স্ট্রিম প্রতিবেদক

পূর্ণাঙ্গ সংস্কার আদায় পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ ও গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে তারা অতীত থেকে বিএনপিকে সবক নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) আসর নামাজের পরে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে প্রতিবাদী সমাবেশে এসব কথা বলেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের একই তফসিলের অধীনে দুটি নির্বাচন হয়েছে। জনগণ দুটি ভোট দিয়েছে। একটি জাতীয় সংসদ গঠনের; অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংস্কার বাস্তবায়নের। নির্বাচনের পরে ইসিই নির্বাচিতদের শপথপাঠের জন্য দুটি শপথনামা সরবরাহ করেছে। কিন্তু বিএনপি সুকৌশলে সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি।
বিএনপির এই অবস্থান গণভোটকে অবজ্ঞা ও জাতিকে অবমাননা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ সরকার বাদ দিয়ে সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশের কবর রচনা করেছে। এখন তারা পাঁয়তারা করছে সংস্কার না করে সংশোধনী বিল আনার। সংবিধান সংশোধন সংসদের একটি রুটিন কাজ। এটি করার জন্য জুলাই বিপ্লব বা গণভোট হয়নি।
সংস্কারকে এড়িয়ে আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাইলে ইতিহাস থেকে সবক নেওয়ার পরামর্শ দেন হামিদুর রহমান আযাদ। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে সবক নেন। সেই পরিণতি আপনাদেরও ভোগ করতে হবে। যতক্ষণ পূর্ণ সংস্কার আদায় না হবে ততক্ষণ আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
সংস্কার ও গণভোটের বিপক্ষে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, আপনারা (বিএনপি) বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ব্যক্তির করায়ত্তে রাখতে চান। গণভোট মেনে নিলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ স্বচ্ছ হবে, আপনাদের কর্তৃত্ব এককভাবে থাকবে না। গণভোট মানলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সম্মিলিতভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক একটা কাঠামো আসবে, আপনারা সেটা চান না।
বিএনপি মৌলিক কাঠামোর পরিবর্তন চায় না অভিযোগ করে বলেন, ‘সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও রাজপথে ৭০ ভাগ সমর্থনের বিপরীতে সরকার টিকে থাকতে পারবে না।’
নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপক্ষে বলার দুঃসাহস বিএনপির ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা মামুনুল হক। সমাবেশে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য জনসভায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে বাধ্য হয়েছেন। এ সময় ‘ওপরে এক, আরে তলে তলে আরেক কথা বলা বিএনপির অবস্থানকে মুনাফেকি বলেও মন্তব্য করেন মামুনুল হক।

অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব অধ্যাদেশ সরকারের আরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে সেগুলো বিএনপির পছন্দ আর যে অধ্যাদেশগুলো জবাবদিহিতা রক্ষা করে সেগুলো খুব অপছন্দ জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘বিএনপি আজ যে রাজনীতি করছে, তা সুবিধাবাদের রাজনীতি। বিএনপির দুটি নীতি আজ স্পষ্ট– মুনাফেকির রাজনীতি এবং সুবিধাবাদের রাজনীতি। গণরায়কে উপেক্ষা করলে বিএনপিকে রাজপথে মোকাবিলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছেন, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছেন। দেশের মানুষ কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। বিএনপি যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটি ফ্যাসিবাদের পথ। আমরা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। জনরায় মানতে বাধ্য করার আন্দোলন আমরা শুরু করলাম।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজপথের আন্দোলনে বাধ্য না করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লব একটি দলকে ক্ষমতাচ্যুত করে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না। জুলাই বিপ্লব ছিল পুরাতন ব্যবস্থাকে ছুঁড়ে ফেলা এবং নতুন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য। ১৬ বছর এক ব্যক্তির শাসন দেখা হয়েছে, মানুষ আর ওই ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না।
সমাবেশ শেষে ১১-দলের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে নাইটেঙ্গেল হয়ে কাকরাইল পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন।

পূর্ণাঙ্গ সংস্কার আদায় পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ ও গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে তারা অতীত থেকে বিএনপিকে সবক নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) আসর নামাজের পরে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে প্রতিবাদী সমাবেশে এসব কথা বলেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের একই তফসিলের অধীনে দুটি নির্বাচন হয়েছে। জনগণ দুটি ভোট দিয়েছে। একটি জাতীয় সংসদ গঠনের; অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংস্কার বাস্তবায়নের। নির্বাচনের পরে ইসিই নির্বাচিতদের শপথপাঠের জন্য দুটি শপথনামা সরবরাহ করেছে। কিন্তু বিএনপি সুকৌশলে সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি।
বিএনপির এই অবস্থান গণভোটকে অবজ্ঞা ও জাতিকে অবমাননা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ সরকার বাদ দিয়ে সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশের কবর রচনা করেছে। এখন তারা পাঁয়তারা করছে সংস্কার না করে সংশোধনী বিল আনার। সংবিধান সংশোধন সংসদের একটি রুটিন কাজ। এটি করার জন্য জুলাই বিপ্লব বা গণভোট হয়নি।
সংস্কারকে এড়িয়ে আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাইলে ইতিহাস থেকে সবক নেওয়ার পরামর্শ দেন হামিদুর রহমান আযাদ। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে সবক নেন। সেই পরিণতি আপনাদেরও ভোগ করতে হবে। যতক্ষণ পূর্ণ সংস্কার আদায় না হবে ততক্ষণ আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
সংস্কার ও গণভোটের বিপক্ষে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, আপনারা (বিএনপি) বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ব্যক্তির করায়ত্তে রাখতে চান। গণভোট মেনে নিলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ স্বচ্ছ হবে, আপনাদের কর্তৃত্ব এককভাবে থাকবে না। গণভোট মানলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সম্মিলিতভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক একটা কাঠামো আসবে, আপনারা সেটা চান না।
বিএনপি মৌলিক কাঠামোর পরিবর্তন চায় না অভিযোগ করে বলেন, ‘সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও রাজপথে ৭০ ভাগ সমর্থনের বিপরীতে সরকার টিকে থাকতে পারবে না।’
নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপক্ষে বলার দুঃসাহস বিএনপির ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা মামুনুল হক। সমাবেশে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য জনসভায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে বাধ্য হয়েছেন। এ সময় ‘ওপরে এক, আরে তলে তলে আরেক কথা বলা বিএনপির অবস্থানকে মুনাফেকি বলেও মন্তব্য করেন মামুনুল হক।

অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব অধ্যাদেশ সরকারের আরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে সেগুলো বিএনপির পছন্দ আর যে অধ্যাদেশগুলো জবাবদিহিতা রক্ষা করে সেগুলো খুব অপছন্দ জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘বিএনপি আজ যে রাজনীতি করছে, তা সুবিধাবাদের রাজনীতি। বিএনপির দুটি নীতি আজ স্পষ্ট– মুনাফেকির রাজনীতি এবং সুবিধাবাদের রাজনীতি। গণরায়কে উপেক্ষা করলে বিএনপিকে রাজপথে মোকাবিলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছেন, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছেন। দেশের মানুষ কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। বিএনপি যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটি ফ্যাসিবাদের পথ। আমরা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। জনরায় মানতে বাধ্য করার আন্দোলন আমরা শুরু করলাম।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজপথের আন্দোলনে বাধ্য না করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লব একটি দলকে ক্ষমতাচ্যুত করে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না। জুলাই বিপ্লব ছিল পুরাতন ব্যবস্থাকে ছুঁড়ে ফেলা এবং নতুন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য। ১৬ বছর এক ব্যক্তির শাসন দেখা হয়েছে, মানুষ আর ওই ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না।
সমাবেশ শেষে ১১-দলের নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে নাইটেঙ্গেল হয়ে কাকরাইল পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন।

গণভোটের রায় অমান্য করে ক্ষমতাসীন বিএনপি স্বৈরাচারের পথে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
৩ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছেন উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়কমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি ঘোষণা দেওয়ার পর সেনাবাহিনীর সামরিক সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।’
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা ডেকেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
৮ ঘণ্টা আগে