স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে মেসি, এমবাপ্পে, হলান্ড কিংবা রদ্রির মতো তারকা থাকবে এমনটা প্রত্যাশিত। তবে এবারের বিশ্বকাপ শুধু প্রতিষ্ঠিত তারকারা নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে নতুন মুখও। সেই বিবেচনাতেই ঢাকা স্ট্রিম তাঁদের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ সাজিয়েছে।
সবচেয়ে বড় চমক গোলরক্ষকে। স্পেনের গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী উনাই সিমনের বদলে একাদশে জায়গা পেয়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সি গোলরক্ষক ভোজিনহা।
বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নেমে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে একের পর এক হেড ঠেকিয়ে দলকে গোলশূন্য ড্র এনে দেন ভোজিনহা। সেটিই ছিল বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের প্রথম পয়েন্ট।
শেষ ৩২-এ গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান তিনি। ম্যাচে আটটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করলেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলে হেরে বিদায় নেয় কেপ ভার্দে। ওই ম্যাচের পরেই আলোচনায় আসে ভোজিনহা। টুর্নামেন্ট শেষে দ্য গার্ডিয়ান তাঁকে বিশ্বকাপের অন্যতম ‘কাল্ট হিরো’ হিসেবে উল্লেখ করে।
রক্ষণভাগে ভোজিনহার সামনে রাখা হয়েছে পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও মার্ক কুকুরেয়াকে।
বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের কুবার্সি। টুর্নামেন্টে তাঁর ৬৯০টি পাসের মধ্যে সফল ছিল ৬৬৮টি।
রোমেরোকে বেছে নেওয়ার কারণ তাঁর আগ্রাসী ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী রক্ষণভাগের খেলা। কুবার্সি ও কুকুরেয়ার মতো বল দখলনির্ভর ফুটবলারদের পাশে তাঁর উপস্থিতি রক্ষণে ভারসাম্য এনেছে। বিশ্বকাপে তাঁর ৪০৭টি পাসের মধ্যে সফল ছিল ৩৯৩টি।
বাঁ প্রান্তে কুকুরেয়া ৪৭৪টি পাসের মধ্যে ৪৩৩টি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। আর ডান প্রান্তে পেদ্রো পোরো ৩৯২টি পাসের মধ্যে ৩৫৯টি সফল করার পাশাপাশি করেছেন দুটি গোল।
মধ্যমাঠের দায়িত্বে আছেন রদ্রি ও জুড বেলিংহাম। গোল্ডেন বলজয়ী রদ্রি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৭৯৯টি পাস দিয়েছেন। অন্যদিকে ব্রোঞ্জ বুটজয়ী বেলিংহাম করেছেন ৭ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট। মিডফিল্ডার হয়েও আক্রমণে ফরোয়ার্ডদের মতোই প্রভাব রেখেছেন তিনি।
আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন মাইকেল ওলিসে, লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এরলিং হলান্ড।
১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন এমবাপ্পে। মেসির নামের পাশে আছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। প্রথম বিশ্বকাপ খেলেই হলান্ড করেছেন ৭ গোল। বেলিংহামের গোলও ৭টি। অর্থাৎ এই চারজন মিলে করেছেন ৩২ গোল।
মেসিকে আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডে রাখার কারণ তাঁর সৃজনশীলতা, শেষ পাস দেওয়ার দক্ষতা এবং গোল করার সামর্থ্যকে একসঙ্গে কাজে লাগানো।
অন্যদিকে ওলিসে জায়গা পেয়েছেন তাঁর অসাধারণ অ্যাসিস্টের জন্য। বিশ্বকাপে তিনি করেছেন ৭টি অ্যাসিস্ট করে এক আসরে পেলের ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছে।
গোলরক্ষক: ভোজিনহা
রক্ষণ: পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, মার্ক কুকুরেয়া
মধ্যমাঠ: রদ্রি, জুড বেলিংহাম
আক্রমণভাগ: মাইকেল ওলিসে, লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে
স্ট্রাইকার: এরলিং হলান্ড
বদলি: হ্যারি কেইন, উনাই সিমন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আইমেরিক লাপোর্তে, মোহাম্মদ সালাহ ও ইসমাইল সাইবারি।
বদলি বেঞ্চও শক্তিশালী। হ্যারি কেইন করেছেন ৬ গোল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আছে ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট। গোলপোস্টে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী উনাই সিমন, রক্ষণে ৬১৮টি সফল পাস দেওয়া লাপোর্তে এবং আক্রমণে মোহাম্মদ সালাহ—প্রয়োজনে তাঁরা মূল একাদশের খেলোয়াড়দের কার্যকর বিকল্প হতে পারেন।
তারকাদের পাশাপাশি ভোজিনহার মতো অচেনা নায়কদের স্বীকৃতি দিয়েই এবারের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ সাজিয়েছে ঢাকা স্ট্রিম।

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে মেসি, এমবাপ্পে, হলান্ড কিংবা রদ্রির মতো তারকা থাকবে এমনটা প্রত্যাশিত। তবে এবারের বিশ্বকাপ শুধু প্রতিষ্ঠিত তারকারা নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে নতুন মুখও। সেই বিবেচনাতেই ঢাকা স্ট্রিম তাঁদের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ সাজিয়েছে।
সবচেয়ে বড় চমক গোলরক্ষকে। স্পেনের গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী উনাই সিমনের বদলে একাদশে জায়গা পেয়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সি গোলরক্ষক ভোজিনহা।
বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নেমে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে একের পর এক হেড ঠেকিয়ে দলকে গোলশূন্য ড্র এনে দেন ভোজিনহা। সেটিই ছিল বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের প্রথম পয়েন্ট।
শেষ ৩২-এ গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান তিনি। ম্যাচে আটটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করলেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলে হেরে বিদায় নেয় কেপ ভার্দে। ওই ম্যাচের পরেই আলোচনায় আসে ভোজিনহা। টুর্নামেন্ট শেষে দ্য গার্ডিয়ান তাঁকে বিশ্বকাপের অন্যতম ‘কাল্ট হিরো’ হিসেবে উল্লেখ করে।
রক্ষণভাগে ভোজিনহার সামনে রাখা হয়েছে পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও মার্ক কুকুরেয়াকে।
বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের কুবার্সি। টুর্নামেন্টে তাঁর ৬৯০টি পাসের মধ্যে সফল ছিল ৬৬৮টি।
রোমেরোকে বেছে নেওয়ার কারণ তাঁর আগ্রাসী ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী রক্ষণভাগের খেলা। কুবার্সি ও কুকুরেয়ার মতো বল দখলনির্ভর ফুটবলারদের পাশে তাঁর উপস্থিতি রক্ষণে ভারসাম্য এনেছে। বিশ্বকাপে তাঁর ৪০৭টি পাসের মধ্যে সফল ছিল ৩৯৩টি।
বাঁ প্রান্তে কুকুরেয়া ৪৭৪টি পাসের মধ্যে ৪৩৩টি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। আর ডান প্রান্তে পেদ্রো পোরো ৩৯২টি পাসের মধ্যে ৩৫৯টি সফল করার পাশাপাশি করেছেন দুটি গোল।
মধ্যমাঠের দায়িত্বে আছেন রদ্রি ও জুড বেলিংহাম। গোল্ডেন বলজয়ী রদ্রি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৭৯৯টি পাস দিয়েছেন। অন্যদিকে ব্রোঞ্জ বুটজয়ী বেলিংহাম করেছেন ৭ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট। মিডফিল্ডার হয়েও আক্রমণে ফরোয়ার্ডদের মতোই প্রভাব রেখেছেন তিনি।
আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন মাইকেল ওলিসে, লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এরলিং হলান্ড।
১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন এমবাপ্পে। মেসির নামের পাশে আছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। প্রথম বিশ্বকাপ খেলেই হলান্ড করেছেন ৭ গোল। বেলিংহামের গোলও ৭টি। অর্থাৎ এই চারজন মিলে করেছেন ৩২ গোল।
মেসিকে আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডে রাখার কারণ তাঁর সৃজনশীলতা, শেষ পাস দেওয়ার দক্ষতা এবং গোল করার সামর্থ্যকে একসঙ্গে কাজে লাগানো।
অন্যদিকে ওলিসে জায়গা পেয়েছেন তাঁর অসাধারণ অ্যাসিস্টের জন্য। বিশ্বকাপে তিনি করেছেন ৭টি অ্যাসিস্ট করে এক আসরে পেলের ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছে।
গোলরক্ষক: ভোজিনহা
রক্ষণ: পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, মার্ক কুকুরেয়া
মধ্যমাঠ: রদ্রি, জুড বেলিংহাম
আক্রমণভাগ: মাইকেল ওলিসে, লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে
স্ট্রাইকার: এরলিং হলান্ড
বদলি: হ্যারি কেইন, উনাই সিমন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আইমেরিক লাপোর্তে, মোহাম্মদ সালাহ ও ইসমাইল সাইবারি।
বদলি বেঞ্চও শক্তিশালী। হ্যারি কেইন করেছেন ৬ গোল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আছে ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট। গোলপোস্টে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী উনাই সিমন, রক্ষণে ৬১৮টি সফল পাস দেওয়া লাপোর্তে এবং আক্রমণে মোহাম্মদ সালাহ—প্রয়োজনে তাঁরা মূল একাদশের খেলোয়াড়দের কার্যকর বিকল্প হতে পারেন।
তারকাদের পাশাপাশি ভোজিনহার মতো অচেনা নায়কদের স্বীকৃতি দিয়েই এবারের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ সাজিয়েছে ঢাকা স্ট্রিম।

আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন।
২১ জুলাই ২০২৬
আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
২১ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
২০ জুলাই ২০২৬
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
২০ জুলাই ২০২৬