ওয়ারিশ বিতর্ক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ওয়ারিশ-সংক্রান্ত মতপার্থক্যের জেরে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে পদত্যাগ করেছেন কমিটির ছয় সদস্য। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তাঁরা।
সরে যাওয়া ছয়জন হলেন, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল জাবের, বর্তমান প্রেসিডেন্ট সালাহ উদ্দিন শুভ, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা, প্রতিষ্ঠাকালীন উপপরিচালক ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ফাহিম আব্দুল্লাহ, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান অর্থ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রায়হান, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান উপ-নির্বাহী পরিচালক হাবীবুল্লাহ মিসবাহ।
তারা জানিয়েছেন, শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সৃষ্টি হওয়া ওয়ারিশ-সংক্রান্ত জটিলতা এবং চলমান বিরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিজ নিজ ফেসবুক পোস্টে ছয়জন বলেছেন, ওসমান হাদি জীবদ্দশায় কালচারাল সেন্টারকে ‘জনতার আমানত’ হিসেবে পরিচালনার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তাঁর শাহাদাতের পর গত ছয় মাস ধরে ওয়ারিশ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেও হয়নি। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় শহীদ ওসমান হাদির ওয়ারিশদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ অনুযায়ী ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব দাবিদারদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরে দাঁড়ানো নেতারা আরও জানান, তাদের দায়িত্বকালীন হিসাব দ্রুত প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে তাদের দাবি, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছেন না; শুধু ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন।
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির পরিচালিত "শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশন" থেকে সেন্টারের পরিচালনা নিয়ে আপত্তি ও নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছিল। পরিবারের দাবি ছিল, ওসমান হাদির নামে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেন্টারের পরিচালনার অধিকার তাদেরই থাকা উচিত। বিরোধ দীর্ঘায়িত না করতেই বর্তমান কমিটি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।’
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ফাহিম আব্দুল্লাহ স্ট্রিমকে জানান, শিগগির একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুরো বিষয়টি জানানো হবে এবং হিসাব-নিকাশ প্রকাশ করা হবে। আপাতত নতুন কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠনের পরিকল্পনা নেই। এ ছাড়া ইনকিলাব মঞ্চ ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের কমিটি আলাদা; ইনকিলাব মঞ্চের কার্যক্রম আগের মতোই চলবে।
এদিকে ‘শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশন’-এর ফেসবুক পেজ থেকে দাবি করা হয়েছে, সেন্টারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শহীদ ওসমান হাদির মা, ভাই ও পরিবারের সদস্যদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, যে প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগের সঙ্গে জড়িত, সেখানে তাঁর পরিবারের যথাযথ স্থান কেন থাকবে না।
এ বিষয়ে শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ওয়ারিশ-সংক্রান্ত মতপার্থক্যের জেরে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে পদত্যাগ করেছেন কমিটির ছয় সদস্য। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তাঁরা।
সরে যাওয়া ছয়জন হলেন, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল জাবের, বর্তমান প্রেসিডেন্ট সালাহ উদ্দিন শুভ, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা, প্রতিষ্ঠাকালীন উপপরিচালক ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ফাহিম আব্দুল্লাহ, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান অর্থ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রায়হান, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান উপ-নির্বাহী পরিচালক হাবীবুল্লাহ মিসবাহ।
তারা জানিয়েছেন, শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সৃষ্টি হওয়া ওয়ারিশ-সংক্রান্ত জটিলতা এবং চলমান বিরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিজ নিজ ফেসবুক পোস্টে ছয়জন বলেছেন, ওসমান হাদি জীবদ্দশায় কালচারাল সেন্টারকে ‘জনতার আমানত’ হিসেবে পরিচালনার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তাঁর শাহাদাতের পর গত ছয় মাস ধরে ওয়ারিশ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেও হয়নি। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় শহীদ ওসমান হাদির ওয়ারিশদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ অনুযায়ী ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব দাবিদারদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরে দাঁড়ানো নেতারা আরও জানান, তাদের দায়িত্বকালীন হিসাব দ্রুত প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে তাদের দাবি, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছেন না; শুধু ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন।
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির পরিচালিত "শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশন" থেকে সেন্টারের পরিচালনা নিয়ে আপত্তি ও নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছিল। পরিবারের দাবি ছিল, ওসমান হাদির নামে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেন্টারের পরিচালনার অধিকার তাদেরই থাকা উচিত। বিরোধ দীর্ঘায়িত না করতেই বর্তমান কমিটি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।’
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ফাহিম আব্দুল্লাহ স্ট্রিমকে জানান, শিগগির একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুরো বিষয়টি জানানো হবে এবং হিসাব-নিকাশ প্রকাশ করা হবে। আপাতত নতুন কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠনের পরিকল্পনা নেই। এ ছাড়া ইনকিলাব মঞ্চ ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের কমিটি আলাদা; ইনকিলাব মঞ্চের কার্যক্রম আগের মতোই চলবে।
এদিকে ‘শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশন’-এর ফেসবুক পেজ থেকে দাবি করা হয়েছে, সেন্টারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শহীদ ওসমান হাদির মা, ভাই ও পরিবারের সদস্যদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, যে প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগের সঙ্গে জড়িত, সেখানে তাঁর পরিবারের যথাযথ স্থান কেন থাকবে না।
এ বিষয়ে শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
.png)

খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮২৩ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নেওয়া হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবছে শহর। প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও এর সুফল না মেলায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
১১ মিনিট আগেবজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে সরকার দেশের বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাসম্বলিত মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
১৪ মিনিট আগে
যুবদলের নাম ব্যবহার করে কেউ বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে জন্য যুবদল কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে।
১৬ মিনিট আগে
আগামী ৫ বছরে শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
২২ মিনিট আগে