স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রথম ম্যাচে দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের সেই স্পেন নিজেদের জাত চেনাল। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে রোববার (২১ জুন) মাঠে নেমে গতি, নিখুঁত ট্রানজিশন ও হাইপ্রেসিং ফুটবলের পসরা সাজিয়ে চিরচেনা রূপে ধরা দিল স্প্যানিশ ফুটবলের সৌন্দর্য। ফলাফল ৪-০ গোলে জয়।
ম্যাচের প্রথমার্ধে লুইস দে লা ফুয়েন্তের ৪-১-২-৩ ফরমেশন দিয়ে মাঠে নামে স্পেন। সৌদি ফুটবলাররা নিজেদের হাফে বল পেলেই স্পেনের তিন ফরোয়ার্ড ও মিডফিল্ড প্রেসিং শুরু করে দিত। যার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদির ৪-৪-২ রক্ষণভাগ নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ড থেকে বল বিল্ড-আপ করতে পারছিল না। ম্যাচের ১০ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন বার্সেলোনার তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল, বিশ্বকাপে তিনি নিজের প্রথম গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
সৌদি আরব প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠতে গেলে রদ্রি মিড ফিল্ডের কন্ট্রোল নেন। স্প্যানিশ এই মিডফিল্ড জেনারেলের পা থেকে রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যকার নিখুঁত ট্রানজিশনে দিশেহারা হয়ে পড়ে সৌদি শিবির। মাঝমাঠ থেকে রদ্রির তৈরি করা কাউন্টার ট্রানজিশন থেকে দানি ওলমো ও পেদ্রির সমন্বয়ে ম্যাচের ২১ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন মিকেল ওয়ারজাবাল।
দ্বিতীয় গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই, ঠিক তিন মিনিট পর ২৪ মিনিটে আরেকটি গোলের উল্লাসে মেতে ওঠে স্প্যানিশ শিবির। মাঠের দুই উইং দিয়ে ইয়ামাল ও কুকুরেয়ার অনবরত ওভারল্যাপিং রান এবং উইং ট্রানজিশনগুলো সৌদির দুই ফুলব্যাককে পুরো ম্যাচেই বিভ্রান্ত করে রেখেছিল, যার চূড়ান্ত খেসারত দিতে হয় তৃতীয় গোলটি হজম করে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে স্পেনের হাইপ্রেসিংয়ের তীব্রতা সামান্য কমলে সৌদির খেলোয়াড় মোতেব কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন। স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির দুর্দান্ত রিকভারি ট্যাকলে সৌদির সেই একমাত্র কাউন্টার আক্রমণের চেষ্টাও ভেস্তে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হতেই সৌদি আরবের ওপর আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্পেনের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি আত্মঘাতী একটি গোল করে বসেন। ফলে ম্যাচে ৪-০ গোলে ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময় (৯০+২) ফ্যারান তোরেস একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। দাপুটে এই জয়ে এখন পর্যন্ত গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে স্পেন।

প্রথম ম্যাচে দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের সেই স্পেন নিজেদের জাত চেনাল। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে রোববার (২১ জুন) মাঠে নেমে গতি, নিখুঁত ট্রানজিশন ও হাইপ্রেসিং ফুটবলের পসরা সাজিয়ে চিরচেনা রূপে ধরা দিল স্প্যানিশ ফুটবলের সৌন্দর্য। ফলাফল ৪-০ গোলে জয়।
ম্যাচের প্রথমার্ধে লুইস দে লা ফুয়েন্তের ৪-১-২-৩ ফরমেশন দিয়ে মাঠে নামে স্পেন। সৌদি ফুটবলাররা নিজেদের হাফে বল পেলেই স্পেনের তিন ফরোয়ার্ড ও মিডফিল্ড প্রেসিং শুরু করে দিত। যার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদির ৪-৪-২ রক্ষণভাগ নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ড থেকে বল বিল্ড-আপ করতে পারছিল না। ম্যাচের ১০ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন বার্সেলোনার তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল, বিশ্বকাপে তিনি নিজের প্রথম গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
সৌদি আরব প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠতে গেলে রদ্রি মিড ফিল্ডের কন্ট্রোল নেন। স্প্যানিশ এই মিডফিল্ড জেনারেলের পা থেকে রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যকার নিখুঁত ট্রানজিশনে দিশেহারা হয়ে পড়ে সৌদি শিবির। মাঝমাঠ থেকে রদ্রির তৈরি করা কাউন্টার ট্রানজিশন থেকে দানি ওলমো ও পেদ্রির সমন্বয়ে ম্যাচের ২১ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন মিকেল ওয়ারজাবাল।
দ্বিতীয় গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই, ঠিক তিন মিনিট পর ২৪ মিনিটে আরেকটি গোলের উল্লাসে মেতে ওঠে স্প্যানিশ শিবির। মাঠের দুই উইং দিয়ে ইয়ামাল ও কুকুরেয়ার অনবরত ওভারল্যাপিং রান এবং উইং ট্রানজিশনগুলো সৌদির দুই ফুলব্যাককে পুরো ম্যাচেই বিভ্রান্ত করে রেখেছিল, যার চূড়ান্ত খেসারত দিতে হয় তৃতীয় গোলটি হজম করে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে স্পেনের হাইপ্রেসিংয়ের তীব্রতা সামান্য কমলে সৌদির খেলোয়াড় মোতেব কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন। স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির দুর্দান্ত রিকভারি ট্যাকলে সৌদির সেই একমাত্র কাউন্টার আক্রমণের চেষ্টাও ভেস্তে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হতেই সৌদি আরবের ওপর আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্পেনের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি আত্মঘাতী একটি গোল করে বসেন। ফলে ম্যাচে ৪-০ গোলে ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময় (৯০+২) ফ্যারান তোরেস একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। দাপুটে এই জয়ে এখন পর্যন্ত গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে স্পেন।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয় পেল মিসর। সোমবার (২২ জুন) সকালে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটান মোহাম্মদ সালাহর দল।
১৩ মিনিট আগে
শক্তিশালী বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেও পয়েন্ট তুলে নিয়েছে ইরান। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইরানের রক্ষণভাগের সঙ্গে গোলরক্ষক আলীরেজা বেইরানভান্দ ছিলেন দুর্ভেদ্য। তার সামনে ২৩টি শট নিয়েও গোলের দেখা পায়নি বেলজিয়াম।
১ ঘণ্টা আগে
মায়ের চোখের সামনেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে ২-২ গোলে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে।
২ ঘণ্টা আগে
১৫টি সেভ করে ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়েছেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। ম্যাচ শেষে রসিকতার সুরে নিজের দেশে একটি ভাস্কর্য তৈরির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে