স্ট্রিম ডেস্ক

আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহার দিয়েছেন ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। এতে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থানসহ ছয় সমস্যার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে সমাধানের পথ বাতলে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইশতেহার প্রকাশ করে তাসনিম জারা ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, ঢাকা-৯ আসনকে অবহেলার দিন শেষ। এই আসনের ভাগ্য বদলাতে আসন্ন নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় ভোট দিন। আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তাসনিম জারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে তাঁর প্রতীক ফুটবল।
তাসনিম জারা রাজধানীর খিলগাঁও, মুগদা, সবুজবাগ ও মান্ডা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনের ছয়টি সমস্যা চিহ্নিত করেছেন এভাবে– ১. গ্যাস, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা: বাসযোগ্য ঢাকা-৯ চাই ২. স্বাস্থ্য: চিকিৎসায় অবহেলা আর মানব না ৩. নিরাপত্তা: মাদক সিন্ডিকেট হটিয়ে রাস্তা হবে জনগণের ৪. শিক্ষা: আমাদের সন্তানদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হোক ৫. অর্থনীতি ও জীবিকা: মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের এবং ৬. এমপির জবাবদিহিতা: আমি অতিথি পাখি নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে।
তিনি প্রতিটি সমস্যার নিচে একাধিক সমাধানের পথও তুলে ধরেছেন। অভিযোগ করেছেন, ঢাকা-৯ এই শহরের প্রাণ। অথচ আমাদের সঙ্গেই বিমাতাসূলভ আচরণ করা হয়। আমরা গুলশান-বনানীর সমান ট্যাক্স দেই, সমান বিল দেই। কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণির। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের কেবল ‘রাজস্ব আদায়ের উৎ’' মনে করে। টাকা নেওয়ার সময় আছেন। কিন্তু সেবা দেওয়ার সময় নেই।
তাসনিম জারা বলেন, ‘আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার– ঢাকা-৯ আসনকে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান ট্যাক্স দেই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নেব।’
নিজের সঙ্গে কথা বলতে ভাই বা নেতা ধরা লাগবে না জানিয়ে ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে তাসনিম জারা লিখেছেন, তিনি পেশাদার রাজনীতিবিদ নন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে বলেই এই পথে নেমেছেন। তাঁর ইশতেহারও কোনো গতানুগতিক ফাঁকা বুলি নয় বলে দাবি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আপনাদের সঙ্গে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনা করেই মাঠে নেমেছি। আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন চিকিৎসককে সুযোগ দিন– যে চিকিৎসক জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে চিকিৎসক কথা রাখে, যে চিকিৎসক বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথা নত হতে দেবে না।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহার দিয়েছেন ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। এতে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থানসহ ছয় সমস্যার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে সমাধানের পথ বাতলে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইশতেহার প্রকাশ করে তাসনিম জারা ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, ঢাকা-৯ আসনকে অবহেলার দিন শেষ। এই আসনের ভাগ্য বদলাতে আসন্ন নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় ভোট দিন। আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তাসনিম জারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে তাঁর প্রতীক ফুটবল।
তাসনিম জারা রাজধানীর খিলগাঁও, মুগদা, সবুজবাগ ও মান্ডা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনের ছয়টি সমস্যা চিহ্নিত করেছেন এভাবে– ১. গ্যাস, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা: বাসযোগ্য ঢাকা-৯ চাই ২. স্বাস্থ্য: চিকিৎসায় অবহেলা আর মানব না ৩. নিরাপত্তা: মাদক সিন্ডিকেট হটিয়ে রাস্তা হবে জনগণের ৪. শিক্ষা: আমাদের সন্তানদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হোক ৫. অর্থনীতি ও জীবিকা: মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের এবং ৬. এমপির জবাবদিহিতা: আমি অতিথি পাখি নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে।
তিনি প্রতিটি সমস্যার নিচে একাধিক সমাধানের পথও তুলে ধরেছেন। অভিযোগ করেছেন, ঢাকা-৯ এই শহরের প্রাণ। অথচ আমাদের সঙ্গেই বিমাতাসূলভ আচরণ করা হয়। আমরা গুলশান-বনানীর সমান ট্যাক্স দেই, সমান বিল দেই। কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণির। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের কেবল ‘রাজস্ব আদায়ের উৎ’' মনে করে। টাকা নেওয়ার সময় আছেন। কিন্তু সেবা দেওয়ার সময় নেই।
তাসনিম জারা বলেন, ‘আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার– ঢাকা-৯ আসনকে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান ট্যাক্স দেই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নেব।’
নিজের সঙ্গে কথা বলতে ভাই বা নেতা ধরা লাগবে না জানিয়ে ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে তাসনিম জারা লিখেছেন, তিনি পেশাদার রাজনীতিবিদ নন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে বলেই এই পথে নেমেছেন। তাঁর ইশতেহারও কোনো গতানুগতিক ফাঁকা বুলি নয় বলে দাবি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আপনাদের সঙ্গে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনা করেই মাঠে নেমেছি। আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন চিকিৎসককে সুযোগ দিন– যে চিকিৎসক জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে চিকিৎসক কথা রাখে, যে চিকিৎসক বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথা নত হতে দেবে না।’

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
৯ মিনিট আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অনেকেই বলে জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় এলে নারীদের বাইরে বেড়োতে দেবে না, ঘরে বন্দি করে রাখবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, নারীরা আমাদের মা-বোন। তাদের ঘরে বন্দি করতে হলে অনেক তালা কিনতে হবে। যা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে তালা কেনা সম্ভব না। এত টাকা আমাদের নেই।’
৩১ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন মাঠ। তবে ভোটাররা বলছেন, অতীতেও এমন অনেক আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে অনেক সমস্যার সমাধান হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে