স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে আরও গতিশীল করতে ফুটবলের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। সোমবার (৩০ মার্চ) ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদসংস্থা ইএসপিএন সকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময় অপচয় রোধ করা এবং মাঠের রেফারিদের ওপর চাপ কমানোই এই ৫ ‘গেম-চেঞ্জার’ নিয়মের মূল লক্ষ্য।
ফিফার ঘোষিত নতুন ৫ নিয়ম হলো:
এখন থেকে বদলি হওয়ার সংকেত পাওয়ার পর একজন খেলোয়াড়কে মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ ছাড়তে হবে। যদি কোনো খেলোয়াড় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরি করেন, তবে তাঁর পরিবর্তে নামা খেলোয়াড়কে সাইডলাইনে ১ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ ওই ১ মিনিট সংশ্লিষ্ট দলকে ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হবে।
থ্রো-ইন ও গোল কিক নেওয়ার জন্য খেলোয়াড়রা সময় পাবেন মাত্র ৫ সেকেন্ড। কোনো দলের খেলোয়াড় যদি এই সময়ের মধ্যে বল মাঠে না পাঠাতে পারেন, তবে তাঁর দল বলের দখল হারাবে এবং প্রতিপক্ষ দল বলের মালিকানা পাবে।
কোনো খেলোয়াড় মাঠে চিকিৎসা নেওয়ার পর যদি সুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁকে মাঠের বাইরে গিয়ে অন্তত ১ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপরই তিনি পুনরায় খেলায় ফিরতে পারবেন। তবে ফাউলের জন্য প্রতিপক্ষ হলুদ বা লাল কার্ড পেলে আহত খেলোয়াড়কে বাইরে বসে থাকতে হবে না।
এখন থেকে ভিএআর প্রযুক্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের বিষয়েও রিভিউ করতে পারবে, যা পরে লাল কার্ডে বদলাতে পারে। এমনকি রেফারি ভুলবশত কর্নার কিক দিয়ে ফেললেও ভিএআর-এর সহায়তায় সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হবে।
রেফারির যেকোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে কেবল দলের অধিনায়কই কথা বলতে পারবেন। অধিনায়ক ছাড়া অন্য কোনো খেলোয়াড় যদি রেফারিকে ঘিরে ধরেন বা তর্কে লিপ্ত হন, তবে তাঁকে সরাসরি হলুদ কার্ড দেখানো হবে।
ফুটবল বোদ্ধাদের মতে, ফিফার এই নতুন নিয়মগুলো কার্যকর হলে খেলায় নাটুকেপনা ও সময় নষ্ট করার প্রবণতা অনেকাংশেই কমে আসবে।

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে আরও গতিশীল করতে ফুটবলের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। সোমবার (৩০ মার্চ) ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদসংস্থা ইএসপিএন সকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময় অপচয় রোধ করা এবং মাঠের রেফারিদের ওপর চাপ কমানোই এই ৫ ‘গেম-চেঞ্জার’ নিয়মের মূল লক্ষ্য।
ফিফার ঘোষিত নতুন ৫ নিয়ম হলো:
এখন থেকে বদলি হওয়ার সংকেত পাওয়ার পর একজন খেলোয়াড়কে মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ ছাড়তে হবে। যদি কোনো খেলোয়াড় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরি করেন, তবে তাঁর পরিবর্তে নামা খেলোয়াড়কে সাইডলাইনে ১ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ ওই ১ মিনিট সংশ্লিষ্ট দলকে ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হবে।
থ্রো-ইন ও গোল কিক নেওয়ার জন্য খেলোয়াড়রা সময় পাবেন মাত্র ৫ সেকেন্ড। কোনো দলের খেলোয়াড় যদি এই সময়ের মধ্যে বল মাঠে না পাঠাতে পারেন, তবে তাঁর দল বলের দখল হারাবে এবং প্রতিপক্ষ দল বলের মালিকানা পাবে।
কোনো খেলোয়াড় মাঠে চিকিৎসা নেওয়ার পর যদি সুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁকে মাঠের বাইরে গিয়ে অন্তত ১ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপরই তিনি পুনরায় খেলায় ফিরতে পারবেন। তবে ফাউলের জন্য প্রতিপক্ষ হলুদ বা লাল কার্ড পেলে আহত খেলোয়াড়কে বাইরে বসে থাকতে হবে না।
এখন থেকে ভিএআর প্রযুক্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের বিষয়েও রিভিউ করতে পারবে, যা পরে লাল কার্ডে বদলাতে পারে। এমনকি রেফারি ভুলবশত কর্নার কিক দিয়ে ফেললেও ভিএআর-এর সহায়তায় সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হবে।
রেফারির যেকোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে কেবল দলের অধিনায়কই কথা বলতে পারবেন। অধিনায়ক ছাড়া অন্য কোনো খেলোয়াড় যদি রেফারিকে ঘিরে ধরেন বা তর্কে লিপ্ত হন, তবে তাঁকে সরাসরি হলুদ কার্ড দেখানো হবে।
ফুটবল বোদ্ধাদের মতে, ফিফার এই নতুন নিয়মগুলো কার্যকর হলে খেলায় নাটুকেপনা ও সময় নষ্ট করার প্রবণতা অনেকাংশেই কমে আসবে।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬