স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাকশাল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে দেশের মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২৬ মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এ দিনটি শুধু একটি দিবস নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের ইতিহাস। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা জাতির গৌরব।’
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করতে ও স্বাধীনতা সংকুচিত করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু জনগণের অকুতোভয় বীরত্বের কাছে সেই অপশক্তি পরাজিত হয়েছে। স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ছিল গণতন্ত্র। পরবর্তী পর্যায়ে সেই গণতন্ত্র বন্দী করা হয়েছে কখনো বাকশাল, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে। মানুষের বাক, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে যে পরিস্থিতি আমরা দেখেছি, আবার ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সেই বিভীষিকার নতুন ভয়াবহ রূপ দেখেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে একটি জাতিকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির জন্য আমরা লড়াই করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব দিয়ে খালেদা জিয়ার গণতন্ত্রের সংগ্রামকে বিজয়ের পথে নিয়ে এসেছেন। খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের সংগ্রামী গণতান্ত্রিক চেতনা বাস্তবায়নে কেউ পিছপা হয়নি। এখন নির্ভয়ে কথা বলা যায়। কথা বললে কেউ গুম হবে না—এই নিশ্চয়তা দেওয়া যায়। সংসদের ভেতরে-বাইরে, টক শোতে সবাই নির্বিঘ্নে কথা বলছেন। এটাই গণতন্ত্রের অঙ্গীকার, সেই অঙ্গীকার পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন তারেক রহমান।’
সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হচ্ছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই সরকারের বিরুদ্ধেও বিষোদ্গার করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম হয় কিনা—এ নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিকরা কথা বলছেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইতিহাস বিএনপির নেই। বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিএনপির।’
অপপ্রচারকারীদের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘যারা কুৎসা রটনা করছে, শেষ পর্যন্ত তাদের গায়েই ফ্যাসিবাদের তকমা লেগে যাবে। চক্রান্তকে প্রতিহত ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্রের ইমারত তৈরি করেছিলেন জিয়াউর রহমান, তার ওপর ভিত্তি করেই রাজনৈতিক সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে বিএনপি। কখনো সামরিক শাসন এবং কখনো নব্য বাকশালি চেষ্টায় সেই ইমারত ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমান কোনো আপস করেননি। এরশাদের মতো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীর সঙ্গে কারা আপস করেছে, তা সবাই জানে।

বাকশাল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে দেশের মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২৬ মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এ দিনটি শুধু একটি দিবস নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের ইতিহাস। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা জাতির গৌরব।’
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করতে ও স্বাধীনতা সংকুচিত করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু জনগণের অকুতোভয় বীরত্বের কাছে সেই অপশক্তি পরাজিত হয়েছে। স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ছিল গণতন্ত্র। পরবর্তী পর্যায়ে সেই গণতন্ত্র বন্দী করা হয়েছে কখনো বাকশাল, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে। মানুষের বাক, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে যে পরিস্থিতি আমরা দেখেছি, আবার ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সেই বিভীষিকার নতুন ভয়াবহ রূপ দেখেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে একটি জাতিকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির জন্য আমরা লড়াই করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব দিয়ে খালেদা জিয়ার গণতন্ত্রের সংগ্রামকে বিজয়ের পথে নিয়ে এসেছেন। খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের সংগ্রামী গণতান্ত্রিক চেতনা বাস্তবায়নে কেউ পিছপা হয়নি। এখন নির্ভয়ে কথা বলা যায়। কথা বললে কেউ গুম হবে না—এই নিশ্চয়তা দেওয়া যায়। সংসদের ভেতরে-বাইরে, টক শোতে সবাই নির্বিঘ্নে কথা বলছেন। এটাই গণতন্ত্রের অঙ্গীকার, সেই অঙ্গীকার পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন তারেক রহমান।’
সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হচ্ছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই সরকারের বিরুদ্ধেও বিষোদ্গার করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম হয় কিনা—এ নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিকরা কথা বলছেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইতিহাস বিএনপির নেই। বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিএনপির।’
অপপ্রচারকারীদের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘যারা কুৎসা রটনা করছে, শেষ পর্যন্ত তাদের গায়েই ফ্যাসিবাদের তকমা লেগে যাবে। চক্রান্তকে প্রতিহত ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্রের ইমারত তৈরি করেছিলেন জিয়াউর রহমান, তার ওপর ভিত্তি করেই রাজনৈতিক সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে বিএনপি। কখনো সামরিক শাসন এবং কখনো নব্য বাকশালি চেষ্টায় সেই ইমারত ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমান কোনো আপস করেননি। এরশাদের মতো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীর সঙ্গে কারা আপস করেছে, তা সবাই জানে।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬