ছাত্রদলের জরুরি বৈঠক, ঢাবি সাংবাদিক সমিতির কাছে দুঃখপ্রকাশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ৫৭
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সংগৃহীত ছবি

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহিংসতা, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা এবং ‘গুপ্ত রাজনীতি’র অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি জরুরি সাংগঠনিক সভা করেছে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ। সভায় ঢাকা ও ঢাকার বাইরের গুরুত্বপূর্ণ ২৬টি ইউনিটের নেতারা অংশ নেন। বৈঠক শেষে গতকাল শাহবাগ থানায় ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর হামলায় দুঃখপ্রকাশ করেন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ক্যাফেটেরিয়ায় জরুরি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভূত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের শীর্ষ নেতাদের আগামীতে কীভাবে ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করতে পারি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কীভাবে পরিচালিত করবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শাহবাগের গতকাল যে ঘটনাটি ঘটেছে, সে ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আজকের এই জরুরি সাংগঠনিক সভা থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। একই সঙ্গে আপনাদের মাধ্যমে সাংবাদিক সমিতির কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি।’

এ সময় সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘গতকাল শাহবাগের ঘটনার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের কয়েকজনের গলায় আইডি কার্ড না থাকায় শনাক্ত করতে সমস্যা হয়েছে। কিংবা এক-দুজনকে ইচ্ছেকৃতভাবে হামলা করা হতে পারে, এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত কমিটি করেছি। আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা চেষ্টা করব সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার।’

এ সময় ছাত্রদল সভাপতি ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তারা যেন “গুপ্ত রাজনীতি” পরিহার করে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রমে আসে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।’

ছাত্রদলের দাবি, তারা ক্যাম্পাসে ‘সম্প্রীতিমূলক পরিবেশ’ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো ধরনের হল দখল, জোরপূর্বক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ বা শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হয়নি।

সম্পর্কিত