বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করে সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার শর্ত দিয়েই তারা সনদে সই করেছে।
সালেহ ফুয়াদ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে সই করছে কিনা — এ নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। দলটি বলেছিল, বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত না হয়ে তারা সনদে সই করবে না। শেষ পর্যন্ত গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দলটি উপস্থিত হয় এবং সনদে সইও করে। দলটি জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করে সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার শর্ত দিয়েই তারা সনদে সই করেছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শনিবার দুপুরে স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমাদের দাবি হলো, জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোটের আয়োজন করা। আমরা এই শর্তে স্বাক্ষর দিয়েছি যে, গণভোটের আয়োজন করে আইনি ভিত্তি দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। আমরা বলেছি, নভেম্বরেই গণভোট করতে হবে। এই শর্তেই স্বাক্ষর করেছে জামায়াত।’ তবে শর্তের বিষয়টি মৌখিক বলে জানান তিনি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট চায় বিএনপিসহ আরো কয়েকটি দল। অন্যদিকে নির্বাচনের আগে নভেম্বরে গণভোটের দাবি জানিয়ে যুগপৎ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতসহ সাতটি দল। এই দাবিতে গত ১৫ ও ১৬ অক্টোবর রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা শহরগুলোতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলামী পার্টি ও রাশেদ প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।

শুক্রবার এর মধ্যে দুটি ছাড়া অন্য দলগুলো সনদে সই করেছে। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও রাশেদ প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিকে (জাগপা) ঐকমত্য কমিশনে কোনো আলোচনায়ও ডাকা হয়নি। জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে ফোনে জানান, যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী অন্য ছয়টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই সনদে সই করার ব্যাপারে একমত হয় জামায়াত। তিনি বলেন, সরকার শর্ত না মানলে ‘দাবি আদায় করেই আমরা নির্বাচনে যাবো ইনশাআল্লাহ।’
এদিকে, সাত দলের সঙ্গে আন্দোলনে না থাকলেও জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না থাকায় তারা সনদে সই করেনি। তাদের মতে, জুলাই সনদ কার্যকর করতে হলে প্রধান উপদেষ্টাকে একটি বিশেষ সংবিধান আদেশ জারি করতে হবে, যার ভিত্তিতে গণভোট হবে এবং পরবর্তী সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা দেওয়া হবে।
শুক্রবার সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জামায়াতের যাওয়া না যাওয়া নিয়েও সংশয় ছিল। বিভিন্ন সময় দলটির শীর্ষ নেতারা বলেছেন, আইনি ভিত্তি দেওয়ার আগে তারা সনদে সই করবেন না। শুক্রবার সকালেও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ স্ট্রিমকে জানান, স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জামায়াত যাবে, তবে বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত না হয়ে তারা সনদে সই করবে না। পরে জামায়াত সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায় ও সইও করে। ওই অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষে অন্যদের সঙ্গে হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়েরও উপস্থিত ছিলেন।
আজ শনিবার এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখন এটা একটা দলিল হলো মাত্র, আইনি ভিত্তি দিতে হলে গণভোট ছাড়া উপায় নেই, এটা যেন নভেম্বরের মধ্যে হয় আমরা সেই শর্ত দিয়েছি।’ জুলাই সনদ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কাজ শেষ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়গুলো এখন অন্তর্বর্তী সরকারের কোর্টে।’

অন্যদিকে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হলেও তাতে সংকট থেকে গেছে। পাশাপাশি এটি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াতের সন্দেহ আছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা বলেছি, আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তি যদি না দেন, তাহলে এই সনদটা, বিপ্লবের স্পিরিট, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য যে সংস্কার, সেই উদ্দেশ্যটা ব্যাহত হবে এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এ জন্য আমরা আইনি ভিত্তির জন্য আগেও বলেছি, একটা আদেশ জারি করতে হবে এবং গণভোটের মাধ্যমে এটা টেকসই করতে হবে।’
আন্দোলন চালিয়ে যাবে ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস
জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন ও মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও। দল দুটি স্ট্রিমকে জানিয়েছে, সনদে স্বাক্ষর করলেও আইনি ভিত্তি ও জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে দল দুটি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজন করতে হবে।’ এই দাবিতে তাঁর দল রাজপথে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনও গতকাল সনদে সই করেছে। দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, গতকালের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁরা সনদ স্বাক্ষরের বিষয়টি শেষ করতে চেয়েছেন। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারাও আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে সই করছে কিনা — এ নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। দলটি বলেছিল, বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত না হয়ে তারা সনদে সই করবে না। শেষ পর্যন্ত গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দলটি উপস্থিত হয় এবং সনদে সইও করে। দলটি জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করে সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার শর্ত দিয়েই তারা সনদে সই করেছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শনিবার দুপুরে স্ট্রিমকে বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমাদের দাবি হলো, জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোটের আয়োজন করা। আমরা এই শর্তে স্বাক্ষর দিয়েছি যে, গণভোটের আয়োজন করে আইনি ভিত্তি দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। আমরা বলেছি, নভেম্বরেই গণভোট করতে হবে। এই শর্তেই স্বাক্ষর করেছে জামায়াত।’ তবে শর্তের বিষয়টি মৌখিক বলে জানান তিনি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট চায় বিএনপিসহ আরো কয়েকটি দল। অন্যদিকে নির্বাচনের আগে নভেম্বরে গণভোটের দাবি জানিয়ে যুগপৎ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতসহ সাতটি দল। এই দাবিতে গত ১৫ ও ১৬ অক্টোবর রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা শহরগুলোতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলামী পার্টি ও রাশেদ প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।

শুক্রবার এর মধ্যে দুটি ছাড়া অন্য দলগুলো সনদে সই করেছে। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও রাশেদ প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিকে (জাগপা) ঐকমত্য কমিশনে কোনো আলোচনায়ও ডাকা হয়নি। জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে ফোনে জানান, যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী অন্য ছয়টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই সনদে সই করার ব্যাপারে একমত হয় জামায়াত। তিনি বলেন, সরকার শর্ত না মানলে ‘দাবি আদায় করেই আমরা নির্বাচনে যাবো ইনশাআল্লাহ।’
এদিকে, সাত দলের সঙ্গে আন্দোলনে না থাকলেও জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না থাকায় তারা সনদে সই করেনি। তাদের মতে, জুলাই সনদ কার্যকর করতে হলে প্রধান উপদেষ্টাকে একটি বিশেষ সংবিধান আদেশ জারি করতে হবে, যার ভিত্তিতে গণভোট হবে এবং পরবর্তী সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা দেওয়া হবে।
শুক্রবার সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জামায়াতের যাওয়া না যাওয়া নিয়েও সংশয় ছিল। বিভিন্ন সময় দলটির শীর্ষ নেতারা বলেছেন, আইনি ভিত্তি দেওয়ার আগে তারা সনদে সই করবেন না। শুক্রবার সকালেও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ স্ট্রিমকে জানান, স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জামায়াত যাবে, তবে বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত না হয়ে তারা সনদে সই করবে না। পরে জামায়াত সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায় ও সইও করে। ওই অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষে অন্যদের সঙ্গে হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়েরও উপস্থিত ছিলেন।
আজ শনিবার এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখন এটা একটা দলিল হলো মাত্র, আইনি ভিত্তি দিতে হলে গণভোট ছাড়া উপায় নেই, এটা যেন নভেম্বরের মধ্যে হয় আমরা সেই শর্ত দিয়েছি।’ জুলাই সনদ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কাজ শেষ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়গুলো এখন অন্তর্বর্তী সরকারের কোর্টে।’

অন্যদিকে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হলেও তাতে সংকট থেকে গেছে। পাশাপাশি এটি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াতের সন্দেহ আছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা বলেছি, আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তি যদি না দেন, তাহলে এই সনদটা, বিপ্লবের স্পিরিট, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য যে সংস্কার, সেই উদ্দেশ্যটা ব্যাহত হবে এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এ জন্য আমরা আইনি ভিত্তির জন্য আগেও বলেছি, একটা আদেশ জারি করতে হবে এবং গণভোটের মাধ্যমে এটা টেকসই করতে হবে।’
আন্দোলন চালিয়ে যাবে ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস
জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন ও মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও। দল দুটি স্ট্রিমকে জানিয়েছে, সনদে স্বাক্ষর করলেও আইনি ভিত্তি ও জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে দল দুটি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজন করতে হবে।’ এই দাবিতে তাঁর দল রাজপথে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনও গতকাল সনদে সই করেছে। দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, গতকালের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁরা সনদ স্বাক্ষরের বিষয়টি শেষ করতে চেয়েছেন। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারাও আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বিএনপি নতুন ফ্যাসিবাদ হওয়ার চেষ্টা করলে আবারও এদেশের ছাত্র-জনতা বিএনপির পুরাতন ঠিকানা লন্ডন পালিয়ে যেতে বাধ্য করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছে। প্রতীক বরাদ্দের পর দলটির প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও, কিছু আসনে শরিকদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করছেন। শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ শরিক ১০ দলের তৃণমূল বাগে না আসলে ‘শাপলা কলি’ চ্যালেঞ্জে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
২ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বীর শহীদ ইশমামের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী পদযাত্রা।
২ ঘণ্টা আগে