জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ভোটকেন্দ্রের সামনে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীকে বিএনপি নেতার থাপ্পড়

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
রাজশাহী

রাজশাহীর পবায় স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বিএনপি নেতা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগমকে ভোটকেন্দ্রের সামনে মারধর করেছেন বিএনপির এক নেতা। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে পবার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে হাবিবা বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তিনি মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদকও ছিলেন।

হাবিবাকে মারধরের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দাঁড়িয়ে কথা বলার একপর্যায়ে হঠাৎ এক ব্যক্তি হাবিবাকে সজোরে থাপ্পড় দেন। তিনি কোনোমতে সামলে উঠে দাঁড়ালে ফের চড় মারা হয়। এরপর হাবিবার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে রক্ষা করেন। আর ওই ব্যক্তিকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান আরেকজন।

স্থানীয়রা জানান, হাবিবাকে মারধর করেন রজব আলী। তিনি পবার হরিয়ান ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। পরে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করেন রজব আলী তাদের দলের নেতা।

এদিকে ঘটনার পর দুই বছরের সন্তানকে কোলে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে একটি চেয়ারে বসে ছিলেন হাবিবা। তখন তিনি জানান, ভোট কেন্দ্রের সামনে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছিলেন; ভোটও চান। ওই সময় রজব আলী এসে বাধা দেন। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে একাধিকবার চড় মারা হয়। মারধরের কারণে তিনি কানে শুনতে পাচ্ছেন না। কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে।

এরপর বিকেল ৪টার দিকে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাবিবার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আকবর হোসেন বলেন, একজন নারী প্রার্থীর গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। প্রিসাইডিং অফিসারকে জানানো হলেও তিনি ভোটকেন্দ্রের বাইরের ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে গেছেন। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হবে। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।

ঘটনার পর অভিযুক্ত বিএনপি নেতা রজব আলীকে পাওয়া যায়নি। সেখানে থাকা বিএনপি নেতাকর্মীদের কেউ রজব আলীর ফোন নম্বরও দিতে চাননি।

অবশ্য কেন্দ্রের সামনে থাকা হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান জানান, রজব আলী তাদের দলের নেতা। কিন্তু ওই ঘটনায় কারা জড়িত তিনি জানেন না।

রাজশাহীর কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, কেন্দ্রের সামনে ভোট চাওয়া নিয়ে এক প্রার্থীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু মারধরের ঘটনা জানা নেই।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত