স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে অযোগ্য ঘোষণা ও দলটির নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খানের কাছে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ সহযোগী ও রাজনৈতিক বৈধতা প্রদানকারী জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া সংবিধানের মৌলিক চেতনা ও অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের ভোটাধিকার হরণকারী নির্বাচন ও ২০২৪ সালের তথাকথিত ‘ডামি’ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তারা মূলত ‘বিরোধী দল’ সেজে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থাকে কৃত্রিম রাজনৈতিক বৈধতা প্রদান করেছে। এমনকি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যার বৈধতা দিতে এবং সরাসরি সহযোগিতা করতেও জাতীয় পার্টি দ্বিধা করেনি। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সকল অপকর্ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সমান অংশীদার ছিল এই দলটি।
সংগঠনটি তাদের দাবিতে উল্লেখ করে, আওয়ামী লীগ যখন নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, তখন তাদের প্রধান সহযোগীরা কীভাবে সুযোগ পায়—তা দেশের জনগণের জন্য এক চরম বিস্ময়। সংবিধানের ৭, ১১ ও ১১৮ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা জানান, জনগণের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষার খাতিরে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা জরুরি। তারা বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক বৈষম্য নয়, বরং গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা হিসেবে দেখছে।
স্মারকলিপিতে আরও দাবি করা হয়, সংবিধান ও প্রচলিত আইনের আলোকে জাতীয় পার্টিকে আসন্ন নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করে তাদের নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল করা হোক। ইসি যেন অবিলম্বে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট, নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ দিয়ে জানায়, ফ্যাসিবাদী দোসরদের নির্বাচনে সুযোগ দেওয়া হলে তা হবে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। নির্বাচন কমিশন যেন গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের সুযোগ না দেয়, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে অযোগ্য ঘোষণা ও দলটির নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খানের কাছে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ সহযোগী ও রাজনৈতিক বৈধতা প্রদানকারী জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া সংবিধানের মৌলিক চেতনা ও অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের ভোটাধিকার হরণকারী নির্বাচন ও ২০২৪ সালের তথাকথিত ‘ডামি’ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তারা মূলত ‘বিরোধী দল’ সেজে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থাকে কৃত্রিম রাজনৈতিক বৈধতা প্রদান করেছে। এমনকি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যার বৈধতা দিতে এবং সরাসরি সহযোগিতা করতেও জাতীয় পার্টি দ্বিধা করেনি। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সকল অপকর্ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সমান অংশীদার ছিল এই দলটি।
সংগঠনটি তাদের দাবিতে উল্লেখ করে, আওয়ামী লীগ যখন নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, তখন তাদের প্রধান সহযোগীরা কীভাবে সুযোগ পায়—তা দেশের জনগণের জন্য এক চরম বিস্ময়। সংবিধানের ৭, ১১ ও ১১৮ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা জানান, জনগণের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষার খাতিরে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা জরুরি। তারা বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক বৈষম্য নয়, বরং গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা হিসেবে দেখছে।
স্মারকলিপিতে আরও দাবি করা হয়, সংবিধান ও প্রচলিত আইনের আলোকে জাতীয় পার্টিকে আসন্ন নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করে তাদের নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল করা হোক। ইসি যেন অবিলম্বে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট, নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ দিয়ে জানায়, ফ্যাসিবাদী দোসরদের নির্বাচনে সুযোগ দেওয়া হলে তা হবে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। নির্বাচন কমিশন যেন গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের সুযোগ না দেয়, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬