চট্টগ্রামে লবণ কারখানায় আগুন: ২ শ্রমিকের মৃত্যু

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১৬: ২৬
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা।

মৃতরা হলেন, পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের হুলাইন ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাত্তার মাঝির বাড়ির মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও বোয়ালখালীর দিদারুল আলম (৩২)। এ ঘটনায় একজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোহাম্মদ আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুল আলম মারা যান। পরে রাত ১০টার দিকে একই হাসপাতালে মারা যান দিদারুল আলম।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, দিদারুল আলমের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং শ্বাসনালি পুড়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে, নুরুল আলমের শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, আশঙ্কাজনক পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুজন মারা গেছেন। তিনজন হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, দগ্ধদের ক্ষেত্রে শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জটিলতা অনেক বেশি। সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মো. শামসুদ্দিন বলেন, এক সপ্তাহ ধরে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ। এ সময় বিভিন্ন যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণের (মেইনটেন্যান্স) কাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে জেনারেটর প্রতিস্থাপনের সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। এতে শ্রমিকরা দগ্ধ হন।

তিনি আরও বলেন, আহতরা কারখানার স্থায়ী শ্রমিক নন। তারা ওয়েল্ডিং কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত