স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রতিবন্ধীদের জন্য ডিজিটাল সেবা সহজ করতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিডা অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি। গ্লোবাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে ২০২৬ উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। প্রতি বছর মে মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়।
মাহবুব আনাম বলেন, ‘কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এই নীতি মেনে ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরি হচ্ছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাথায় রেখেই এখন থেকে ডিজিটাল সেবার নকশা হবে। এটি দয়া নয়; তাদের অধিকার।‘
মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হবে। দেশের প্রতিবন্ধী সন্তানদের সম্পদে পরিণত করতে আইসিটি বিভাগ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেবে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল অভিগম্যতায় (অ্যাক্সেসিবিলিটি) অবদান রাখা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগকে সহযোগিতা দেবে সরকার। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা সহজ করতে কাজ করছে সরকার।
আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, ডিজিটাল সেবা সহজ করতে সরকারি-বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ডিজিটাল অভিগম্যতায় বিশেষ অবদানে পাঁচটি উদ্যোগকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এগুলো হলো—সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের থেরাপি সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট ও ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম, বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সার্ভিস, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র গ্রাম আদালত মোবাইল অ্যাপ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ইবিএল স্কাইব্যাংকিং।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক, অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালট্যান্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য, সাইটসেভার্সের অমৃতা রেজিনা রোজারিও, ফ্রেন্ডশিপের আয়েশা তাসিন খান এবং সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধীবান্ধব উদ্ভাবনের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

প্রতিবন্ধীদের জন্য ডিজিটাল সেবা সহজ করতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিডা অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি। গ্লোবাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে ২০২৬ উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। প্রতি বছর মে মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়।
মাহবুব আনাম বলেন, ‘কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এই নীতি মেনে ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরি হচ্ছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাথায় রেখেই এখন থেকে ডিজিটাল সেবার নকশা হবে। এটি দয়া নয়; তাদের অধিকার।‘
মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হবে। দেশের প্রতিবন্ধী সন্তানদের সম্পদে পরিণত করতে আইসিটি বিভাগ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেবে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল অভিগম্যতায় (অ্যাক্সেসিবিলিটি) অবদান রাখা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগকে সহযোগিতা দেবে সরকার। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা সহজ করতে কাজ করছে সরকার।
আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, ডিজিটাল সেবা সহজ করতে সরকারি-বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ডিজিটাল অভিগম্যতায় বিশেষ অবদানে পাঁচটি উদ্যোগকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এগুলো হলো—সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের থেরাপি সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট ও ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম, বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সার্ভিস, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র গ্রাম আদালত মোবাইল অ্যাপ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ইবিএল স্কাইব্যাংকিং।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মোহা. আব্দুর রফিক, অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালট্যান্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য, সাইটসেভার্সের অমৃতা রেজিনা রোজারিও, ফ্রেন্ডশিপের আয়েশা তাসিন খান এবং সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধীবান্ধব উদ্ভাবনের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস’ (বেসিস) নির্বাচনে ‘ব্রিফকেস কোম্পানি’র আড়ালে ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকদিন ধরেই মায়েদের ‘ব্রেস্টফিডিং’ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। বলা হচ্ছে, নানা কারণে মায়েরা তাদের শিশুদের ব্রেস্টফিডিং করান না। ফলে শিশুরা সংক্রামকসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন এই দুটি ধারণাই ভুল।
২ দিন আগে
বিশ্বায়নের যুগে বর্তমানে শিশুদের দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল, ট্যাবলেট ও টিভি যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন অধিকাংশ পরিবারই শিশুকে খাওয়ানো থেকে শুরু করে শান্ত রাখা পর্যন্ত নানা কাজে স্ক্রিন ব্যবহার করে। খেলার মাঠ, বই কিংবা সামাজিক মেলামেশার পাশাপাশি স্ক্রিনও এখন তাদের শেখা ও বিনোদনের প্রধান মাধ্যম।
২ দিন আগে
ভোজনরসিকদের খুবই প্রিয় একটি খাবার ‘লবস্টার’। ইদানীং ‘লাক্সারি ফুড’ হিসেবে ফাইন ডাইন রেস্টুরেন্টগুলোতে এর চাহিদা ব্যাপক।
৪ দিন আগে