ঠাকুরগাঁও-১ আসন
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি পরীক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি। আমরা পরীক্ষিত, আমাদের ভোটে সরকারে গিয়ে কাজ করেছি।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদরের দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষই করতে পারবে, আর কেউ পারবে না। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সৈনিক, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক। আমরা সেই দল, যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
ভোটারদের উদ্দেশে ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। একটি দল আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে, দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করেছে? করেনি।
তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি– বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মতো আর কেউ নেই। তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন।
প্রশ্ন রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছরে আপনারা কি কেউ সঠিকভাবে ভোট দিতে পেরেছেন? পারেননি। কারণ আগের রাতেই ভোট হয়ে যেত। এখন একটি সুযোগ এসেছে, আপনারা দলে দলে ভোট দিতে পাবেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপা ভারতে চলে গেছেন। যারা তাঁকে সমর্থন করতেন, তাদের বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই– যারা নিরপরাধ, তারা কেউ বিপদে পড়বেন না। আমরা তাদের পাশে আছি।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি আমার এলাকায় হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান– সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করি। আমরা সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
তাঁর অভিযোগ, কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু আমাদের সমাজে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি, করব।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি পরীক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি। আমরা পরীক্ষিত, আমাদের ভোটে সরকারে গিয়ে কাজ করেছি।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদরের দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষই করতে পারবে, আর কেউ পারবে না। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সৈনিক, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক। আমরা সেই দল, যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
ভোটারদের উদ্দেশে ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। একটি দল আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে, দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করেছে? করেনি।
তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি– বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মতো আর কেউ নেই। তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন।
প্রশ্ন রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছরে আপনারা কি কেউ সঠিকভাবে ভোট দিতে পেরেছেন? পারেননি। কারণ আগের রাতেই ভোট হয়ে যেত। এখন একটি সুযোগ এসেছে, আপনারা দলে দলে ভোট দিতে পাবেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপা ভারতে চলে গেছেন। যারা তাঁকে সমর্থন করতেন, তাদের বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই– যারা নিরপরাধ, তারা কেউ বিপদে পড়বেন না। আমরা তাদের পাশে আছি।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি আমার এলাকায় হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান– সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করি। আমরা সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
তাঁর অভিযোগ, কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু আমাদের সমাজে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি, করব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
২ ঘণ্টা আগে