হাসিবুর রহমান

ঢাকা-১১ (বাড্ডা, রামপুরা, ভাটারা ও হাতিরঝিল) আসনে এমএ কাইয়ুমকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তরুণ নাহিদ ইসলাম। দীর্ঘদিন কমিশনার থাকায় এলাকাবাসীর চেনা মুখ ধানের শীষের কাইয়ুম। অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের জুলাই অভ্যুত্থান শাপলা কলির প্রার্থী নাহিদকে দিয়েছে সারাদেশে পরিচিতি।
ঢাকা-১১ আসনের অলিগলি থেকে চায়ের দোকানে চলছে প্রধান দুই প্রার্থী– বিএনপি নেতা কাইয়ুম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের চুলচেরা বিশ্লেষণ। সরেজমিন বাড্ডা ও রামপুরায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে কাইয়ুম ও নাহিদের মধ্যে ভোটের লড়াই হাড্ডাহাডির আভাস মিলেছে।
রাজধানীর বাড্ডার সুবাস্তু মার্কেটের পেছনে এক যুগের বেশি বসবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবদুল মান্নানের। ফুচকা বিক্রেতা আবদুল মান্নান অভিজ্ঞতার বিচারে বিএনপি নেতা কাইয়ুমকে এগিয়ে রাখছেন, ‘কাইয়ুম পুরোনো মানুষ, সবাই চেনে। নতুন হিসেবে নাহিদও চেষ্টা করছেন। যে-ই জিতুক, ভালো কাজ করলে আমরা খুশি।’
সাতক্ষীরা থেকে আসা রামপুরার রিকশাচালক মাজেদুর রহমান মন্টু বলেন, সারাদেশের মতো ঢাকা-১১ আসনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নেতাকর্মীর নানা অপকর্মে বিএনপির সমর্থনে ভাটা দেখা দিয়েছিল। তবে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর চিত্র পাল্টে গেছে। মনে হচ্ছে, কাইয়ুম এবং নাহিদ– ভোটে কেউ কাউকে ছাড় দেবেন না।
ফ্যাক্টর জামায়াত
সমঝোতায় ঢাকা-১১ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ভোটাররা বলছেন, এ আসনে জামায়াতই ভোটের সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে। সুবাস্তু মার্কেটের চা বিক্রেতা সোহাগ মিয়ার মতে, এখানে জামায়াতের প্রার্থী থাকলে জয় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু নাহিদ ইসলামের জয়ের সম্ভাবনা কম। আমি তাঁকে পছন্দ করলেও মানুষ তো নাহিদের শাপলা কলি চেনে না।
হাতিরঝিল এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম জানান, তিনি ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বাড্ডা এলাকার ভোটার। এক সময় বিএনপির প্রতি সমর্থন থাকলেও এখন নেই। স্ট্রিমকে শহীদুল বলেন, এখানে জামায়াতের আতিকুর রহমান থাকলে তাঁকে ভোট দিতাম। এখন কাকে দেব এখনো ঠিক করিনি। হয়ত কাইয়ুমের সম্ভাবনা বেশি। তবে আমার বিশ্বাস, জনগণ নাহিদকে বেছে নেবে।
মানুষ আমাকে চেনে, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত: কাইয়ুম
বিএনপির সাবেক কমিশনার এমএ কাইয়ুম শনিবার দিনভর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। দুপুরে বাড্ডা হাই স্কুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির সভায় যোগ দিয়ে ভোটের প্রচার চালান তিনি।

পরে স্ট্রিমকে কাইয়ুম বলেন, প্রচারে অভূত সাড়া পাচ্ছি। এই এলাকায় আমি দীর্ঘদিন কমিশনার ছিলাম, মানুষ আমাকে চেনে। বিএনপির আমলে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের হাহাকার মুক্ত হয়েছিল। ধানের শীষের জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত।
পরে কাইয়ুম হাতিরঝিলে পিঠা উৎসব, ভাটারা ও বাড্ডায় মতবিনিময় এবং রাতে পূর্ব বাড্ডায় ওয়াজ মাহফিলে অংশ নেন।
নতুন করে কাউকে স্বৈরাচার হতে দেব না: নাহিদ
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার সুবাস্তু মার্কেটে গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন শাপলা কলির প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এক স্বৈরাচার পালিয়েছে। নতুন কোনো স্বৈরাচার আসুক– এটি আমরা কখনো হতে দেব না। এই মার্কেটের বহু ব্যবসায়ী আন্দোলনে ছিলেন। এখন তাদের নতুন করে চাঁদা দিতে হচ্ছে। আমরা এটি বরদাশত করব না।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তবে এসব হুমকিকে উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিয়ে আসবে। একইসঙ্গে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটে সংস্কার ও দুর্নীতির বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’–কে জয়ী করবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নীরব বিপ্লব ঘটবে। ৫ আগস্ট জনতা যেভাবে রাজপথে ছিল, ভোটের দিনও সেভাবে কেন্দ্রে থাকার ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম।
এদিন সকাল থেকে বিরামহীনভাবে গণসংযোগ ও পথসভা করছেন নাহিদ ইসলাম। এই আসনের অন্তর্গত নূরেরচালা, বাঁশতলা, সাঈদ নগর ও কুইন্স গার্ডেন এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন তিনি।

ঢাকা-১১ (বাড্ডা, রামপুরা, ভাটারা ও হাতিরঝিল) আসনে এমএ কাইয়ুমকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তরুণ নাহিদ ইসলাম। দীর্ঘদিন কমিশনার থাকায় এলাকাবাসীর চেনা মুখ ধানের শীষের কাইয়ুম। অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের জুলাই অভ্যুত্থান শাপলা কলির প্রার্থী নাহিদকে দিয়েছে সারাদেশে পরিচিতি।
ঢাকা-১১ আসনের অলিগলি থেকে চায়ের দোকানে চলছে প্রধান দুই প্রার্থী– বিএনপি নেতা কাইয়ুম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের চুলচেরা বিশ্লেষণ। সরেজমিন বাড্ডা ও রামপুরায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে কাইয়ুম ও নাহিদের মধ্যে ভোটের লড়াই হাড্ডাহাডির আভাস মিলেছে।
রাজধানীর বাড্ডার সুবাস্তু মার্কেটের পেছনে এক যুগের বেশি বসবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবদুল মান্নানের। ফুচকা বিক্রেতা আবদুল মান্নান অভিজ্ঞতার বিচারে বিএনপি নেতা কাইয়ুমকে এগিয়ে রাখছেন, ‘কাইয়ুম পুরোনো মানুষ, সবাই চেনে। নতুন হিসেবে নাহিদও চেষ্টা করছেন। যে-ই জিতুক, ভালো কাজ করলে আমরা খুশি।’
সাতক্ষীরা থেকে আসা রামপুরার রিকশাচালক মাজেদুর রহমান মন্টু বলেন, সারাদেশের মতো ঢাকা-১১ আসনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নেতাকর্মীর নানা অপকর্মে বিএনপির সমর্থনে ভাটা দেখা দিয়েছিল। তবে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর চিত্র পাল্টে গেছে। মনে হচ্ছে, কাইয়ুম এবং নাহিদ– ভোটে কেউ কাউকে ছাড় দেবেন না।
ফ্যাক্টর জামায়াত
সমঝোতায় ঢাকা-১১ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ভোটাররা বলছেন, এ আসনে জামায়াতই ভোটের সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে। সুবাস্তু মার্কেটের চা বিক্রেতা সোহাগ মিয়ার মতে, এখানে জামায়াতের প্রার্থী থাকলে জয় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু নাহিদ ইসলামের জয়ের সম্ভাবনা কম। আমি তাঁকে পছন্দ করলেও মানুষ তো নাহিদের শাপলা কলি চেনে না।
হাতিরঝিল এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম জানান, তিনি ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বাড্ডা এলাকার ভোটার। এক সময় বিএনপির প্রতি সমর্থন থাকলেও এখন নেই। স্ট্রিমকে শহীদুল বলেন, এখানে জামায়াতের আতিকুর রহমান থাকলে তাঁকে ভোট দিতাম। এখন কাকে দেব এখনো ঠিক করিনি। হয়ত কাইয়ুমের সম্ভাবনা বেশি। তবে আমার বিশ্বাস, জনগণ নাহিদকে বেছে নেবে।
মানুষ আমাকে চেনে, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত: কাইয়ুম
বিএনপির সাবেক কমিশনার এমএ কাইয়ুম শনিবার দিনভর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। দুপুরে বাড্ডা হাই স্কুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির সভায় যোগ দিয়ে ভোটের প্রচার চালান তিনি।

পরে স্ট্রিমকে কাইয়ুম বলেন, প্রচারে অভূত সাড়া পাচ্ছি। এই এলাকায় আমি দীর্ঘদিন কমিশনার ছিলাম, মানুষ আমাকে চেনে। বিএনপির আমলে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের হাহাকার মুক্ত হয়েছিল। ধানের শীষের জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত।
পরে কাইয়ুম হাতিরঝিলে পিঠা উৎসব, ভাটারা ও বাড্ডায় মতবিনিময় এবং রাতে পূর্ব বাড্ডায় ওয়াজ মাহফিলে অংশ নেন।
নতুন করে কাউকে স্বৈরাচার হতে দেব না: নাহিদ
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার সুবাস্তু মার্কেটে গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন শাপলা কলির প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এক স্বৈরাচার পালিয়েছে। নতুন কোনো স্বৈরাচার আসুক– এটি আমরা কখনো হতে দেব না। এই মার্কেটের বহু ব্যবসায়ী আন্দোলনে ছিলেন। এখন তাদের নতুন করে চাঁদা দিতে হচ্ছে। আমরা এটি বরদাশত করব না।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তবে এসব হুমকিকে উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিয়ে আসবে। একইসঙ্গে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটে সংস্কার ও দুর্নীতির বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’–কে জয়ী করবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নীরব বিপ্লব ঘটবে। ৫ আগস্ট জনতা যেভাবে রাজপথে ছিল, ভোটের দিনও সেভাবে কেন্দ্রে থাকার ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম।
এদিন সকাল থেকে বিরামহীনভাবে গণসংযোগ ও পথসভা করছেন নাহিদ ইসলাম। এই আসনের অন্তর্গত নূরেরচালা, বাঁশতলা, সাঈদ নগর ও কুইন্স গার্ডেন এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন তিনি।

অধিবেশন শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথে তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এদিন সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশন ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
২১ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যুতে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২১ ঘণ্টা আগে