জয়ের খোঁজে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে নিউজিল্যান্ড

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৬ বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করায় নিউজল্যান্ড দলের উচ্ছ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে একটি ম্যাচও না হেরেও গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল ‘অল হোয়াইটস’ খ্যাত দলটি। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই আক্ষেপ ঘুচানোর মিশনে আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরছে তারা।

১৯৮২ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ মূল পর্বে সুযোগ পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেবার ৩ ম্যাচে তিনটিতেই হেরেছিল তারা। বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৮৫তম অবস্থানে থাকা দলটি গত দুই বিশ্বকাপের স্মৃতি ভুলে নিজেদের সেরাটাই খেলতে চায় এবারের বিশ্বকাপে। এবারের বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ৫ ম্যাচে ২৯ গোল করলেও মাত্র ১ গোল হজম করেছে নিউজিল্যান্ড।

২০২৬ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড গ্রুপ ‘জি’-তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুন ইরানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে তারা। এরপর ২১ জুন দ্বিতীয় ম্যাচে মিসর এবং ২৬ জুন বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে হবে অল হোয়াইটসদের।

দলের কোচ ড্যারেন বাজেরলি এর আগে নিউজিল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৭ ও ২০ দলেরও কোচ ছিলেন। বাছাইপর্বে ৯ গোল করা নটিংহাম ফরেস্টের স্ট্রাইকার ক্রিস উডই হবেন কোচ ড্যারেনের মূল তুরুপের তাস। এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখ একাডেমি থেকে উঠে আসা মিডফিল্ডার সারপ্রীত সিংও থাকবেন কোচের প্ল্যানে।

তবে নিউজিল্যান্ডের বড় দুর্বলতা হলো হাই-প্রেসিং ফুটবলের সামনে রক্ষণভাগের খেই হারিয়ে ফেলা। শারীরিকভাবে শক্তিশালী হলেও অর্গানাইজড ডিফেন্সের ক্ষেত্রে বড় দলের বিপক্ষে বিপাকে পড়ে যায় তারা।

বিশ্বকাপে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইরান এবং মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি হবে নিউজিল্যান্ডের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। এই দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট তুলে নিতে পারলে শেষ ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নির্ভার হয়ে খেলতে পারবে তারা।

২০১০ সালে ইতালিকে রুখে দেওয়ার মতো সাফল্য যদি বেলজিয়ামের বিপক্ষেও দেখাতে পারে, তবে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রাখার পথ সুগম হবে অল হোয়াইটসদের।

সম্পর্কিত