স্ট্রিম প্রতিবেদক

সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেওয়ায় সরকারের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এই প্রক্রিয়া একটি ঘৃণ্য কাজ এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর সরকারের নগ্ন আঘাত।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর জনগণের স্বাভাবিক প্রত্যাশা ছিল শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সরকার সেই পথে না হেঁটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ৬টি এবং ১৪ মার্চ আরও ৫টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। নিয়োগ পাওয়া সবাই বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাদের অনেকেই সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছেন।
উদাহরণ টেনে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘যেমন শফিকুল ইসলাম মিল্টন ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছেন। তাঁকে ঢাকা সিটির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। খুলনায় নিয়োগ পাওয়া নজরুল ইসলাম মঞ্জুও একটি আসনে নির্বাচন করে হেরেছেন। নির্বাচনে হার-জিত আছেই। আমরা কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে কথা বলছি না। কিন্তু এর মাধ্যমে সরকার মূলত গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর আঘাত হেনেছে।’
তিনি আরও বলেন, সরকার তড়িঘড়ি করে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগ না দিয়ে নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে পারত। ১১টি সিটি করপোরেশনে সরকারের এই একপাক্ষিক নিয়োগ জনগণের মতামত ও জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘গত ১৫ মার্চ সরকার ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আপনারা জানেন, জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী সাতটি জেলায় নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে এবং আরও ছয়টি জেলায় একটি বাদে বাকি সব আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু সরকার ৪২টি জেলাতেই নিজেদের দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে। এই ব্যক্তিরা সরাসরি দলীয় না হয়ে বিশিষ্ট কেউ হলে ভিন্নভাবে চিন্তা করা যেতো। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা বিপুল ভোটে হেরেছেন, তাদেরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মনে করেন, দেশে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই প্রশাসন পরিচালিত হওয়া উচিত। কিন্তু সরকার নিজেদের দলীয় সুবিধার্থে আগে থেকেই প্রশাসনে দলীয় লোকদের বসিয়ে রাখছে, যা মাঠে ভিন্ন একটি পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য একটি ঘৃণ্য অপচেষ্টা।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘আমরা গতকাল দেখেছি দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। ইউজিসির চেয়ারম্যানকেও পরিবর্তন করা হয়েছে। যাদের পরিবর্তন করা হয়েছে, তাদের কোনো যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে সেটি মেনে নেওয়া যেত। অন্তর্বর্তী সরকার অনেক যাচাই-বাছাই করেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওই নিয়োগ দিয়েছিল। সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন আসতে পারে, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তাদের পদত্যাগ করিয়ে কেন দলীয় লোক বসাতে হবে? তাও এমন ব্যক্তিদের, যারা গত নির্বাচনে পোস্টার টাঙিয়ে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে, এই নিয়োগ দিয়ে কেবল দলান্ধদের খুশি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেওয়ায় সরকারের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এই প্রক্রিয়া একটি ঘৃণ্য কাজ এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর সরকারের নগ্ন আঘাত।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর জনগণের স্বাভাবিক প্রত্যাশা ছিল শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সরকার সেই পথে না হেঁটে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ৬টি এবং ১৪ মার্চ আরও ৫টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। নিয়োগ পাওয়া সবাই বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাদের অনেকেই সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছেন।
উদাহরণ টেনে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘যেমন শফিকুল ইসলাম মিল্টন ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছেন। তাঁকে ঢাকা সিটির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। খুলনায় নিয়োগ পাওয়া নজরুল ইসলাম মঞ্জুও একটি আসনে নির্বাচন করে হেরেছেন। নির্বাচনে হার-জিত আছেই। আমরা কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে কথা বলছি না। কিন্তু এর মাধ্যমে সরকার মূলত গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর আঘাত হেনেছে।’
তিনি আরও বলেন, সরকার তড়িঘড়ি করে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগ না দিয়ে নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে পারত। ১১টি সিটি করপোরেশনে সরকারের এই একপাক্ষিক নিয়োগ জনগণের মতামত ও জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘গত ১৫ মার্চ সরকার ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আপনারা জানেন, জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী সাতটি জেলায় নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে এবং আরও ছয়টি জেলায় একটি বাদে বাকি সব আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু সরকার ৪২টি জেলাতেই নিজেদের দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে। এই ব্যক্তিরা সরাসরি দলীয় না হয়ে বিশিষ্ট কেউ হলে ভিন্নভাবে চিন্তা করা যেতো। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা বিপুল ভোটে হেরেছেন, তাদেরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মনে করেন, দেশে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই প্রশাসন পরিচালিত হওয়া উচিত। কিন্তু সরকার নিজেদের দলীয় সুবিধার্থে আগে থেকেই প্রশাসনে দলীয় লোকদের বসিয়ে রাখছে, যা মাঠে ভিন্ন একটি পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য একটি ঘৃণ্য অপচেষ্টা।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘আমরা গতকাল দেখেছি দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। ইউজিসির চেয়ারম্যানকেও পরিবর্তন করা হয়েছে। যাদের পরিবর্তন করা হয়েছে, তাদের কোনো যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে সেটি মেনে নেওয়া যেত। অন্তর্বর্তী সরকার অনেক যাচাই-বাছাই করেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওই নিয়োগ দিয়েছিল। সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন আসতে পারে, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তাদের পদত্যাগ করিয়ে কেন দলীয় লোক বসাতে হবে? তাও এমন ব্যক্তিদের, যারা গত নির্বাচনে পোস্টার টাঙিয়ে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে, এই নিয়োগ দিয়ে কেবল দলান্ধদের খুশি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬