স্ট্রিম প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তিকে ‘দেশবিরোধী’ ও ‘জনস্বার্থ পরিপন্থী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প ও ওষুধ খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে দেশ।
চুক্তির সময়কাল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকার তড়িঘড়ি করে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি করেছে। নির্বাচনের মাত্র দুদিন আগে এমন সুদূরপ্রসারী ও আত্মঘাতী চুক্তি করার কোনো নৈতিক অধিকার ওই সরকারের ছিল না।
আনু মুহাম্মদের অভিযোগ, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কার সঙ্গে বাণিজ্য করবে বা কার কাছ থেকে পণ্য কিনবে, সেই ক্ষমতা মার্কিন প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রয়োজন না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র, বোয়িং উড়োজাহাজ এবং বিপুল পরিমাণ তুলা ও খাদ্যশস্য আমদানির শর্ত দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের দেশের গ্যাসসম্পদ উত্তোলনে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ওষুধ শিল্পের ওপর চুক্তির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিশিষ্ট চিকিৎসক হারুন-অর-রশীদ বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু এই চুক্তির শর্তের কারণে দেশীয় কোম্পানিগুলো আর সস্তায় জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করতে পারবে না। এতে ওষুধের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়া অসম্ভব হবে।
পোলট্রি ও কৃষি খাতের বিপর্যয় নিয়ে গবেষক মাহা মির্জা বলেন, আমাদের পোলট্রি ও ডেইরি শিল্পকে এই চুক্তি ধ্বংস করে দেবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দিলে আমাদের স্থানীয় খামারিরা অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে বাজার হারাবে। কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, চুক্তি না মানলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নেওয়া বন্ধ করে দেবে— এসব বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আনু মুহাম্মদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দয়া করে পণ্য নেয় না। তারা এখান থেকে সস্তায় পণ্য কিনে নিজেদের বাজারে মুনাফা করে।
সমাবেশ শেষে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, এই ‘দেশবিরোধী’ চুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেওয়া চলবে না। এই চুক্তি বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করাই হবে আমাদের আগামী দিনের প্রধান সংগ্রাম।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তিকে ‘দেশবিরোধী’ ও ‘জনস্বার্থ পরিপন্থী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প ও ওষুধ খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে দেশ।
চুক্তির সময়কাল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকার তড়িঘড়ি করে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি করেছে। নির্বাচনের মাত্র দুদিন আগে এমন সুদূরপ্রসারী ও আত্মঘাতী চুক্তি করার কোনো নৈতিক অধিকার ওই সরকারের ছিল না।
আনু মুহাম্মদের অভিযোগ, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কার সঙ্গে বাণিজ্য করবে বা কার কাছ থেকে পণ্য কিনবে, সেই ক্ষমতা মার্কিন প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রয়োজন না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র, বোয়িং উড়োজাহাজ এবং বিপুল পরিমাণ তুলা ও খাদ্যশস্য আমদানির শর্ত দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের দেশের গ্যাসসম্পদ উত্তোলনে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ওষুধ শিল্পের ওপর চুক্তির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিশিষ্ট চিকিৎসক হারুন-অর-রশীদ বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু এই চুক্তির শর্তের কারণে দেশীয় কোম্পানিগুলো আর সস্তায় জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করতে পারবে না। এতে ওষুধের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়া অসম্ভব হবে।
পোলট্রি ও কৃষি খাতের বিপর্যয় নিয়ে গবেষক মাহা মির্জা বলেন, আমাদের পোলট্রি ও ডেইরি শিল্পকে এই চুক্তি ধ্বংস করে দেবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দিলে আমাদের স্থানীয় খামারিরা অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে বাজার হারাবে। কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, চুক্তি না মানলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নেওয়া বন্ধ করে দেবে— এসব বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আনু মুহাম্মদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দয়া করে পণ্য নেয় না। তারা এখান থেকে সস্তায় পণ্য কিনে নিজেদের বাজারে মুনাফা করে।
সমাবেশ শেষে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, এই ‘দেশবিরোধী’ চুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেওয়া চলবে না। এই চুক্তি বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করাই হবে আমাদের আগামী দিনের প্রধান সংগ্রাম।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে ‘বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মব সৃষ্টি ও হামলার’ ঘটনায় নিন্দা-প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের সাময়িক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে রাশেদের বক্তব্যকে আপত্তিকর আখ্যা দিয়ে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর আসাদ গেট এলাকার বাসায় এই হামলা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা এবং বর্তমান সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীকে নির্বাচনে ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী হিসেবে পাওয়া গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে