স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন জন টার্নাস। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানিটির দায়িত্ব নেবেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে টার্নাস বলেন, ‘আমার পেশাজীবনের বেশির ভাগ সময় অ্যাপলে কাটিয়েছি। স্টিভ জবসের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। টিক কুককে মেন্টর হিসেবে পাওয়া ছিল আমার জন্য সৌভাগ্যের।’
কে এই টার্নাস
টার্নাস বর্তমানে অ্যাপলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছেন। আইফোন ও ম্যাকের মতো জনপ্রিয় পণ্যের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি অ্যাপল ভিশন প্রোর হার্ডওয়্যারের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
ম্যাক, এয়ারপডস এবং আইফোন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উন্নয়নেও তার ভূমিকা রয়েছে। অ্যাপলের তথ্যমতে, তার নেতৃত্বাধীন দল নতুন ম্যাকবুক নিও এবং আইফোন ১৭ সিরিজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
কতদিন ধরে অ্যাপলে
প্রায় ২৫ বছর ধরে অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত টার্নাস। ২০০১ সালে প্রোডাক্ট ডিজাইন টিমে যোগ দেন তিনি। ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০১৩ সালে তিনি হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। পরে ২০২১ সালে তাকে নির্বাহী দলে অন্তর্ভুক্ত করে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে উন্নীত করা হয়।
ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়া থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। অ্যাপলে যোগ দেওয়ার আগে একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন টার্নাস।
গত এক বছর ধরেই তাকে সিইও পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ফলে এই নিয়োগ অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ
নতুন দায়িত্বে টার্নাসকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। টিম কুক ২০১১ সাল থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অ্যাপলকে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছে দিয়েছেন। যা স্টিভ জবস পরবর্তী সময়ে একটি বড় অর্জন।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে ভবিষ্যৎ কী হবে। প্রযুক্তি বিশ্লেষক ড্যান আইভস মনে করেন, টিম কুক একজন স্থায়ী ও শক্তিশালী উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছেন। তাই নতুন দায়িত্ব নেওয়া টার্নাসের ওপর শুরু থেকেই ভালো ফল দেখানোর জন্য অনেক চাপ থাকবে বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে।
জবস যেখানে নতুন ঝুঁকি নিতে আগ্রহী ছিলেন সেখানে কুক বিদ্যমান পণ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিষেবা খাতে সাফল্য এনে দেন। যেমন অ্যাপল ওয়াচ, এয়ারপডস এবং অ্যাপল টিভি প্লাস।
এখন টার্নাসের সামনে চ্যালেঞ্জ—তিনি কোন কৌশল বেছে নেবেন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এআই দুনিয়ায় অ্যাপলকে নতুন উচ্চতায় নিতে পারবেন কি না।
ফরেস্টারের বিশ্লেষক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জী বলেন, টার্নাসের হার্ডওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ড ইঙ্গিত দেয় অ্যাপল ভবিষ্যতেও তাদের ফিজিক্যাল পণ্যের মাধ্যমে আলাদা অবস্থান তৈরি করতে চাইবে, পাশাপাশি ডিভাইসকে আরও বুদ্ধিমান অভিজ্ঞতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলবে।
সুত্র: সিএনএন

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন জন টার্নাস। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানিটির দায়িত্ব নেবেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে টার্নাস বলেন, ‘আমার পেশাজীবনের বেশির ভাগ সময় অ্যাপলে কাটিয়েছি। স্টিভ জবসের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। টিক কুককে মেন্টর হিসেবে পাওয়া ছিল আমার জন্য সৌভাগ্যের।’
কে এই টার্নাস
টার্নাস বর্তমানে অ্যাপলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছেন। আইফোন ও ম্যাকের মতো জনপ্রিয় পণ্যের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি অ্যাপল ভিশন প্রোর হার্ডওয়্যারের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
ম্যাক, এয়ারপডস এবং আইফোন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উন্নয়নেও তার ভূমিকা রয়েছে। অ্যাপলের তথ্যমতে, তার নেতৃত্বাধীন দল নতুন ম্যাকবুক নিও এবং আইফোন ১৭ সিরিজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
কতদিন ধরে অ্যাপলে
প্রায় ২৫ বছর ধরে অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত টার্নাস। ২০০১ সালে প্রোডাক্ট ডিজাইন টিমে যোগ দেন তিনি। ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০১৩ সালে তিনি হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। পরে ২০২১ সালে তাকে নির্বাহী দলে অন্তর্ভুক্ত করে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে উন্নীত করা হয়।
ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়া থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। অ্যাপলে যোগ দেওয়ার আগে একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন টার্নাস।
গত এক বছর ধরেই তাকে সিইও পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ফলে এই নিয়োগ অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ
নতুন দায়িত্বে টার্নাসকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। টিম কুক ২০১১ সাল থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অ্যাপলকে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছে দিয়েছেন। যা স্টিভ জবস পরবর্তী সময়ে একটি বড় অর্জন।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে ভবিষ্যৎ কী হবে। প্রযুক্তি বিশ্লেষক ড্যান আইভস মনে করেন, টিম কুক একজন স্থায়ী ও শক্তিশালী উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছেন। তাই নতুন দায়িত্ব নেওয়া টার্নাসের ওপর শুরু থেকেই ভালো ফল দেখানোর জন্য অনেক চাপ থাকবে বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে।
জবস যেখানে নতুন ঝুঁকি নিতে আগ্রহী ছিলেন সেখানে কুক বিদ্যমান পণ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিষেবা খাতে সাফল্য এনে দেন। যেমন অ্যাপল ওয়াচ, এয়ারপডস এবং অ্যাপল টিভি প্লাস।
এখন টার্নাসের সামনে চ্যালেঞ্জ—তিনি কোন কৌশল বেছে নেবেন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এআই দুনিয়ায় অ্যাপলকে নতুন উচ্চতায় নিতে পারবেন কি না।
ফরেস্টারের বিশ্লেষক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জী বলেন, টার্নাসের হার্ডওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ড ইঙ্গিত দেয় অ্যাপল ভবিষ্যতেও তাদের ফিজিক্যাল পণ্যের মাধ্যমে আলাদা অবস্থান তৈরি করতে চাইবে, পাশাপাশি ডিভাইসকে আরও বুদ্ধিমান অভিজ্ঞতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলবে।
সুত্র: সিএনএন

প্রতিবন্ধীদের জন্য ডিজিটাল সেবা সহজ করতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
২১ দিন আগে
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস’ (বেসিস) নির্বাচনে ‘ব্রিফকেস কোম্পানি’র আড়ালে ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
২১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকদিন ধরেই মায়েদের ‘ব্রেস্টফিডিং’ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। বলা হচ্ছে, নানা কারণে মায়েরা তাদের শিশুদের ব্রেস্টফিডিং করান না। ফলে শিশুরা সংক্রামকসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন এই দুটি ধারণাই ভুল।
২৩ দিন আগে
বিশ্বায়নের যুগে বর্তমানে শিশুদের দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল, ট্যাবলেট ও টিভি যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন অধিকাংশ পরিবারই শিশুকে খাওয়ানো থেকে শুরু করে শান্ত রাখা পর্যন্ত নানা কাজে স্ক্রিন ব্যবহার করে। খেলার মাঠ, বই কিংবা সামাজিক মেলামেশার পাশাপাশি স্ক্রিনও এখন তাদের শেখা ও বিনোদনের প্রধান মাধ্যম।
২৩ দিন আগে