স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় দিন-দুপুরে বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তির নাম বিরাজ আলী (৪৭)। চারঘাটের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে জামায়াত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে রামচন্দ্রপুর গ্রামেই রাস্তার ওপর তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন বিরাজ জানান, রামচন্দ্রপুর গ্রামে তাঁর একটি দোকান আছে। এর পাশে তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের একটি নির্বাচনী কার্যালয় চালান। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য।
তিনি আরও জানান, হামলায় তাঁর হাতে ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। স্থানীয়রা প্রথমে তাঁকে উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর তাঁর হাতে ও পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখন হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘বিরাজ আলীর দুই পায়ে হাঁটুর নিচে এবং দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের জখম ছিল। আমাদের অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।’
হাসপাতাল থেকে বিরাজ আলী বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই বুঝতে পারি না। ঘাস কাইটি যাচ্ছিলাম সাইকেল লিয়া। এক লোক জামায়াত-শিবির করে, লোক দেখি বুঝা গেল। হেলমেট মাথার মধ্যি ঢুকাল, আমি মুনে করছি একা খালি হাতে দাঁড়া আছে। আমি যাচ্ছি। যাতি লাগলেই হঠাৎ করি সাইকেলের ওপর বাড়ি মারল। আমি পড়ি গেলাম। এরপর কুপায় যাচ্ছে, আমি ঠেকায় যাচ্ছি। ঠেকাতে ঠেকাতে হাত কাইটি গেছে। তারপর পা কুপাইতে শুরু করিছে। লোকজন আসার পরে মোটরসাইকেল টান দিয়ি চলি গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরা জামাতের-শিবিরের লোক ছাড়া কেউ করেনি। আমার ছোটখাট দোকান আছে, ব্যবসাপাতি করি। আমার দোকানে আবু সাঈদ চাঁদের ব্যানার লাগাইছি। দু’দশজন ছেলি লিয়া একটা ভোটের অফিস চালাই।’
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। উনি ভালো মানুষ। নির্ঝঞ্চাট মানুষ হিসেবে পরিচিত। মুখ বেঁধে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনোভাবেই জড়িত না। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। আমরা প্রশাসনকে বলেছি দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে। আপনাদেরও বলছি। দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে আইনের আওতায় আনা হোক।’
চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনা কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো উত্তেজনা নেই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় দিন-দুপুরে বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তির নাম বিরাজ আলী (৪৭)। চারঘাটের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে জামায়াত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে রামচন্দ্রপুর গ্রামেই রাস্তার ওপর তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন বিরাজ জানান, রামচন্দ্রপুর গ্রামে তাঁর একটি দোকান আছে। এর পাশে তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের একটি নির্বাচনী কার্যালয় চালান। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য।
তিনি আরও জানান, হামলায় তাঁর হাতে ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। স্থানীয়রা প্রথমে তাঁকে উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর তাঁর হাতে ও পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখন হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘বিরাজ আলীর দুই পায়ে হাঁটুর নিচে এবং দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের জখম ছিল। আমাদের অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।’
হাসপাতাল থেকে বিরাজ আলী বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই বুঝতে পারি না। ঘাস কাইটি যাচ্ছিলাম সাইকেল লিয়া। এক লোক জামায়াত-শিবির করে, লোক দেখি বুঝা গেল। হেলমেট মাথার মধ্যি ঢুকাল, আমি মুনে করছি একা খালি হাতে দাঁড়া আছে। আমি যাচ্ছি। যাতি লাগলেই হঠাৎ করি সাইকেলের ওপর বাড়ি মারল। আমি পড়ি গেলাম। এরপর কুপায় যাচ্ছে, আমি ঠেকায় যাচ্ছি। ঠেকাতে ঠেকাতে হাত কাইটি গেছে। তারপর পা কুপাইতে শুরু করিছে। লোকজন আসার পরে মোটরসাইকেল টান দিয়ি চলি গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরা জামাতের-শিবিরের লোক ছাড়া কেউ করেনি। আমার ছোটখাট দোকান আছে, ব্যবসাপাতি করি। আমার দোকানে আবু সাঈদ চাঁদের ব্যানার লাগাইছি। দু’দশজন ছেলি লিয়া একটা ভোটের অফিস চালাই।’
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। উনি ভালো মানুষ। নির্ঝঞ্চাট মানুষ হিসেবে পরিচিত। মুখ বেঁধে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনোভাবেই জড়িত না। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। আমরা প্রশাসনকে বলেছি দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে। আপনাদেরও বলছি। দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে আইনের আওতায় আনা হোক।’
চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনা কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো উত্তেজনা নেই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে বিএনপি মনোনীত তরুণ প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এই তরুণের বাবা সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমান একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ‘সব ঘরানার’ শীর্ষ ইসলামী নেতৃবৃন্দ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। বিএনপিকে সমর্থন দেওয়ায় আলেম-ওলামাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৫ আসনে নিজের ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ছবিসহ এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন দেশজুড়ে ‘অবৈধ’ অর্থের লেনদেন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি অভিযোগ করেছে, ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে ভোট কেনা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে