স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুশাসন, সংস্কার, সার্বভৌমত্ব এবং হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার লক্ষ্য সামনে রেখে ১০ দিনব্যাপী নির্বাচনী সফর শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা নিজ প্রার্থীদের আসন এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে পথসভা করব।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে জনসংযোগ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্বাচনি পদযাত্রার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ১০ দিনব্যাপী নির্বাচনী সফর। আমাদের প্রার্থীদের আসন এবং যে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে এনসিপি শক্তিশালী সেখানে পথসভা করব। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ১১ দলীয় জোটের পক্ষে আমরা ৩০ আসনে নির্বাচন করছি। আমরা সোমবার শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী জনসংযোগ শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব এবং হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার জন্য প্রচারণা করব।'
নির্বাচনী ইশতিহার নিয়ে তিনি বলেন, কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান, সেসব ইশতেহারের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁরা ইশতেহার প্রকাশ কবেন বলেও জানান৷
নির্বাচনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমরা শঙ্কা করছি প্রভাব বিস্তারের। আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আগে ক্ষমতাসীনরা ৪০-৫০ জন আইনজীবী পাঠিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি বিভিন্ন আসনের প্রান্তিক এলাকা থেকে মানুষ নিয়ে এসে মব ক্রিয়েট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা দবৈত নাগরিকদের নির্বাচন যাতে করতে না দেওয়া হয়, সেই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি।'
আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমরা আশা করছিলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দলের দলীয় প্যাডে বিভিন্ন পত্রিকা এবং টেলিভিশনের সাংবাদিকদের নাম আসছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য দলীয় প্যাডে নাম আশা আশঙ্কাজনক। বিজ্ঞাপনের মোড়কে একটি দলের প্রচারণা চলছে। এইখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকার আশঙ্কা করছি। যদি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন আকারে দলীয় প্রচারণা করার সুযোগ থাকে, তাহলে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লাসহ সব দলকে সুযোগ দেওয়া হোক।'
সাবেক এই সমন্বয়ক আরও বলেন, 'আমরা এই পদযাত্রার মাধ্যমে জোটের সকল দলের প্রার্থীদের পক্ষেই কাজ করব। আমরা একসঙ্গে এক দিকে না গিয়ে বিভিন্ন দিকে আমাদের ভয়েস ছড়িয়ে দেওয়ার চিন্তা করেছি। আমরা আমাদের দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি জোটের পার্থীদেরও প্রচারণা করব।'
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

সুশাসন, সংস্কার, সার্বভৌমত্ব এবং হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার লক্ষ্য সামনে রেখে ১০ দিনব্যাপী নির্বাচনী সফর শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা নিজ প্রার্থীদের আসন এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে পথসভা করব।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে জনসংযোগ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্বাচনি পদযাত্রার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ১০ দিনব্যাপী নির্বাচনী সফর। আমাদের প্রার্থীদের আসন এবং যে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে এনসিপি শক্তিশালী সেখানে পথসভা করব। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ১১ দলীয় জোটের পক্ষে আমরা ৩০ আসনে নির্বাচন করছি। আমরা সোমবার শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী জনসংযোগ শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব এবং হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার জন্য প্রচারণা করব।'
নির্বাচনী ইশতিহার নিয়ে তিনি বলেন, কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান, সেসব ইশতেহারের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁরা ইশতেহার প্রকাশ কবেন বলেও জানান৷
নির্বাচনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমরা শঙ্কা করছি প্রভাব বিস্তারের। আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আগে ক্ষমতাসীনরা ৪০-৫০ জন আইনজীবী পাঠিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি বিভিন্ন আসনের প্রান্তিক এলাকা থেকে মানুষ নিয়ে এসে মব ক্রিয়েট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা দবৈত নাগরিকদের নির্বাচন যাতে করতে না দেওয়া হয়, সেই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি।'
আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমরা আশা করছিলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দলের দলীয় প্যাডে বিভিন্ন পত্রিকা এবং টেলিভিশনের সাংবাদিকদের নাম আসছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য দলীয় প্যাডে নাম আশা আশঙ্কাজনক। বিজ্ঞাপনের মোড়কে একটি দলের প্রচারণা চলছে। এইখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকার আশঙ্কা করছি। যদি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন আকারে দলীয় প্রচারণা করার সুযোগ থাকে, তাহলে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লাসহ সব দলকে সুযোগ দেওয়া হোক।'
সাবেক এই সমন্বয়ক আরও বলেন, 'আমরা এই পদযাত্রার মাধ্যমে জোটের সকল দলের প্রার্থীদের পক্ষেই কাজ করব। আমরা একসঙ্গে এক দিকে না গিয়ে বিভিন্ন দিকে আমাদের ভয়েস ছড়িয়ে দেওয়ার চিন্তা করেছি। আমরা আমাদের দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি জোটের পার্থীদেরও প্রচারণা করব।'
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বিএনপি নতুন ফ্যাসিবাদ হওয়ার চেষ্টা করলে আবারও এদেশের ছাত্র-জনতা বিএনপির পুরাতন ঠিকানা লন্ডন পালিয়ে যেতে বাধ্য করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছে। প্রতীক বরাদ্দের পর দলটির প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও, কিছু আসনে শরিকদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করছেন। শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ শরিক ১০ দলের তৃণমূল বাগে না আসলে ‘শাপলা কলি’ চ্যালেঞ্জে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
২ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বীর শহীদ ইশমামের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী পদযাত্রা।
২ ঘণ্টা আগে