স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নকে সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সংগঠনের ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে শাহবাগ চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশের পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
এ সময় শাপলা চত্বরে নিহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনেরও আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রনেতারা।
আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত সব গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আদনান রাফি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল আজিজ বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকে সংঘটিত সব গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ছাত্ররাজনীতিতে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের অবসানের দাবি জানিয়ে আব্দুল আজিজ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য নয়; বরং বৈষম্য, কর্তৃত্ববাদ ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল।
সভাপতির বক্তব্যে আদনান রাফি বলেন, ছাত্রসমাজ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তিনি জুলাই আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে সকলের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান জানান।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক নাজমুল হাসান রনির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল রাকিবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মুহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ ও মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা জাকারিয়া আল ফারুকী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নকে সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সংগঠনের ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে শাহবাগ চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশের পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
এ সময় শাপলা চত্বরে নিহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনেরও আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রনেতারা।
আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত সব গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আদনান রাফি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল আজিজ বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকে সংঘটিত সব গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ছাত্ররাজনীতিতে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের অবসানের দাবি জানিয়ে আব্দুল আজিজ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য নয়; বরং বৈষম্য, কর্তৃত্ববাদ ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল।
সভাপতির বক্তব্যে আদনান রাফি বলেন, ছাত্রসমাজ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তিনি জুলাই আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে সকলের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান জানান।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক নাজমুল হাসান রনির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল রাকিবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মুহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ ও মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা জাকারিয়া আল ফারুকী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হবে।
১৯ জুলাই ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
১৯ জুলাই ২০২৬