স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনের ফলাফল যা হয়েছে তা নিয়ে কথা আছে কিন্তু নতুন ধারার সংস্কৃতি দেশে চালু করতে চান বলে প্রত্যাখ্যান করেননি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় এ নেতা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ পরিবর্তন চায়। চলমান ধারার ওই রাজনীতি আর দেখতে চায়। এই পরিবর্তনের জন্য ৯ মাস ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ আলোচনা চলেছে। সেই আলোচনার ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হলো। কিন্তু এই আলোচনার এক অংশ বাস্তবায়ন হল আরেক অংশ বাস্তবায়নের কাজ এখন পর্যন্ত শুরু হলো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোটার ছিল। এর একটি বড় অংশ হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তার মানে তারা সংস্কার চান। এই যে জাতির পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, যুব সমাজের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, এটা যদি ফুলফিল না হয় তাহলে সমাজ কীভাবে চলবে। এটা কি আগের কায়দায় চলবে। ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু লক্ষণ দেখছি। বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্ত পরিবর্তন আনা হয়েছে সমাজ স্বাভাবিকভাবে এটাকে কিন্তু অভিনন্দন জানায় নাই। জানাতে পারত যদি সিদ্ধান্তগুলো সেভাবে হতো।’
আশা প্রকাশ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘জনগণের অভিপ্রায়কে সম্মান করে সরকারি দল অবিলম্বে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন এবং তাদেরই সিদ্ধান্তের কারণে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, এটা তারা নিরশন করবে। তাহলে এদের প্রতি মানুষের আস্থা থাকবে। নইলে যেভাবে তিনটা নির্বাচনের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হয়েছিল এটা আরো মারাত্মক আকারে তৈরি হবে।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভয়ের সংস্কৃতি সর্বত্র যেভাবে তৈরি হয়েছিল এটাই সমাজকে পুরাপুরি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। আমরা সামাজিক শৃঙ্খলার দিক থেকে, অর্থনৈতিক দিক থেকে, সাংস্কৃতিক দিক থেকে একদম তলানিতে পড়ে গিয়েছিলাম। এখান থেকে জাতি উঠে এসেছে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ায়নি। ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এখনো কিন্তু কালো ছায়া রয়েছে। সমাজের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, সংকীর্ণতা ও প্রতিহিংসা সর্বত্র বিরাজ করছে। মাত্রা যা-ই হোক।’
তিনি আরো বলেন, ‘একসময় মানুষ রাজনীতিবিদ শুনলে সমাজে ভিন্ন একটা শ্রদ্ধার জায়গা তৈরি করে দিত। এখন সে জায়গাটা রাজনীতিবিদরা নিজের কর্মকাণ্ডের কারণে হারিয়ে ফেলছে। কথার সাথে কাজের মিল খুঁজে পায় না। তখন মানুষের মনে শুধু অশ্রদ্ধা তৈরি হয় না বরঞ্চ ক্ষোভও তৈরি হয়। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যতক্ষণ পর্যন্ত কথায় কাজের মিল রেখে জাতিকে আস্থায় না আনতে পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি না যে একটা ভালো জাতি গঠন হবে। এই জায়গাটা অবশ্যই তৈরি করার মৌলিক দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের। আমরা ওই জায়গাটা তৈরি করার জন্যই কাজ।

নির্বাচনের ফলাফল যা হয়েছে তা নিয়ে কথা আছে কিন্তু নতুন ধারার সংস্কৃতি দেশে চালু করতে চান বলে প্রত্যাখ্যান করেননি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় এ নেতা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ পরিবর্তন চায়। চলমান ধারার ওই রাজনীতি আর দেখতে চায়। এই পরিবর্তনের জন্য ৯ মাস ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ আলোচনা চলেছে। সেই আলোচনার ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হলো। কিন্তু এই আলোচনার এক অংশ বাস্তবায়ন হল আরেক অংশ বাস্তবায়নের কাজ এখন পর্যন্ত শুরু হলো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোটার ছিল। এর একটি বড় অংশ হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তার মানে তারা সংস্কার চান। এই যে জাতির পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, যুব সমাজের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, এটা যদি ফুলফিল না হয় তাহলে সমাজ কীভাবে চলবে। এটা কি আগের কায়দায় চলবে। ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু লক্ষণ দেখছি। বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্ত পরিবর্তন আনা হয়েছে সমাজ স্বাভাবিকভাবে এটাকে কিন্তু অভিনন্দন জানায় নাই। জানাতে পারত যদি সিদ্ধান্তগুলো সেভাবে হতো।’
আশা প্রকাশ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘জনগণের অভিপ্রায়কে সম্মান করে সরকারি দল অবিলম্বে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন এবং তাদেরই সিদ্ধান্তের কারণে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, এটা তারা নিরশন করবে। তাহলে এদের প্রতি মানুষের আস্থা থাকবে। নইলে যেভাবে তিনটা নির্বাচনের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হয়েছিল এটা আরো মারাত্মক আকারে তৈরি হবে।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভয়ের সংস্কৃতি সর্বত্র যেভাবে তৈরি হয়েছিল এটাই সমাজকে পুরাপুরি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। আমরা সামাজিক শৃঙ্খলার দিক থেকে, অর্থনৈতিক দিক থেকে, সাংস্কৃতিক দিক থেকে একদম তলানিতে পড়ে গিয়েছিলাম। এখান থেকে জাতি উঠে এসেছে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ায়নি। ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এখনো কিন্তু কালো ছায়া রয়েছে। সমাজের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, সংকীর্ণতা ও প্রতিহিংসা সর্বত্র বিরাজ করছে। মাত্রা যা-ই হোক।’
তিনি আরো বলেন, ‘একসময় মানুষ রাজনীতিবিদ শুনলে সমাজে ভিন্ন একটা শ্রদ্ধার জায়গা তৈরি করে দিত। এখন সে জায়গাটা রাজনীতিবিদরা নিজের কর্মকাণ্ডের কারণে হারিয়ে ফেলছে। কথার সাথে কাজের মিল খুঁজে পায় না। তখন মানুষের মনে শুধু অশ্রদ্ধা তৈরি হয় না বরঞ্চ ক্ষোভও তৈরি হয়। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যতক্ষণ পর্যন্ত কথায় কাজের মিল রেখে জাতিকে আস্থায় না আনতে পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি না যে একটা ভালো জাতি গঠন হবে। এই জায়গাটা অবশ্যই তৈরি করার মৌলিক দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের। আমরা ওই জায়গাটা তৈরি করার জন্যই কাজ।

বাকশাল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে দেশের মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও চলাচলের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
৩ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এনসিপি নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের বাসায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও শহীদদের কবরস্থানে মোনাজাত করেন। তারা একে 'শহীদী মোলাকাত' বলছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের জন্য সংসদে এবং সংসদের বাইরে সর্বাত্মক চাপ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। ঈদ আসলে বিশেষ করে শহরে-নগরে অবস্থানরত জনগণ নাড়ির টানে বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে। সেই সময়টা অতীতেও বিভিন্ন সময় অনেক গ্যাঞ্জাম ছিল, সমস্যা ছিল। এবার সমস্যাটা হয়েছে আরও বেশি মাত্রায়। আমরা খুবই ব্যথিত, আমরা লজ্জিত।
১ দিন আগে