এখন চিত্রটা একেবারেই আলাদা। বাজারে পাওয়া যায় লাচ্ছা, চিকন, ভাজা, শাহীসহ নানা ধরনের সেমাই। এমনকি ইনস্ট্যান্ট সেমাইও আছে, যেটা খুব অল্প সময়েই রান্না করা যায়। ফলে ব্যস্ততার মধ্যেও সহজে ঈদের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে।
স্ট্রিম ডেস্ক

বহু যুগ ধরে উপমহাদেশে ঈদের সকাল মানেই সেমাইয়ের মিষ্টি স্বাদ। নামাজ শেষে ঘরে ফিরে প্রথম যে খাবারটি সামনে আসে, তা হলো সেমাই। তবে সময় বদলেছে, আর সেই সঙ্গে বদলেছে সেমাইয়ের ধরন, বানানোর পদ্ধতি আর পরিবেশনের ধরণও। আগে ছিল ঘরে তৈরি সাদামাটা সেমাই। এখন সেই জায়গায় এসেছে নানা ধরনের ফিউশন সেমাই। ফলে ঈদের টেবিলে যুক্ত হয়েছে বৈচিত্র্য ও নতুন স্বাদ।
আগের দিনে সেমাই বলতে মূলত দেশি বা হাতে বানানো সেমাইকেই বোঝানো হতো। বিশেষ করে গ্রামবাংলায় ঈদের আগে অনেক পরিবার নিজেরাই সেমাই তৈরি করতেন। ময়দা দিয়ে খামির বানিয়ে সেটাকে পাতলা করে বেলে লম্বা করে কেটে নেওয়া হতো। এরপর রোদে শুকিয়ে রেখে সংরক্ষণ করা হতো। এই পুরো প্রক্রিয়াটা ছিল সময়সাপেক্ষ, কিন্তু সেই সেমাইয়ের স্বাদ আর ঘ্রাণ ছিল একেবারেই আলাদা। এক ধরনের ঘরোয়া ভালোবাসা মিশে থাকত তাতে। তখন বাজারে সেমাইয়ের খুব বেশি ধরনের ভিন্নতা ছিল না।

এখন চিত্রটা একেবারেই আলাদা। বাজারে পাওয়া যায় লাচ্ছা, চিকন, ভাজা, শাহীসহ নানা ধরনের সেমাই। এমনকি ইনস্ট্যান্ট সেমাইও আছে, যেটা খুব অল্প সময়েই রান্না করা যায়। ফলে ব্যস্ততার মধ্যেও সহজে ঈদের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে।
আগে ঈদের সকালে ঘরে ঘরে মূলত দুই ধরনের সেমাই রান্না করা হতো–দুধ সেমাই আর লাচ্ছা সেমাই। দুধ, চিনি, এলাচ, কিশমিশ ও বাদাম দিয়ে তৈরি এই সেমাই ছিল পরিবারের সবার প্রিয়। অনেক জায়গায় আবার গুঁড়ের সেমাইও জনপ্রিয় ছিল।
বর্তমানে এই ঐতিহ্যবাহী পদগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ফিউশন। এখন কাস্টার্ড সেমাই, সেমাই পুডিং, চকলেট সেমাই, ফিরনি স্টাইল সেমাই, নবাবী বা শাহী সেমাই, কুনাফা কিংবা সেমাইয়ের বরফির মতো নানা রকম পদ তৈরি হচ্ছে। এগুলোর অনেকটাই এসেছে পশ্চিমা ডেজার্টের প্রভাব থেকে।
গত দুই-তিন দশকে হোটেল-রেস্টুরেন্ট, টেলিভিশনের কুকিং শো আর সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এসব রেসিপি খুব সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। ফলে এখন ঈদ মানেই অনেকের কাছে নতুন কিছু ট্রাই করার সুযোগ। বিশেষ করে বাসার নারীরা ঈদের জন্য আলাদা করে নতুন নতুন রেসিপি বানাতে ভালোবাসেন, যাতে প্রিয়জনদের একটু ভিন্ন স্বাদে আপ্যায়ন করা যায়।
শুধু স্বাদের দিকেই নয়, পরিবেশনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন অনেকেই সেমাইকে শুধু রান্না করেই থেমে থাকেন না, বরং সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করেন। কখনো লেয়ার করে, কখনো বাদাম বা ফল দিয়ে সাজিয়ে। এতে খাবারটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
এ ছাড়া এখন একটি নতুন প্রবণতাও দেখা যায়, ঈদের রান্না শেষ হলে সেই খাবারের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা। বিশেষ করে ফেসবুকে নিজের বানানো সেমাইয়ের ছবি পোস্ট করা অনেকের কাছেই এখন ঈদের আনন্দের অংশ। এতে কেউ প্রশংসা করেন, কেউ আবার সেই রেসিপি অনুসরণ করে নিজেও বানানোর চেষ্টা করেন।
সময় বদলেছে, বদলেছে রান্নার ধরনও। কিন্তু সেমাইয়ের সঙ্গে ঈদের যে আবেগ জড়িয়ে আছে, তা একটুও বদলায়নি। আগে যেমন পরিবারের সবাই মিলে সেমাই বানানো, রান্না করা আর খাওয়ার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পেতেন, আজও সেই আনন্দ আছে। শুধু তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন স্বাদ, নতুন রূপ।
ঈদের সকালে অতিথি আপ্যায়ন, আত্মীয়স্বজনের মিলনমেলা এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে মিষ্টি কিছু ভাগ করে নেওয়ার যে আনন্দ—তারই প্রতীক হয়ে আছে সেমাই। অতীতের সেই সাদামাটা ঐতিহ্য আর বর্তমানের নতুন ফিউশনের মেলবন্ধনেই সেমাই আজও বাঙালির ঘরে ঘরে ঈদের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে আছে। একদিকে স্মৃতি, অন্যদিকে নতুন স্বাদের আবিষ্কার।

বহু যুগ ধরে উপমহাদেশে ঈদের সকাল মানেই সেমাইয়ের মিষ্টি স্বাদ। নামাজ শেষে ঘরে ফিরে প্রথম যে খাবারটি সামনে আসে, তা হলো সেমাই। তবে সময় বদলেছে, আর সেই সঙ্গে বদলেছে সেমাইয়ের ধরন, বানানোর পদ্ধতি আর পরিবেশনের ধরণও। আগে ছিল ঘরে তৈরি সাদামাটা সেমাই। এখন সেই জায়গায় এসেছে নানা ধরনের ফিউশন সেমাই। ফলে ঈদের টেবিলে যুক্ত হয়েছে বৈচিত্র্য ও নতুন স্বাদ।
আগের দিনে সেমাই বলতে মূলত দেশি বা হাতে বানানো সেমাইকেই বোঝানো হতো। বিশেষ করে গ্রামবাংলায় ঈদের আগে অনেক পরিবার নিজেরাই সেমাই তৈরি করতেন। ময়দা দিয়ে খামির বানিয়ে সেটাকে পাতলা করে বেলে লম্বা করে কেটে নেওয়া হতো। এরপর রোদে শুকিয়ে রেখে সংরক্ষণ করা হতো। এই পুরো প্রক্রিয়াটা ছিল সময়সাপেক্ষ, কিন্তু সেই সেমাইয়ের স্বাদ আর ঘ্রাণ ছিল একেবারেই আলাদা। এক ধরনের ঘরোয়া ভালোবাসা মিশে থাকত তাতে। তখন বাজারে সেমাইয়ের খুব বেশি ধরনের ভিন্নতা ছিল না।

এখন চিত্রটা একেবারেই আলাদা। বাজারে পাওয়া যায় লাচ্ছা, চিকন, ভাজা, শাহীসহ নানা ধরনের সেমাই। এমনকি ইনস্ট্যান্ট সেমাইও আছে, যেটা খুব অল্প সময়েই রান্না করা যায়। ফলে ব্যস্ততার মধ্যেও সহজে ঈদের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে।
আগে ঈদের সকালে ঘরে ঘরে মূলত দুই ধরনের সেমাই রান্না করা হতো–দুধ সেমাই আর লাচ্ছা সেমাই। দুধ, চিনি, এলাচ, কিশমিশ ও বাদাম দিয়ে তৈরি এই সেমাই ছিল পরিবারের সবার প্রিয়। অনেক জায়গায় আবার গুঁড়ের সেমাইও জনপ্রিয় ছিল।
বর্তমানে এই ঐতিহ্যবাহী পদগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ফিউশন। এখন কাস্টার্ড সেমাই, সেমাই পুডিং, চকলেট সেমাই, ফিরনি স্টাইল সেমাই, নবাবী বা শাহী সেমাই, কুনাফা কিংবা সেমাইয়ের বরফির মতো নানা রকম পদ তৈরি হচ্ছে। এগুলোর অনেকটাই এসেছে পশ্চিমা ডেজার্টের প্রভাব থেকে।
গত দুই-তিন দশকে হোটেল-রেস্টুরেন্ট, টেলিভিশনের কুকিং শো আর সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এসব রেসিপি খুব সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। ফলে এখন ঈদ মানেই অনেকের কাছে নতুন কিছু ট্রাই করার সুযোগ। বিশেষ করে বাসার নারীরা ঈদের জন্য আলাদা করে নতুন নতুন রেসিপি বানাতে ভালোবাসেন, যাতে প্রিয়জনদের একটু ভিন্ন স্বাদে আপ্যায়ন করা যায়।
শুধু স্বাদের দিকেই নয়, পরিবেশনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন অনেকেই সেমাইকে শুধু রান্না করেই থেমে থাকেন না, বরং সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করেন। কখনো লেয়ার করে, কখনো বাদাম বা ফল দিয়ে সাজিয়ে। এতে খাবারটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
এ ছাড়া এখন একটি নতুন প্রবণতাও দেখা যায়, ঈদের রান্না শেষ হলে সেই খাবারের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা। বিশেষ করে ফেসবুকে নিজের বানানো সেমাইয়ের ছবি পোস্ট করা অনেকের কাছেই এখন ঈদের আনন্দের অংশ। এতে কেউ প্রশংসা করেন, কেউ আবার সেই রেসিপি অনুসরণ করে নিজেও বানানোর চেষ্টা করেন।
সময় বদলেছে, বদলেছে রান্নার ধরনও। কিন্তু সেমাইয়ের সঙ্গে ঈদের যে আবেগ জড়িয়ে আছে, তা একটুও বদলায়নি। আগে যেমন পরিবারের সবাই মিলে সেমাই বানানো, রান্না করা আর খাওয়ার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পেতেন, আজও সেই আনন্দ আছে। শুধু তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন স্বাদ, নতুন রূপ।
ঈদের সকালে অতিথি আপ্যায়ন, আত্মীয়স্বজনের মিলনমেলা এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে মিষ্টি কিছু ভাগ করে নেওয়ার যে আনন্দ—তারই প্রতীক হয়ে আছে সেমাই। অতীতের সেই সাদামাটা ঐতিহ্য আর বর্তমানের নতুন ফিউশনের মেলবন্ধনেই সেমাই আজও বাঙালির ঘরে ঘরে ঈদের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে আছে। একদিকে স্মৃতি, অন্যদিকে নতুন স্বাদের আবিষ্কার।

দর্জিদের অনেকেই বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ বেশি। এর বড় কারণ বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঈদে সেমাই খাওয়ার প্রচলন কি আগে থেকেই ছিল? এই মিষ্টি খাবারটি কোথা থেকে এল এবং কীভাবে বাংলাদেশে ঈদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠল?
১ দিন আগে
ঢাকার আশেপাশেই এমন অনেক সুন্দর জায়গা আছে, যেখানে সকালে গিয়ে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায়।
১ দিন আগে
ঈদের সকালে অনেকের ঘুম ভাঙে বাবার পাঞ্জাবিতে দেওয়া আতরের গন্ধে। নতুন পাঞ্জাবি পরে, আতর মেখে ঈদের নামাজে যান পরিবারের পুরুষ সদস্যরা। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, সবার গায়েই থাকে এই পরিচিত পোশাকটি।
২ দিন আগে