স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এনসিপিতে যোগদানের ক্ষেত্রে কারও সাবেক রাজনৈতিক পরিচয়; তা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ এমনকি ছাত্রলীগ হোক না কেন—তা আমাদের কাছে মুখ্য নয়।’ তবে ফ্যাসিজম, গণহত্যা, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বা সন্ত্রাসবাদে জড়িত কোনো ব্যক্তি এনসিপিতে জায়গা পাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ২টায় রাজধানীর বাংলামোটরে বিভিন্ন প্লাটফর্ম ও রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্ল্যাটফর্মটির মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরা ও প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাতসহ দলটির অন্তত ৩০ জন নেতা জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের আরও অন্তত ১৩ জন নেতা দলটিতে যুক্ত হন।
এসময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে দেশ আবার আগের পুরনো বন্দোবস্তে ফিরে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল একটি বিএনপি সরকার প্রতিস্থাপিত হয়েছে, কিন্তু শাসন ব্যবস্থার কোনো গুণগত পরিবর্তন আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশটাকে নতুন করে কোনো আগের বন্দোবস্তে ফেরত দিতে পারি না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, দেশ সম্পূর্ণ আগের কায়দায় চলছে। বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আবারও দলীয়করণ করা হচ্ছে। ঐক্যবদ্ধ কমিশনের মাধ্যমে সংস্কারের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, বিএনপি সরকার তা নষ্ট করে দিচ্ছে।’
‘আমরা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন চেয়েছিলাম। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়াই ছিল আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে দেশের চলমান জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘সিন্ডিকেটরা পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দাম বাড়িয়েছে। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি করে মানুষের মনে এমন এক মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তারা বেশি দাম দিয়েও তেল কিনতে বাধ্য হয়। সরকারের প্রশ্রয় ও অংশগ্রহণ ছাড়া এই লুটপাট সম্ভব হতো না।’
সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে বাকস্বাধীনতা হরণের অভিযোগ তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘চিফ হুইপের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার কারণে মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এছাড়া ইরানের শীর্ষ নেতার প্রয়াণে সরকারের পক্ষ থেকে শোক না জানানোকে একটি বড় কূটনৈতিক ভারসাম্যহীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণভোটের রায়কে অস্বীকার করে রাজনৈতিক সমঝোতা নষ্ট করেছে। ফলে এই সরকারের সাথে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার সুযোগ কমে আসছে। তিনি দেশের তরুণ সমাজকে এনসিপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের উত্থান রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে এনসিপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং নতুন যোগদান করা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এনসিপিতে যোগদানের ক্ষেত্রে কারও সাবেক রাজনৈতিক পরিচয়; তা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ এমনকি ছাত্রলীগ হোক না কেন—তা আমাদের কাছে মুখ্য নয়।’ তবে ফ্যাসিজম, গণহত্যা, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বা সন্ত্রাসবাদে জড়িত কোনো ব্যক্তি এনসিপিতে জায়গা পাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ২টায় রাজধানীর বাংলামোটরে বিভিন্ন প্লাটফর্ম ও রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্ল্যাটফর্মটির মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরা ও প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাতসহ দলটির অন্তত ৩০ জন নেতা জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের আরও অন্তত ১৩ জন নেতা দলটিতে যুক্ত হন।
এসময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে দেশ আবার আগের পুরনো বন্দোবস্তে ফিরে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল একটি বিএনপি সরকার প্রতিস্থাপিত হয়েছে, কিন্তু শাসন ব্যবস্থার কোনো গুণগত পরিবর্তন আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশটাকে নতুন করে কোনো আগের বন্দোবস্তে ফেরত দিতে পারি না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, দেশ সম্পূর্ণ আগের কায়দায় চলছে। বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আবারও দলীয়করণ করা হচ্ছে। ঐক্যবদ্ধ কমিশনের মাধ্যমে সংস্কারের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, বিএনপি সরকার তা নষ্ট করে দিচ্ছে।’
‘আমরা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন চেয়েছিলাম। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়াই ছিল আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে দেশের চলমান জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘সিন্ডিকেটরা পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দাম বাড়িয়েছে। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি করে মানুষের মনে এমন এক মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তারা বেশি দাম দিয়েও তেল কিনতে বাধ্য হয়। সরকারের প্রশ্রয় ও অংশগ্রহণ ছাড়া এই লুটপাট সম্ভব হতো না।’
সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে বাকস্বাধীনতা হরণের অভিযোগ তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘চিফ হুইপের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার কারণে মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এছাড়া ইরানের শীর্ষ নেতার প্রয়াণে সরকারের পক্ষ থেকে শোক না জানানোকে একটি বড় কূটনৈতিক ভারসাম্যহীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণভোটের রায়কে অস্বীকার করে রাজনৈতিক সমঝোতা নষ্ট করেছে। ফলে এই সরকারের সাথে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার সুযোগ কমে আসছে। তিনি দেশের তরুণ সমাজকে এনসিপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের উত্থান রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে এনসিপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং নতুন যোগদান করা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬