মিজানুর রহমান শেলী স্বরণে
লেখা:

১২ আগস্ট ২০১৯, সোমবার। এদেশের মানুষ তথা ইছাপুর-কুসুমপুরবাসীর জন্য শোকাবহ দিন। এদিন আমরা হারিয়েছি এক মহান ব্যক্তিত্বকে। প্রখ্যাত লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও সাবেক মন্ত্রী আমাদের প্রিয় শেলী দাদা এই দিনে আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তাঁর এই চিরবিদায় আমাদের মনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে, তবে তাঁর স্মৃতি আমাদের মনিকোঠায় চিরভাস্বর ও অম্লান হয়ে আছে।
শেলী দাদা (মিজানুর রহমান শেলী) ছিলেন অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর হাস্যোজ্জ্বল মুখখানি আর মিষ্টি ব্যবহার অনায়াসেই যে কারও হৃদয় জয় করে নিত। তিনি ছিলেন আমাদের প্রেরণার অফুরন্ত উৎস। জীবনকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক ও নিবিড় দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতেন এবং নিজের মহান ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যদেরও আলোকিত করতেন। তাঁর স্নেহ, ভালোবাসা আর নির্ভরতার আশ্রয়ে আমাদের অনেকেরই জীবন গঠিত হয়েছে। পরিবারের সকল ভাই-বোনসহ চারপাশের সবাইকে তিনি গভীর মমতায় একই বৃত্তে গেঁথে রেখেছিলেন।
আজ অবসরে বারবার তাঁর কথাই মনে পড়ে। তীব্র শূন্যতা আমাকে পিছু ডাকে। মনের অজান্তেই বেজে ওঠে একটি গানের কলি— ‘আমার জীবনের এত হাসি এত খুশি কোথায় গেল...’। তাঁর সাথে কাটানো সুখ-দুঃখের স্মৃতিগুলো আজও আমাকে তাড়িত করে। ৬২, গ্রিন রোডের যে বাড়িটি তাঁর পদচারণায় মুখরিত থাকত, সেটিকে চিরদিনের মতো বিদায় জানিয়ে তিনি চলে গেছেন। প্রখ্যাত সাহিত্যিক যাযাবরের কথার সূত্র ধরে বলতে হয়, শেলী দাদা ছিলেন ঠিক তেমনি এক মানুষ, যাঁর সহজ-সরল আচরণের মাঝেই লুকিয়ে ছিল দুর্লভ আভিজাত্য ও আত্মমর্যাদাবোধ। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের আবেদন আমাদের কাছে অতুলনীয়।
পৃথিবীর সব কর্মকোলাহল আর জীবনের সংগ্রাম শেষে তিনি আজ নিভৃত নিকুঞ্জের শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন। আজিমপুর নতুন গোরস্থানে— বাবা, সুফিয়া রহমান এবং রুশো ভাইয়ের পাশেই তাঁর চিরনিদ্রার স্থান। শিশিরস্নাত সকাল, নিঝুম দুপুর, সোনালি বিকেল কিংবা মৃদু জ্যোৎস্নায় আজও যেন তাঁর উপস্থিতি আগরবাতির সৌরভের মতো আমাদের মাঝে ভেসে আসে।
কবিগুরুর ভাষায় তাই বলতে হয়— “যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে...” শেলী দাদা তাঁর ভালোবাসার পদচিহ্ন আমাদের হৃদয়ে রেখে সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে গেছেন। তাঁর অভাব কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। এই পৃথিবীতে তিনি আর ফিরে আসবেন না, তবে ওপারে যখন আমাদেরও যেতে হবে, তখন হয়তো তাঁর বিচিত্র অভিযাত্রার সাথে আবারও আমাদের দেখা হবে।
তাঁর কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি আমাদের চলার পথের পাথেয় হয়ে থাকুক।

১২ আগস্ট ২০১৯, সোমবার। এদেশের মানুষ তথা ইছাপুর-কুসুমপুরবাসীর জন্য শোকাবহ দিন। এদিন আমরা হারিয়েছি এক মহান ব্যক্তিত্বকে। প্রখ্যাত লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও সাবেক মন্ত্রী আমাদের প্রিয় শেলী দাদা এই দিনে আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তাঁর এই চিরবিদায় আমাদের মনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে, তবে তাঁর স্মৃতি আমাদের মনিকোঠায় চিরভাস্বর ও অম্লান হয়ে আছে।
শেলী দাদা (মিজানুর রহমান শেলী) ছিলেন অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর হাস্যোজ্জ্বল মুখখানি আর মিষ্টি ব্যবহার অনায়াসেই যে কারও হৃদয় জয় করে নিত। তিনি ছিলেন আমাদের প্রেরণার অফুরন্ত উৎস। জীবনকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক ও নিবিড় দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতেন এবং নিজের মহান ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যদেরও আলোকিত করতেন। তাঁর স্নেহ, ভালোবাসা আর নির্ভরতার আশ্রয়ে আমাদের অনেকেরই জীবন গঠিত হয়েছে। পরিবারের সকল ভাই-বোনসহ চারপাশের সবাইকে তিনি গভীর মমতায় একই বৃত্তে গেঁথে রেখেছিলেন।
আজ অবসরে বারবার তাঁর কথাই মনে পড়ে। তীব্র শূন্যতা আমাকে পিছু ডাকে। মনের অজান্তেই বেজে ওঠে একটি গানের কলি— ‘আমার জীবনের এত হাসি এত খুশি কোথায় গেল...’। তাঁর সাথে কাটানো সুখ-দুঃখের স্মৃতিগুলো আজও আমাকে তাড়িত করে। ৬২, গ্রিন রোডের যে বাড়িটি তাঁর পদচারণায় মুখরিত থাকত, সেটিকে চিরদিনের মতো বিদায় জানিয়ে তিনি চলে গেছেন। প্রখ্যাত সাহিত্যিক যাযাবরের কথার সূত্র ধরে বলতে হয়, শেলী দাদা ছিলেন ঠিক তেমনি এক মানুষ, যাঁর সহজ-সরল আচরণের মাঝেই লুকিয়ে ছিল দুর্লভ আভিজাত্য ও আত্মমর্যাদাবোধ। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের আবেদন আমাদের কাছে অতুলনীয়।
পৃথিবীর সব কর্মকোলাহল আর জীবনের সংগ্রাম শেষে তিনি আজ নিভৃত নিকুঞ্জের শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন। আজিমপুর নতুন গোরস্থানে— বাবা, সুফিয়া রহমান এবং রুশো ভাইয়ের পাশেই তাঁর চিরনিদ্রার স্থান। শিশিরস্নাত সকাল, নিঝুম দুপুর, সোনালি বিকেল কিংবা মৃদু জ্যোৎস্নায় আজও যেন তাঁর উপস্থিতি আগরবাতির সৌরভের মতো আমাদের মাঝে ভেসে আসে।
কবিগুরুর ভাষায় তাই বলতে হয়— “যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে...” শেলী দাদা তাঁর ভালোবাসার পদচিহ্ন আমাদের হৃদয়ে রেখে সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে গেছেন। তাঁর অভাব কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। এই পৃথিবীতে তিনি আর ফিরে আসবেন না, তবে ওপারে যখন আমাদেরও যেতে হবে, তখন হয়তো তাঁর বিচিত্র অভিযাত্রার সাথে আবারও আমাদের দেখা হবে।
তাঁর কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি আমাদের চলার পথের পাথেয় হয়ে থাকুক।
.png)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক তৎপরতা এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরের ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ নয়, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে আলাদা দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও পেয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস তার পরবর্তী অগ্রযাত্রা নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। তবে এবার আরও বেশি অর্থায়ন জোগাড়ে নয়; বিশ্ব কীভাবে সম্পদ, স্থিতিস্থাপকতা ও অগ্রগতিকে মূল্যায়ন করবে, তার মধ্য দিয়ে ব্রিকস সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
৫ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতা সম্ভবত এখন বাস্তবতার সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের তৃতীয় যুগে প্রবেশ করেছে। একসময় মানুষ কেবল বাস্তবকে প্রত্যক্ষ করত, যাপন করত। পরে শিখল সেই বাস্তবকে ক্যামেরায় ধারণ করতে। আর এখন জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে ভৌত অস্তিত্বহীন ব্যাপারকে বাস্তবের মতো নতুন মানুষ, দৃশ্য ও ঘট
৬ ঘণ্টা আগে
এই মুহূর্তে আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আস্থার সংকট। এই সংকটকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক। দেশীয় আস্থার সংকট মূলত বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কাজ করছে। অন্যদিকে সরকারের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা এখনো সন্দিহান।
৬ ঘণ্টা আগে