স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে তিনি বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
আপিল শুনানি শেষে মান্নার আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তা ‘খুবই খেলো’ কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। মামলার তথ্য গোপন ও হলফনামায় স্বাক্ষরের তারিখ ভুল হওয়ার অজুহাত দেখানো হয়েছিল।
আইনজীবী বলেন, মামলাগুলোয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে এবং তারিখের ভুল ছিল অনিচ্ছাকৃত ‘হিউম্যান এরর’। আরপিও-১৯৭২ অনুযায়ী কমিশন আপিল মঞ্জুর করেছে। ইসিতে ব্যাপক হারে আপিল মঞ্জুর হওয়া প্রমাণ করে যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমাকে বিরোধিতা করার জন্য যে মবক্রেসি করা হয়েছে, তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত। জেলা প্রশাসক হয়তো পরিস্থিতি সামাল দিতে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে ঠেলে দিয়েছেন। না হলে মনোনয়নপত্র বাতিলের কোনো কারণ ছিল না।’
ঋণখেলাপির অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ দাবি করে মান্না বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি করেছে। কিন্তু এই সত্য গণমাধ্যমে আসেনি।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, ‘এই প্রশাসন কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। পুলিশ প্রো-অ্যাকটিভ তো দূরের কথা, অ্যাকটিভও নয়। অনেক জায়গায় তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে।’ তিনি ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মান্না বলেন, প্রতিপক্ষকে বাদ দিয়ে বিজয় অর্জনের মানসিকতা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে। কোমরের নিচে আঘাত করে কাউকে হারানোর চেষ্টা রাজনীতি নয়। ষড়যন্ত্র করে জেতা যায় না। গণতন্ত্রের লড়াই দীর্ঘস্থায়ী হলে ষড়যন্ত্র টেকে না।
বিএনপির সমর্থন প্রসঙ্গে মান্না বলেন, এখনো তাদের প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ায় তিনি আশা করেন, ওই প্রার্থী সরে দাঁড়াবেন ও সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে তিনি বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
আপিল শুনানি শেষে মান্নার আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তা ‘খুবই খেলো’ কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। মামলার তথ্য গোপন ও হলফনামায় স্বাক্ষরের তারিখ ভুল হওয়ার অজুহাত দেখানো হয়েছিল।
আইনজীবী বলেন, মামলাগুলোয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে এবং তারিখের ভুল ছিল অনিচ্ছাকৃত ‘হিউম্যান এরর’। আরপিও-১৯৭২ অনুযায়ী কমিশন আপিল মঞ্জুর করেছে। ইসিতে ব্যাপক হারে আপিল মঞ্জুর হওয়া প্রমাণ করে যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমাকে বিরোধিতা করার জন্য যে মবক্রেসি করা হয়েছে, তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত। জেলা প্রশাসক হয়তো পরিস্থিতি সামাল দিতে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে ঠেলে দিয়েছেন। না হলে মনোনয়নপত্র বাতিলের কোনো কারণ ছিল না।’
ঋণখেলাপির অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ দাবি করে মান্না বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি করেছে। কিন্তু এই সত্য গণমাধ্যমে আসেনি।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, ‘এই প্রশাসন কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। পুলিশ প্রো-অ্যাকটিভ তো দূরের কথা, অ্যাকটিভও নয়। অনেক জায়গায় তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে।’ তিনি ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মান্না বলেন, প্রতিপক্ষকে বাদ দিয়ে বিজয় অর্জনের মানসিকতা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে। কোমরের নিচে আঘাত করে কাউকে হারানোর চেষ্টা রাজনীতি নয়। ষড়যন্ত্র করে জেতা যায় না। গণতন্ত্রের লড়াই দীর্ঘস্থায়ী হলে ষড়যন্ত্র টেকে না।
বিএনপির সমর্থন প্রসঙ্গে মান্না বলেন, এখনো তাদের প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ায় তিনি আশা করেন, ওই প্রার্থী সরে দাঁড়াবেন ও সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম হবে।

রাষ্ট্র বিনির্মাণে ১০টি খাতে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যেই এসব খাতের ২২টি পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিচার-বিশ্লেষণের পর এসব প্রস্তাব আসন্ন নির্বাচনের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে
দৃশ্যত রক্তপাতহীন হলেও এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করে। অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা পরিবর্তনের এই অধ্যায় পরবর্তী দুই বছর দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে।
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আলাদাভাবে আয়োজনের দাবি উপেক্ষা করায় জুলাই সনদের আলোচনা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ‘বিশেষ সাক্ষাত’ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে