স্ট্রিম সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে জোটের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এলডিপি প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এদিকে রোববার দুপুরে ভোলা জেলা এলডিপির পক্ষ থেকে ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা সভাপতি মো. বশির আহমেদ লিখিত বক্তব্যে জানান, জোটের ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জামায়াত প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নিষ্ঠাকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের নেতারা মোকফারের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক ত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না। জেলা সভাপতি তাঁর পক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “গত ১৫ জানুয়ারি জোটের সিদ্ধান্তে ভোলা-২ আসন এলডিপিকে দেওয়া হয়। ১৬ জানুয়ারি জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা থাকলেও তিনি তা করেননি। এমনকি ২১ জানুয়ারি তিনি প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সমর্থন না থাকলে কোনো প্রার্থী এমনটি করতে পারেন না। এটি স্পষ্ট প্রতারণা।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের লোকজন তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই মানসম্মান রক্ষায় তিনি জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, “আমাদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এলডিপি প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা তা মানতে রাজি নয়।” তিনি দাবি করেন, এলডিপি সরে না দাঁড়ালেও জামায়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তেই অটল থাকত। প্রার্থীর অসহযোগিতার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট এলডিপিকে ভোলা-২ আসনসহ সাতটি আসন ছেড়ে দেয়। তবে জামায়াত প্রার্থী ফজলুল করিম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এলাকায় নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ২৪ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফজলুল করিমের সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। একই দিন সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি চূড়ান্ত করার কথা থাকলেও প্রার্থীর মায়ের মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে জোটের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এলডিপি প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এদিকে রোববার দুপুরে ভোলা জেলা এলডিপির পক্ষ থেকে ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা সভাপতি মো. বশির আহমেদ লিখিত বক্তব্যে জানান, জোটের ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জামায়াত প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নিষ্ঠাকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের নেতারা মোকফারের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক ত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না। জেলা সভাপতি তাঁর পক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “গত ১৫ জানুয়ারি জোটের সিদ্ধান্তে ভোলা-২ আসন এলডিপিকে দেওয়া হয়। ১৬ জানুয়ারি জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা থাকলেও তিনি তা করেননি। এমনকি ২১ জানুয়ারি তিনি প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সমর্থন না থাকলে কোনো প্রার্থী এমনটি করতে পারেন না। এটি স্পষ্ট প্রতারণা।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের লোকজন তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই মানসম্মান রক্ষায় তিনি জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, “আমাদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এলডিপি প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা তা মানতে রাজি নয়।” তিনি দাবি করেন, এলডিপি সরে না দাঁড়ালেও জামায়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তেই অটল থাকত। প্রার্থীর অসহযোগিতার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট এলডিপিকে ভোলা-২ আসনসহ সাতটি আসন ছেড়ে দেয়। তবে জামায়াত প্রার্থী ফজলুল করিম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এলাকায় নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ২৪ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফজলুল করিমের সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। একই দিন সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি চূড়ান্ত করার কথা থাকলেও প্রার্থীর মায়ের মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত করা হয়।

রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বিএনপি নতুন ফ্যাসিবাদ হওয়ার চেষ্টা করলে আবারও এদেশের ছাত্র-জনতা বিএনপির পুরাতন ঠিকানা লন্ডন পালিয়ে যেতে বাধ্য করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছে। প্রতীক বরাদ্দের পর দলটির প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও, কিছু আসনে শরিকদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করছেন। শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ শরিক ১০ দলের তৃণমূল বাগে না আসলে ‘শাপলা কলি’ চ্যালেঞ্জে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
২ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বীর শহীদ ইশমামের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী পদযাত্রা।
২ ঘণ্টা আগে