স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং পুলিশের স্নাইপার রাইফেল থাকা না-থাকা নিয়ে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফারের ওই বক্তব্যকে ‘অযাচিত’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করার কথাও বলেছেন রাকিব।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং রাকিবুল ইসলাম রাকিবের ভেরিফায়েড আইডিতে এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়।
নিলোফার চৌধুরী মনির উদ্দেশে ছাত্রদল সভাপতি লিখেছেন, আপনি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের সারথি ছিলেন। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে।
‘কিন্তু গতকাল টকশোতে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আপনার অযাচিত বক্তব্যে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আপনার বক্তব্য আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।’
রাকিব আরও বলেন, ‘আমরা অবগত রয়েছি, আপনি জুলাইয়ের চেতনাধারণকারী একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। সেহেতু জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্যে আপনি আরও বেশি সংযত ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন, সেই প্রত্যাশা করি।’
সম্প্রতি চ্যানেল আই-এর ‘টু দ্য পয়েন্ট’ নামক টকশোতে অংশ নিয়ে নিলোফার চৌধুরী মনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের কাছে স্নাইপার ছিল না, বাংলাদেশে স্নাইপার নাই।’ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে তিনি এই দাবি করেন।
ওই টকশোতে তাঁর সহ-আলোচক এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, ‘যাত্রাবাড়ীতে যে দুজন পুলিশকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, এই পুলিশগুলো কারা ছিল? তারা তো স্নাইপার ছিল। জনগণ সেখানে বাসায় উঠে একদম খুঁজে ওখান থেকে বের করে এনে সেখানে ঝুলিয়েছিল।’ আলাউদ্দিন মোহাম্মদের এই বক্তব্যের জবাবে নিলোফার চৌধুরী মনি দাবি করেন যে পুলিশের কাছে কোনো স্নাইপার রাইফেল নেই।
নেত্র নিউজের প্রতিবেদনের বরাতে ডিজিটাল অনুসন্ধানমূলক সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পুলিশ সদর দপ্তর ৩০টি ৭.৬২ মিলিমিটার স্নাইপার রাইফেল ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করে।
২০২৩ সালে ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ এজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে বছরের ২৩ মার্চ পুলিশ সদর দপ্তর ৩০টি স্নাইপার রাইফেল সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করে।
নেত্র নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে অর্থাৎ গণ-অভ্যুত্থানের মাত্র কয়েক মাস আগেও পুলিশ ৫০টি ৭.৬২ মিলিমিটার স্নাইপার রাইফেল কেনার জন্য আরেকটি দরপত্র প্রকাশ করে। ২০২৪ সালের ২৪ মার্চ প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারীদের কাছে দরপত্র দাখিলের আহ্বান জানানো হয়েছিল। এর আগেও ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১৫ হাজার ৭.৬২ মিলিমিটার সেমি-অটোমেটিক রাইফেল কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টে জুলাই আন্দোলন দমনে ৭.৬২ মিলিমিটার ক্যালিবারের লেথাল অ্যামুনিশন (প্রাণঘাতী গুলি) ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে, যা স্নাইপার রাইফেলেও ব্যবহার করা যায়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং পুলিশের স্নাইপার রাইফেল থাকা না-থাকা নিয়ে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফারের ওই বক্তব্যকে ‘অযাচিত’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করার কথাও বলেছেন রাকিব।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং রাকিবুল ইসলাম রাকিবের ভেরিফায়েড আইডিতে এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়।
নিলোফার চৌধুরী মনির উদ্দেশে ছাত্রদল সভাপতি লিখেছেন, আপনি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের সারথি ছিলেন। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে।
‘কিন্তু গতকাল টকশোতে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আপনার অযাচিত বক্তব্যে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আপনার বক্তব্য আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।’
রাকিব আরও বলেন, ‘আমরা অবগত রয়েছি, আপনি জুলাইয়ের চেতনাধারণকারী একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। সেহেতু জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্যে আপনি আরও বেশি সংযত ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন, সেই প্রত্যাশা করি।’
সম্প্রতি চ্যানেল আই-এর ‘টু দ্য পয়েন্ট’ নামক টকশোতে অংশ নিয়ে নিলোফার চৌধুরী মনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের কাছে স্নাইপার ছিল না, বাংলাদেশে স্নাইপার নাই।’ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে তিনি এই দাবি করেন।
ওই টকশোতে তাঁর সহ-আলোচক এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, ‘যাত্রাবাড়ীতে যে দুজন পুলিশকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, এই পুলিশগুলো কারা ছিল? তারা তো স্নাইপার ছিল। জনগণ সেখানে বাসায় উঠে একদম খুঁজে ওখান থেকে বের করে এনে সেখানে ঝুলিয়েছিল।’ আলাউদ্দিন মোহাম্মদের এই বক্তব্যের জবাবে নিলোফার চৌধুরী মনি দাবি করেন যে পুলিশের কাছে কোনো স্নাইপার রাইফেল নেই।
নেত্র নিউজের প্রতিবেদনের বরাতে ডিজিটাল অনুসন্ধানমূলক সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পুলিশ সদর দপ্তর ৩০টি ৭.৬২ মিলিমিটার স্নাইপার রাইফেল ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করে।
২০২৩ সালে ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ এজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে বছরের ২৩ মার্চ পুলিশ সদর দপ্তর ৩০টি স্নাইপার রাইফেল সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করে।
নেত্র নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে অর্থাৎ গণ-অভ্যুত্থানের মাত্র কয়েক মাস আগেও পুলিশ ৫০টি ৭.৬২ মিলিমিটার স্নাইপার রাইফেল কেনার জন্য আরেকটি দরপত্র প্রকাশ করে। ২০২৪ সালের ২৪ মার্চ প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারীদের কাছে দরপত্র দাখিলের আহ্বান জানানো হয়েছিল। এর আগেও ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১৫ হাজার ৭.৬২ মিলিমিটার সেমি-অটোমেটিক রাইফেল কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টে জুলাই আন্দোলন দমনে ৭.৬২ মিলিমিটার ক্যালিবারের লেথাল অ্যামুনিশন (প্রাণঘাতী গুলি) ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে, যা স্নাইপার রাইফেলেও ব্যবহার করা যায়।

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হবে।
১৯ জুলাই ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
১৯ জুলাই ২০২৬