স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। নাহলে জনগণই এর জবাব দেবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ ফটকে এই আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের সাধারণ মানুষের আন্দোলন। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, গৃহিণী, আলেম-উলামাসহ সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে আন্দোলনকে সফল করেছিলেন। সে সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ছিলেন না এবং আন্দোলনের রাজপথে তার কোনো উপস্থিতি ছিল না।’
তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে তারেক রহমান বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করেছেন এবং ছাত্রদল-যুবদলকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার কোনো ব্যক্তির নয়, এটি জনগণের। জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে অতীতের শাসকদের মতো রাজনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘তারেক রহমানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নয়, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জনগণের। দেশের মালিক জনগণ, তারাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’
হেফাজতে ইসলামসহ ইসলামপন্থি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান লড়াই দেশের সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারের লড়াই। এ কারণে সবাইকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। নাহলে জনগণই এর জবাব দেবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ ফটকে এই আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের সাধারণ মানুষের আন্দোলন। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, গৃহিণী, আলেম-উলামাসহ সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে আন্দোলনকে সফল করেছিলেন। সে সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ছিলেন না এবং আন্দোলনের রাজপথে তার কোনো উপস্থিতি ছিল না।’
তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে তারেক রহমান বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করেছেন এবং ছাত্রদল-যুবদলকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার কোনো ব্যক্তির নয়, এটি জনগণের। জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে অতীতের শাসকদের মতো রাজনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘তারেক রহমানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নয়, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জনগণের। দেশের মালিক জনগণ, তারাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’
হেফাজতে ইসলামসহ ইসলামপন্থি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান লড়াই দেশের সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারের লড়াই। এ কারণে সবাইকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ লক্ষ্যে আগামীকাল ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। বিরোধীদলের প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া কীভাবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন সম্ভব, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দরকার।
১৩ ঘণ্টা আগে
ব্যাগটি খুলে ভেতর এক টুকরো কাফনের কাপড়, একটি তাজা গুলি, আতর, গোলাপ জল, গোসলের সাবান ও হাতে লেখা চিঠি পান। চিঠিটিতে লেখা, প্রিয় ইসমাইল মোল্লা চাচা, ক্ষণিকের দুনিয়াতে এত বড়াই কিসের?
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশীয় জ্বালানি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত, আমদানিনির্ভরতা কমানো, ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল বন্ধ এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের সব বড় চুক্তির জাতীয় অডিটের দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
১৫ ঘণ্টা আগে