স্ট্রিম প্রতিবেদক

তীরে এসে তরি ডুবল বাংলাদেশের। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে সিরিজ খোয়াল স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৮৯ রানেই থেমে যায় লাল-সবুজ দল।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। অজি বোলার অ্যারন হার্ডির করা ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে টিম ডেভিডের হাতে ক্যাচ দেন তাওহীদ হৃদয়। ফলে ৭ রানের জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে অজিরা। ২০ ওভার শেষে ম্যাট রেনশর অপরাজিত ৮৯ ও টিম ডেভিডের ৪৫ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তুলে অস্ট্রেলিয়া।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে টাইগাররা। প্রথম ওভার থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। চতুর্থ ওভারে ১৫ বলে ৩০ রান করা তামিমকে কট অ্যান্ড বোল্ড করে ব্রেক-থ্রু এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। তিনে নামা সৌম্য সরকার ১৫ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে আউট হলে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
এরপর দলের হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৩ রান। তবে এরপর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। ৩৬ রান করা ইমন অ্যারন হার্ডির বলে মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। পরের ওভারে জোয়েল ডেভিসের বলে আউট হন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করা ওপেনার সাইফ হাসান।
শামীম পাটোয়ারী ৭ রান করে সাজঘরে ফিরলে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। শেষ দিকে ব্যাটারদের ফিনিশিং ব্যর্থতা এবং ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ের খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। শেষ ওভারে তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের শুরুতেই অজি ওপেনার মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন। তবে শেখ মেহেদীর পরিবর্তে দলে আসা বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন। নাসুমের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরেন জশ ইংলিস। এই উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন নাসুম।
বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় আঘাত হানেন পেসার নাহিদ রানা। তাঁর বলে মাত্র ১ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন ফর্মে থাকা কুপার কনোলি। এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে অজি দলপতি মার্শকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪৪ রান।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে চতুর্থ উইকেটে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। এই দুই ব্যাটার বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ১০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৯১ রান।
রিশাদ হোসেনের ওভারে পরপর তিন ছক্কা মেরে ম্যাট রেনশ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন। ৪৫ রান করা টিম ডেভিডকে আউট করে এই জুটিতে ভাঙন ধরান অলরাউন্ডার সাকলাইন।
বিদায়ের আগে রেনশ ও ডেভিড চতুর্থ উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়েন। এরপর নিখিল ৮ এবং ডেভিড ১৩ রান করে ফিরলেও রেনশর ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ২৭ রানে নেন ২ উইকেট।

তীরে এসে তরি ডুবল বাংলাদেশের। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে সিরিজ খোয়াল স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৮৯ রানেই থেমে যায় লাল-সবুজ দল।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। অজি বোলার অ্যারন হার্ডির করা ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে টিম ডেভিডের হাতে ক্যাচ দেন তাওহীদ হৃদয়। ফলে ৭ রানের জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে অজিরা। ২০ ওভার শেষে ম্যাট রেনশর অপরাজিত ৮৯ ও টিম ডেভিডের ৪৫ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তুলে অস্ট্রেলিয়া।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে টাইগাররা। প্রথম ওভার থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। চতুর্থ ওভারে ১৫ বলে ৩০ রান করা তামিমকে কট অ্যান্ড বোল্ড করে ব্রেক-থ্রু এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। তিনে নামা সৌম্য সরকার ১৫ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে আউট হলে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
এরপর দলের হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৩ রান। তবে এরপর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। ৩৬ রান করা ইমন অ্যারন হার্ডির বলে মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। পরের ওভারে জোয়েল ডেভিসের বলে আউট হন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করা ওপেনার সাইফ হাসান।
শামীম পাটোয়ারী ৭ রান করে সাজঘরে ফিরলে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। শেষ দিকে ব্যাটারদের ফিনিশিং ব্যর্থতা এবং ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ের খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। শেষ ওভারে তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের শুরুতেই অজি ওপেনার মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন। তবে শেখ মেহেদীর পরিবর্তে দলে আসা বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন। নাসুমের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরেন জশ ইংলিস। এই উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন নাসুম।
বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় আঘাত হানেন পেসার নাহিদ রানা। তাঁর বলে মাত্র ১ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন ফর্মে থাকা কুপার কনোলি। এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে অজি দলপতি মার্শকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪৪ রান।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে চতুর্থ উইকেটে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। এই দুই ব্যাটার বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ১০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৯১ রান।
রিশাদ হোসেনের ওভারে পরপর তিন ছক্কা মেরে ম্যাট রেনশ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন। ৪৫ রান করা টিম ডেভিডকে আউট করে এই জুটিতে ভাঙন ধরান অলরাউন্ডার সাকলাইন।
বিদায়ের আগে রেনশ ও ডেভিড চতুর্থ উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়েন। এরপর নিখিল ৮ এবং ডেভিড ১৩ রান করে ফিরলেও রেনশর ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ২৭ রানে নেন ২ উইকেট।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬