স্পোর্টস ডেস্ক

মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর অনবদ্য বীরত্ব ম্লান করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের নৈপুণ্যে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।
কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি ঠেকিয়ে ডান দিকে যখন ঝাঁপিয়ে পড়লেন ইয়াসিন বুনু, বোস্টন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তখন মরক্কোর রূপকথা ওড়ার গুঞ্জন। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে শুরুর বাঁশি থেকে ফরাসি আক্রমণের যে ঢেউ আছড়ে পড়ছিল, প্রথমার্ধে তার সামনে একা এক অদৃশ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বুনু। কিন্তু পেনাল্টি মিসের ক্ষত বোধ হয় এমবাপ্পেকে আরও বেশি ক্ষুধার্ত করে তুলেছিল। বিরতির পর সেই বুনু-দেয়াল ভেঙেই কোয়ার্টার ফাইনালে জয় তুলে নেয় ফরাসিরা।
ম্যাচের শুরুর বাঁশি বাজতেই বোঝা গেল, ফ্রান্স মরক্কোর রক্ষণভাগে ঝাঁপিয়ে পড়তে এসেছে। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগকে পুরোপুরি চাপে ফেলে তারা। তবে ফরাসি ঢেউয়ের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ান মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু, যার দুর্দান্ত সব সেভই মরক্কোকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
শুরুতে তিন ডিফেন্ডার নিয়ে রক্ষণ সাজালেও ফ্রান্সের চাপের মুখে দ্রুতই তা পাঁচজনের দেয়ালে পরিণত হয়। মরক্কো নিজেদের পায়ে বল নিলেই ফ্রান্স হাই-প্রেসিংয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকে। প্রথম ২০ মিনিট ছিল সম্পূর্ণ একমুখী। বলের দখল, গতি আর আধিপত্য সবই ছিল ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে। মরক্কো তখন শুধু রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল, আক্রমণে উঠতেই পারেনি।
অবশ্য ম্যাচের ২৬তম মিনিটে এমবাপ্পেকে বক্সে মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসাইর মাকরাউয়ি ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে ২৮তম মিনিটে এমবাপ্পের নেওয়া দুর্বল শটটি ডান দিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইয়াসিন বুনু।
পেনাল্টি মিসের পর যেন আরও ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে ফ্রান্স। কখনো ঝাঁপিয়ে, কখনো মুষ্টিবদ্ধ হাতে, আবার কখনো নিখুঁত পজিশনিংয়ে বুনু ফরাসিদের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার অনবদ্য দৃঢ়তায় গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল। প্রথমার্ধে ফ্রান্সের ১৩টি শটের মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে, আর মরক্কো যোগ করা সময় ছাড়া ফ্রান্সের গোলমুখে তেমন কোনো হুমকিই তৈরি করতে পারেনি।
বিরতি থেকে ফিরেই দুই দলই গতি বাড়ায়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই জমে উঠলেও ধীরে ধীরে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মরক্কোর রক্ষণে ফাটল ধরাতে শুরু করে ফ্রান্স। ছোট ছোট পাস আর নিখুঁত বিল্ডআপের ফল মেলে ৬০তম মিনিটে। দেজিরে দোয়ের পাস থেকে বক্সের কিনারা থেকে দুর্দান্ত শটে জাল কাঁপান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই গোলে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে পেনাল্টি মিসের প্রায়শ্চিত্ত করেন তিনি।
চলতি বিশ্বকাপে আট গোল করে লিওনেল মেসির করা আট গোলকে ছুঁয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজেকে এগিয়ে রাখলেন তিনি। এটি বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এমবাপ্পের ২০তম গোল, যা শীর্ষে থাকা মেসির চেয়ে এক গোল কম। মরক্কো যখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে, ঠিক তখনই আসে আরেকটি বড় ধাক্কা। মাত্র ছয় মিনিট পর এমবাপ্পের তৈরি করে দেওয়া ফাঁকা জায়গার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে ব্যবধান ২-০ করেন উসমান দেম্বেলে।
দুই গোল হজম করার পর মরক্কো গোল শোধ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে জাকারিয়ার একটি অন টার্গেট শট ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ ঠেকিয়ে দিলে গোলবঞ্চিত হয় আফ্রিকার দেশটি। তার ঠিক পরের মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে আসা বলটি এল আয়নাউয়ি হেড দিয়ে সাইড নেটিং করলে মাঠে উপস্থিত দর্শকেরা ভেবেছিলেন মরক্কো ব্যবধান কমিয়েছে, কিন্তু তা আর হয়নি। শেষ কয়েক মিনিট মরক্কো প্রবল আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করলেও তা ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠল ফ্রান্স। এই হারের মাধ্যমে মরক্কোর টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভেঙে গেল।

মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর অনবদ্য বীরত্ব ম্লান করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের নৈপুণ্যে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।
কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি ঠেকিয়ে ডান দিকে যখন ঝাঁপিয়ে পড়লেন ইয়াসিন বুনু, বোস্টন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তখন মরক্কোর রূপকথা ওড়ার গুঞ্জন। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে শুরুর বাঁশি থেকে ফরাসি আক্রমণের যে ঢেউ আছড়ে পড়ছিল, প্রথমার্ধে তার সামনে একা এক অদৃশ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বুনু। কিন্তু পেনাল্টি মিসের ক্ষত বোধ হয় এমবাপ্পেকে আরও বেশি ক্ষুধার্ত করে তুলেছিল। বিরতির পর সেই বুনু-দেয়াল ভেঙেই কোয়ার্টার ফাইনালে জয় তুলে নেয় ফরাসিরা।
ম্যাচের শুরুর বাঁশি বাজতেই বোঝা গেল, ফ্রান্স মরক্কোর রক্ষণভাগে ঝাঁপিয়ে পড়তে এসেছে। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগকে পুরোপুরি চাপে ফেলে তারা। তবে ফরাসি ঢেউয়ের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ান মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু, যার দুর্দান্ত সব সেভই মরক্কোকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
শুরুতে তিন ডিফেন্ডার নিয়ে রক্ষণ সাজালেও ফ্রান্সের চাপের মুখে দ্রুতই তা পাঁচজনের দেয়ালে পরিণত হয়। মরক্কো নিজেদের পায়ে বল নিলেই ফ্রান্স হাই-প্রেসিংয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকে। প্রথম ২০ মিনিট ছিল সম্পূর্ণ একমুখী। বলের দখল, গতি আর আধিপত্য সবই ছিল ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে। মরক্কো তখন শুধু রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল, আক্রমণে উঠতেই পারেনি।
অবশ্য ম্যাচের ২৬তম মিনিটে এমবাপ্পেকে বক্সে মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসাইর মাকরাউয়ি ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে ২৮তম মিনিটে এমবাপ্পের নেওয়া দুর্বল শটটি ডান দিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইয়াসিন বুনু।
পেনাল্টি মিসের পর যেন আরও ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে ফ্রান্স। কখনো ঝাঁপিয়ে, কখনো মুষ্টিবদ্ধ হাতে, আবার কখনো নিখুঁত পজিশনিংয়ে বুনু ফরাসিদের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার অনবদ্য দৃঢ়তায় গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল। প্রথমার্ধে ফ্রান্সের ১৩টি শটের মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে, আর মরক্কো যোগ করা সময় ছাড়া ফ্রান্সের গোলমুখে তেমন কোনো হুমকিই তৈরি করতে পারেনি।
বিরতি থেকে ফিরেই দুই দলই গতি বাড়ায়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই জমে উঠলেও ধীরে ধীরে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মরক্কোর রক্ষণে ফাটল ধরাতে শুরু করে ফ্রান্স। ছোট ছোট পাস আর নিখুঁত বিল্ডআপের ফল মেলে ৬০তম মিনিটে। দেজিরে দোয়ের পাস থেকে বক্সের কিনারা থেকে দুর্দান্ত শটে জাল কাঁপান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই গোলে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে পেনাল্টি মিসের প্রায়শ্চিত্ত করেন তিনি।
চলতি বিশ্বকাপে আট গোল করে লিওনেল মেসির করা আট গোলকে ছুঁয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজেকে এগিয়ে রাখলেন তিনি। এটি বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এমবাপ্পের ২০তম গোল, যা শীর্ষে থাকা মেসির চেয়ে এক গোল কম। মরক্কো যখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে, ঠিক তখনই আসে আরেকটি বড় ধাক্কা। মাত্র ছয় মিনিট পর এমবাপ্পের তৈরি করে দেওয়া ফাঁকা জায়গার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে ব্যবধান ২-০ করেন উসমান দেম্বেলে।
দুই গোল হজম করার পর মরক্কো গোল শোধ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে জাকারিয়ার একটি অন টার্গেট শট ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ ঠেকিয়ে দিলে গোলবঞ্চিত হয় আফ্রিকার দেশটি। তার ঠিক পরের মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে আসা বলটি এল আয়নাউয়ি হেড দিয়ে সাইড নেটিং করলে মাঠে উপস্থিত দর্শকেরা ভেবেছিলেন মরক্কো ব্যবধান কমিয়েছে, কিন্তু তা আর হয়নি। শেষ কয়েক মিনিট মরক্কো প্রবল আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করলেও তা ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠল ফ্রান্স। এই হারের মাধ্যমে মরক্কোর টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভেঙে গেল।

ফুটবল মাঠের লড়াই থামে ৯০ মিনিটে, কখনোবা টাইব্রেকারে। রেফারি বাজান শেষ বাঁশি। ম্যাচের স্কোর আর গ্যালারির গর্জন আচমকা থমকে যায়। রেকর্ডের খাতা হয় নিস্তব্ধ। কোটি টাকার তারকাখ্যাতি কিংবা বিজ্ঞাপনী জৌলুস মুহূর্তেই ধুয়েমুছে যায়। সবুজ ঘাসে দাঁড়িয়ে থাকা মহাতারকারা তখন কেবল রক্তমাংসের মানুষ হিসেবে ধরা দেন।
১২ ঘণ্টা আগে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ১৩ রানে হেরে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দেওয়া ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচ হারে টাইগাররা।
১২ ঘণ্টা আগে
ওপেনার বেন কারানের সেঞ্চুরি এবং ব্র্যাড ইভান্সের ঝড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারেতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে একের পর এক রেকর্ড নিজের করে নিচ্ছেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে ৮৩ মিনিটে গোল করার পর ৬ বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।
১৮ ঘণ্টা আগে