে তুলে দেবে না, অধিকার আদায় করে নিতে হয়। মহান মে দিবস আমাদের সেই সাহস ও প্রেরণা জোগায়। আমরা আপনাদের নিরাপদ কর্মস্থল, ন্যায্য মজুরি এবং সামাজিক মর্যাদার লড়াইয়ে অতীতেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। ইনশাআল্লাহ, শ্রমিকের বিজয় নিশ্চিত।
ঢাকা স্ট্রিম: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আনোয়ার হোসেন: ধন্যবাদ ঢাকা স্ট্রিমকেও।

মে দিবস এলেই মনে গুঞ্জরিত হয় এক অদ্ভুত সুর। হেমাঙ্গ বিশ্বাসের কণ্ঠে সেই কালজয়ী গান– জন হেনরি। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার পাহাড় কাঁপিয়ে হাতুড়ি চালানো ‘কালো নিগার’ জন হেনরি। যার সামনে বাষ্পচালিত ড্রিল মেশিন, পেছনে দাঁড়িয়ে তার কচি ফুল মেয়েটি। মাঝখানে এক অদৃশ্য প্রশ্ন– হেনরির পেশি আর হাতুড়ি টিকবে, না মেশিন?
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রাজনীতিতে মাঝেমধ্যে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল একটি বক্তব্য নয়—বরং সময়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। ৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য তেমনই এক মুহূর্ত। এটি শুধু বিরোধী দলের সমালোচনা ছিল না। এটি ছিল রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা, অতীতের ভুল এবং ভবিষ্যতের পথ—এই তিনের একত্রে বিশ্লেষণ।
১৪ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষত হাওরাঞ্চলে যে ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢল নেমে এসেছে, তা আবারও আমাদের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও হাওর ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। প্রতি বছরই বোরো মৌসুমের শেষ দিকে এসে হাওরের কৃষকদের আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। এ বছর হাওরের কৃষকরা প্রায়
১৭ ঘণ্টা আগে
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র কেবল সীমানা পরিবর্তনের সাক্ষী নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্যের ধমনি হিসেবে পরিচিত সমুদ্রপথগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েও এক ভয়াবহ লড়াই শুরু হয়েছে। এই সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, যা এখন কেবল ক্ষেপণাস্ত্রের লড়াইয়ে সীমাবদ
১৯ ঘণ্টা আগে