স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সমন্বয় সেল গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তিনটি শিফটে এই সেলের কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে প্রথম শিফট সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত, দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং তৃতীয় শিফট রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে।
‘আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’-এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেন। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জসীম উদ্দিন খান ও মো. আবদুল্লাহ হাককানী এই সেলের দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খান সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় সার্বক্ষণিক সেবা দিতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর বিশেষ দল সমন্বয় সেলের সাথে যুক্ত থাকবে। নির্বাচনি অভিযোগ ও তথ্যের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এই দল সরাসরি এলাকাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেবে।
সমন্বয় সেলটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনির্মিত স্টিল স্ট্রাকচার ভবনের ২২৬ নম্বর কক্ষে স্থাপন করা হয়েছে। জরুরি যোগাযোগের জন্য টেলিফোন নম্বর: ০২-৪৭১১৮৭০০ থেকে ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর: ০১৫৫০০৬৪২২৬ ও ০১৫৫০০৬৪২২৭ প্রদান করা হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে মোতায়েন থাকবে।
গত ১৯ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ ও পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন সদস্য থাকবেন। এ ছাড়া আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ এবং র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রায় ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য সহায়তা করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ ২০২৬’। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) তৈরি এই অ্যাপের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণ ও প্রতিকারে কাজ করবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সমন্বয় সেল গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তিনটি শিফটে এই সেলের কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে প্রথম শিফট সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত, দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং তৃতীয় শিফট রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে।
‘আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’-এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেন। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জসীম উদ্দিন খান ও মো. আবদুল্লাহ হাককানী এই সেলের দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খান সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় সার্বক্ষণিক সেবা দিতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর বিশেষ দল সমন্বয় সেলের সাথে যুক্ত থাকবে। নির্বাচনি অভিযোগ ও তথ্যের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এই দল সরাসরি এলাকাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেবে।
সমন্বয় সেলটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনির্মিত স্টিল স্ট্রাকচার ভবনের ২২৬ নম্বর কক্ষে স্থাপন করা হয়েছে। জরুরি যোগাযোগের জন্য টেলিফোন নম্বর: ০২-৪৭১১৮৭০০ থেকে ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর: ০১৫৫০০৬৪২২৬ ও ০১৫৫০০৬৪২২৭ প্রদান করা হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে মোতায়েন থাকবে।
গত ১৯ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ ও পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন সদস্য থাকবেন। এ ছাড়া আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ এবং র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রায় ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য সহায়তা করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ ২০২৬’। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) তৈরি এই অ্যাপের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণ ও প্রতিকারে কাজ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
২ ঘণ্টা আগে